নতুন ক্যাম্পাসে যাত্রা শুরু করলো IOM এর ফিজিক্যাল শাখা ‘উম্মাহ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল’
আধুনিক জেনারেল শিক্ষার পাশাপাশি দ্বীনি ও হিফজ শিক্ষার সুযোগ নিয়ে মিরপুর কাজীপাড়ায় সম্প্রসারিত হলো আইএসইউর নতুন ক্যাম্পাস
- আপলোড সময় : ২৩-১০-২০২৬ ১১:০৬:১৭ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ২৩-১০-২০২৬ ১১:০৬:১৭ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৪৮ বার পঠিত
ছবি: প্রতিনিধি
এশিয়া মহাদেশের সর্ববৃহৎ অনলাইনভিত্তিক দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ‘ইসলামিক অনলাইন মাদ্রাসা’ (IOM) তার জনপ্রিয়তার ধারাবাহিকতায় এবার নতুন আঙ্গিকে যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে। শিক্ষার্থীদের ক্রমবর্ধমান চাহিদা ও মানসম্মত শিক্ষার পরিধি বাড়াতে প্রতিষ্ঠানটি তাদের ফিজিক্যাল ক্যাম্পাস ‘উম্মাহ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল’ (UIS)-কে আরও প্রশস্ত ও মনোরম পরিবেশে স্থানান্তরিত করেছে।
নতুন এই ক্যাম্পাসের ঠিকানা এখন মিরপুর পূর্ব কাজীপাড়ার ইটখোলা বাজারের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ডিআইএসসিও (DISCO) ভবনের ঠিক পাশেই পূর্বের গার্মেন্টস ভবনের চতুর্থ তলায়।
ভর্তি কার্যক্রম ও যোগাযোগ:
বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে নতুন শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। যারা সন্তানদের আধুনিক জেনারেল শিক্ষার পাশাপাশি শক্তিশালী দ্বীনি ভিতের ওপর গড়ে তুলতে চান, তাদের জন্য এটি একটি অনন্য সুযোগ। ভর্তি সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জানতে এবং আবেদন করতে ভিজিট করুন স্কুলের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট: [https://uis.edu.bd/](https://uis.edu.bd/)। এছাড়া ভর্তি ও ভর্তি-পরবর্তী যেকোনো প্রয়োজনে তাদের হটলাইন নাম্বারে যোগাযোগ করা যাবে।
শিক্ষা ও বিশেষ সুবিধাসমূহ:
উম্মাহ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনা করছেন দেশবরেণ্য উলামায়ে কেরাম, বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ও ইঞ্জিনিয়ারদের সমন্বয়ে গঠিত একটি উচ্চশিক্ষিত প্যানেল।
প্রতিষ্ঠানের মূল বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে রয়েছে:
• আধুনিক কারিকুলাম: কোডিং, প্রোগ্রামিং এবং ইংলিশ স্পোকেন ক্লাসের মাধ্যমে বিশ্বমানের দক্ষতা নিশ্চিত করা।
• দ্বীনি শিক্ষা: সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি বাধ্যতামূলক হিফজ শিক্ষার সুযোগ। ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত অধ্যয়নে IOM-এর আলিম কোর্স সম্পন্ন এবং পরবর্তী ৪-৫ বছরে দাওরায়ে হাদিস শেষ করে মাওলানা হওয়ার সুযোগ।
• আধুনিক সুযোগ-সুবিধা: শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত শ্রেণিকক্ষ, অত্যাধুনিক আইটি ব্যবস্থাপনা এবং শিশু মনস্তত্ত্বভিত্তিক পাঠদান পদ্ধতি।
• মানসিক বিকাশ: মাল্টিমিডিয়া প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার ও আন্তর্জাতিক মানের শারীরিক চর্চার মাধ্যমে আত্মবিশ্বাসী প্রজন্ম গড়ে তোলা।
প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্টরা জানান, শিক্ষার আধুনিকায়ন ও নৈতিক মূল্যবোধ সম্পন্ন প্রজন্ম গড়ার লক্ষ্যে তারা কাজ করে যাচ্ছেন। অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের নিরলস আস্থা ও ভালোবাসাই প্রতিষ্ঠানটিকে আরও বড় পরিসরে সেবা প্রদানের প্রেরণা জুগিয়েছে। নতুন ক্যাম্পাসে স্থানান্তর শিক্ষাদানের পরিবেশকে আরও সমৃদ্ধ ও গতিশীল করবে এবং আগামী দিনে একটি সুশিক্ষিত ও নৈতিকতাসম্পন্ন জাতি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে কর্তৃপক্ষ আশা প্রকাশ করছে।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।