দিল্লিতে ২৩ হাজার পুলিশ মোতায়েন, বন্ধ ৫৭ মেট্রো স্টেশন
প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ দাবিতে বিক্ষোভ ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার, বাতিল ৬১ ট্রেন
- আপলোড সময় : ০৯-১০-২০২৬ ০৮:৩৩:০০ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ০৯-১০-২০২৬ ০৮:৩৩:০০ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ১৮ বার পঠিত
ছবি সংগৃহীত
ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে দিল্লিতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ প্রায় ২৩ হাজার কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ সদস্য মোতায়েনের প্রস্তুতি নিয়েছে। পাশাপাশি দিল্লি মেট্রোর ৫৭টি স্টেশনে প্রবেশ ও বের হওয়ার গেট বন্ধ রাখা হয়েছে এবং দিল্লিগামী ৬১টি ট্রেন বাতিল করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, শনিবার (১০ অক্টোবর) দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ দাবি করছে দলটি।
তবে বিক্ষোভের অনুমতি দেয়নি দিল্লি পুলিশ। পুলিশের দাবি, কর্মসূচির জন্য প্রয়োজনীয় ১০ দিনের আগাম নোটিশ দেওয়া হয়নি। অনুমতির আবেদন জমা পড়ে ৭ অক্টোবর, বিক্ষোভের মাত্র তিন দিন আগে। আগের একটি কর্মসূচিতে নির্দেশিকা লঙ্ঘনের অভিযোগও তুলেছে পুলিশ। জননিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে অনুমতি প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
ইতোমধ্যে যন্তর মন্তরসহ দিল্লির মধ্যাঞ্চলের কয়েকটি এলাকায় ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ ধারা জারি করা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে পুলিশ। নিরাপত্তার অংশ হিসেবে একাধিক স্তরের ব্যারিকেড, সিসিটিভি নজরদারি এবং বিক্ষোভকারীদের মুখ শনাক্তে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক প্রযুক্তি ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে। উত্তর প্রদেশ ও হরিয়ানার পুলিশকেও সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
বিক্ষোভ ঘিরে দিল্লি মেট্রোর ৫৭টি স্টেশনের প্রবেশ ও বের হওয়ার গেট ৯ অক্টোবর রাত ৯টা থেকে বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। প্রভাবিত স্টেশনগুলোর মধ্যে রয়েছে রাজীব চক, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট, নয়াদিল্লি, প্যাটেল চক, জনপথ, মান্ডি হাউস, আইটিও, দিল্লি গেট, খান মার্কেট, কাশ্মীরি গেট, হাউজ খাস ও লাজপত নগর। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত বিধিনিষেধ বহাল থাকতে পারে।
এদিকে, নয়াদিল্লি ও হজরত নিজামুদ্দিন স্টেশনে পৌঁছানোর কথা ছিল এমন ৬১টি ট্রেন বাতিল করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে শুক্রবারের ৪০টি এবং শনিবারের ২০টি ট্রেনের কথা বলা হয়েছে। তবে এই দুই দিনের হিসাবের যোগফল ৬০ হওয়ায় মোট বাতিল ট্রেনের সংখ্যা নিয়ে প্রতিবেদনে অসংগতি রয়েছে।
রেল কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের স্টেশনে যাওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট ট্রেনের চলাচলের সর্বশেষ তথ্য যাচাই করার পরামর্শ দিয়েছে।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।