পাকিস্তানের সেনাপ্রধানের ভারতকে হুঁশিয়ারি: সিন্ধু নদীর বাঁধ তৈরি হলে,ধ্বংসে মিসাইলও প্রস্তুত
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ১১-০৮-২০২৫ ১২:৪৪:৩৫ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ১১-০৮-২০২৫ ১২:৪৪:৩৫ পূর্বাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৪৭ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির সম্প্রতি ভারতকে সরাসরি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন যে, সিন্ধু (ইন্দুস) নদীতে ভারতের কোনো বাঁধ নির্মাণ হলে পাকিস্তান তা ধ্বংস করতে দশটি মিসাইল ব্যবহার করবে। তিনি আরও জানান, পাকিস্তানের মিসাইলের কোনো ঘাটতি নেই এবং ভারতের বিরুদ্ধে নতুন কোনো সামরিক লড়াই শুরু হলে পাকিস্তান প্রথমে ভারতের প্রধান রিসোর্স বিন্দুগুলোতে আক্রমণ করবে, তারপর পশ্চিম দিক থেকে এগিয়ে যাবে। যদিও ভারত মিডিয়ায় অনেক আলোচনা হচ্ছে, তবে এখনো কোনো বাঁধ নির্মাণ প্রকল্প শুরু হয়নি যা পাকিস্তানের জন্য পানি সরবরাহ বন্ধ করতে পারে।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২
এই মন্তব্য প্রেক্ষিতে সিন্ধু নদীর স্পর্শকাতর ভূ-রাজনৈতিক প্রসঙ্গ ও ভারত-পাকিস্তানের দীর্ঘদিনের জলবণ্টন বিরোধের পটভূমি গুরুত্বপূর্ণ। ১৯৬০ সালের সিন্ধু পানি চুক্তির পর থেকে দুই দেশের মধ্যে নদীর পানি বণ্টন নিয়ন্ত্রিত হলেও সাম্প্রতিক কালে ভারত একতরফাভাবে চুক্তি স্থগিত করে এবং পাকিস্তানকে পানি সরবরাহ কমিয়েছে বলে অভিযোগ ওঠেছে। এই পরিস্থিতিতে পাকিস্তান সিন্ধু নদীতে যেকোনো বাঁধ নির্মাণকে জাতীয় নিরাপত্তার ব্যাপক হুমকি মনে করছে এবং কঠোর প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছে।
সিন্ধু নদীর উপর পাকিস্তানের দুইটি প্রধান বাঁধ তারবেলা এবং মংলা, যার উপর দেশের ৮০ শতাংশ কৃষি নির্ভরশীল। সম্প্রতি এই বাঁধগুলোতে জলস্তর কমে যাওয়ায় কৃষি ও বিদ্যুৎ উৎপাদনে সমস্যা দেখা দিয়েছে, যা অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও সামাজিক স্থিতিশীলতার জন্য উদ্বেগজনক। এমন পরিস্থিতিতে ভারতীয় কোনো বাঁধ নির্মাণ হলে তা প্রভাব ফেলবে বলে পাকিস্তান তীব্র আশঙ্কা প্রকাশ করেছে।
উল্লেখ্য, নদীর পানির ভাগাভাগির বিরোধন শুধু ভারত-পাকিস্তানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলেও একই ধরনের বিরোধ বিরাজ করছে যেখানে উজানের দেশ ও ভাটির দেশদের মধ্যে পানির প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিবাদ লেগেই থাকে।
এসব প্রেক্ষাপটে এই সাম্প্রতিক হুঁশিয়ারি ভারতের সঙ্গে জলসম্পদ সংকট ও সামরিক উত্তেজনার নতুন অধ্যায় সূচিত করতে পারে।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।