ইমাম সাহু সিজদার জন্য সালাম ফেরালে কি মাসবুকও সালাম ফেরাবে?
জামাতে নামায আদায়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাসআলা
- আপলোড সময় : ১০-১০-২০২৬ ০৬:৩৪:৪৭ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ১০-১০-২০২৬ ০৬:৩৬:০৯ পূর্বাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৪৫ বার পঠিত
প্রতীকী ছবি- ( সংগৃহীত)
নামায ইসলামের অন্যতম একটি স্তম্ভ এবং প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থ বিবেকসম্পন্ন মুসলিমের ওপর নির্ধারিত শর্তে পাঁচ ওয়াক্ত নামায আদায় করা ফরয। এটি বান্দার সঙ্গে মহান আল্লাহর সম্পর্ক দৃঢ় করার অন্যতম মাধ্যম। নামায মানুষকে অশ্লীলতা ও অন্যায় কাজ থেকে বিরত থাকতে সাহায্য করে, অন্তরে আল্লাহভীতি জাগ্রত করে এবং জীবনে শৃঙ্খলা ও আত্মসংযম গড়ে তোলে। তাই একজন মুসলিমের দৈনন্দিন জীবনে নামাযের গুরুত্ব অপরিসীম।
নামায এর নিয়ম-কানুন ও মাসআলা-মাসায়েল সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান অর্জন করা অত্যন্ত জরুরি। কারণ, ইবাদত যথাযথভাবে আদায় করতে হলে এর বিধিবিধান জানা প্রয়োজন। বিশেষ করে জামাতে নামায আদায়ের সময় ইমামের অনুসরণ, ছুটে যাওয়া রাকাত পূর্ণ করা এবং সাহু সিজদার মতো বিষয়গুলোতে অসতর্কতার কারণে অনেকেই ভুল করে থাকেন। এসব ভুল থেকে বাঁচতে কুরআন-সুন্নাহ ও নির্ভরযোগ্য আলেমদের নির্দেশনার আলোকে নামাযের সঠিক বিধান জানা প্রত্যেক মুসলিমের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
যে ব্যক্তি ইমামের সাথে পুরো নামায পায়নি; বরং কিছু রাকাত ছুটে গেছে তাকে মাসবুক বলে।
কিছু মানুষকে দেখা যায়, মাসবুক অবস্থায়ও ইমাম সাহু সিজদার জন্য সালাম ফেরালে তারাও ইমামের সাথে সালাম ফেরায়। এটি একটি ভুল আমল। নিয়ম হলো, মাসবুক ব্যক্তি ইমামের সাথে সাহু সিজদার জন্য সালাম ফেরাবে না; বরং সালাম ফিরানো ছাড়া শুধু সাহু সিজদায় শরীক হবে। অবশ্য কখনো ভুলে ইমামের সাথে সাহু সিজদার সালাম ফিরিয়ে ফেললে (কাজটি নিয়মসম্মত না হলেও) নামায ফাসেদ হবে না এবং নিজ নামায শেষে সাহু সিজদাও করতে হবে না। (দ্র. বাদায়েউস সানায়ে ১/৪২২; রদ্দুল মুহতার ২/৮২; হালবাতুল মুজাল্লী ২/৪৫২)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।