অমুসলিমদের ধর্মীয় উৎসবের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ মাসআলা
অমুসলিমদের ধর্মীয় উৎসবের বিষয়ে কিছু ইসলামী বিধান
- আপলোড সময় : ২৪-১০-২০২৬ ০৮:৫৪:১৫ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ২৪-১০-২০২৬ ০৮:৫৪:১৫ পূর্বাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৩১ বার পঠিত
প্রতীকী ছবি- ( সংগৃহীত)
১.অমুসলিমদের পূজার শুভেচ্ছা জানানো জায়িয নয়। এটি ঈমানবিধ্বংসী আচরণ।
২.অমুসলিমদের পূজায় চাঁদা দেওয়া হারাম। যদিও ওদের মানবিক প্রয়োজনে কোটি কোটি টাকা দেওয়াও জায়েয।
৩.কোনো মাসলাহাত (প্রজ্ঞাপূর্ণ কারণ) ছাড়া ওদের পূজায় উপস্থিত হওয়া নাজায়েয। এটি আল্লাহর ক্রোধের কারণ।
৪.অমুসলিমদের জবাইকৃত হাঁস, মুরগি, খাসি, কবুতর ইত্যাদি খাওয়া সম্পূর্ণ হারাম, যা কুরআন হাদীস দ্বারা সুস্পষ্ট প্রমাণিত।
৫.দেবতার উদ্দেশ্যে দেবির বেদিতে বলিকৃত পশু জঘন্যরূপে হারাম।
৬.দেবীর বেদিতে পরিবেশিত মিষ্টান্ন, প্রসাদ, নাড়ু, সন্দেশ খাওয়া নাজায়েয। এমনকি ওই উপলক্ষে তৈরি নাশতা ইত্যাদি খাওয়া উচিত নয়। দারুল উলূম দেওবন্দ, জামিয়া বিন্নুরিয়া, মারকাযুদ্দাওয়াহসহ উপমহাদেশীয় প্রায় সকল দারুল ইফতার ফতওয়া এটি। সৌদী আলিম শাইখ সালিহ আলফাউযানের ফতওয়াও অভিন্ন।
৭.ফাসাদপ্রতিরোধের উদ্দেশ্য ছাড়া এসব মণ্ডপ পাহারা দেওয়া জায়িয নয়।
৮.যেসব জিনিস কেবলমাত্র অমুসলিমদের পূজা ও উৎসবের কাজে ব্যবহার হয়, যেমন পটকা, টায়রা, শাঁখা ইত্যাদি, সেগুলির ব্যবসা করা বা তা সরবরাহ করা মুসলিমদের পক্ষে জায়িয নয়।
৯.অমুসলিমদের দেখাদেখি পটকা ফোটানো বা তাদের পোশাক পরিধান করা এবং তাদের মতো আচরণ করা না-জায়েয।
১০.অমুসলিমদের কাছ থেকে তাদের ধর্মীয় প্রতীক বা চিহ্ন গ্রহণ করা, যেমন কপালে সিঁদুর, চন্দনতিলক, পৈতা, ক্রুশ গ্রহণ করা সম্পূর্ণ হারাম! প্রসন্নতার সাথে গ্রহণ করলে এতে ঈমান নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
১১.মুসলিমদেশে অমুসলিমদের পূজামন্ডপে আক্রমণ করা বা তাতে বাধা সৃষ্টিকরা না-জায়েয।
১২.ওদের পূজানুষ্ঠানে কুরআন তিলাওয়াত করা, গজল পরিবেশন করা নাজায়েয।
১৩.দেবদেবীর গুণকীর্তণমূলক কিংবা ধর্মের প্রশস্তিমূলক বিবৃতি দেওয়া হারাম ও কুফর। তবে সম্প্রীতিমূলক বক্তৃতায় অসুবিধা নেই।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।