একটি ভুল মাসআলা: রোযা অবস্থায় মুখ ভরে বমি হলে কি রোযা ভেঙে যায়?
রোযা অবস্থায় অনিচ্ছাকৃত ও ইচ্ছাকৃত বমির বিধান সম্পর্কে জেনে নিন।
- আপলোড সময় : ১০-১০-২০২৬ ০৬:০৭:২৪ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ১০-১০-২০২৬ ০৬:১০:০৮ পূর্বাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ২৯ বার পঠিত
প্রতীকী ছবি- ( সংগৃহীত)
ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের অন্যতম হলো রোযা। এটি মহান আল্লাহর প্রতি আনুগত্য, তাকওয়া অর্জন এবং আত্মশুদ্ধির এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। রোযা মানুষকে সংযমী হতে শেখায়, প্রবৃত্তির ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করে এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের পথ সুগম করে। তাই রোযার গুরুত্বের পাশাপাশি এ-সংক্রান্ত বিভিন্ন মাসআলা ও বিধিবিধান সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান অর্জন করাও প্রত্যেক মুসলিমের জন্য জরুরি। রোযা পালনের ক্ষেত্রে কোনো ভুল ধারণা যেন ইবাদতের শুদ্ধতা নিয়ে সংশয় সৃষ্টি না করে, সে জন্য কুরআন-সুন্নাহর আলোকে সঠিক বিধান জানা প্রয়োজন।
কিছু মানুষের ধারণা, রোযা অবস্থায় মুখ ভরে বমি হলে রোযা ভেঙে যাবে এবং তার কাযা করতে হবে। তাদের এ ধারণা ঠিক নয়। অনিচ্ছাকৃত মুখ ভরে বমি হলেও রোযা ভাঙবে না, কাযাও আদায় করতে হবে না। তবে হাঁ, কেউ যদি রোযা অবস্থায় ইচ্ছাকৃত মুখ ভরে বমি করে তার রোযা ভেঙে যাবে এবং কাযা আদায় করতে হবে।
আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন- مَنْ ذَرَعَهُ القَيْءُ، فَلَيْسَ عَلَيْهِ قَضَاءٌ، وَمَنْ اسْتَقَاءَ عَمْدًا فَلْيَقْضِ. যার অনিচ্ছাকৃত বমি হয়ে যায় তাকে কাযা আদায় করতে হবে না (অর্থাৎ তার রোযা ভাঙবে না)। আর যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃত বমি করে সে যেন কাযা আদায় করে (অর্থাৎ তার রোযা ভেঙে যাবে)। -
জামে তিরমিযী, হাদীস ৭২০; সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস ১৬৭৬; মুসতাদরাকে হাকেম, হাদীস ১৫৫৭
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।