ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬ , ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (শরৎকাল) , ২৭ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
বিমানের বহরে যুক্ত হচ্ছে এয়ারবাসের ১০ উড়োজাহাজ এশিয়ার বাজারগুলোতে বাড়ছে বাংলাদেশের রপ্তানি অবসরভাতা পেতে শিক্ষকদের ভোগান্তি বন্ধের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশকে খাদ্য নিরাপত্তায় ৩০০ মিলিয়ন ডলার দেবে বিশ্বব্যাংক পাকিস্তান ও ভারতীয়দের তুলনায় বাংলাদেশিদের গড় আয়ু বেশি: WHO যানজট নিরসনে বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণের গতি বাড়ানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী কেন সম্ভাব্য মার্কিন হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে কানাডা? অক্টোবরে বেতনের সঙ্গে ৩ মাসের বকেয়া পেতে পারেন সরকারি চাকরিজীবীরা রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান মিয়ানমারেই হতে হবে: তারেক রহমান দক্ষিণ এশিয়ায় ভয়াবহ খাদ্যসংকটের আশঙ্কা প্রকাশ এস জয়শঙ্করের রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নতুন জ্বালানি আজ দেশে আসছে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া দুই ঈদকে সরকারি ছুটির স্বীকৃতি ইরানকে ঘিরে মার্কিন সামরিক শক্তি বৃদ্ধি মদিনার বিদ্যুৎকেন্দ্রে ড্রোন হামলার অভিযোগ সৌদি জোটের,হুতিদের অস্বীকার পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপকূলে ভরা মৌসুমেও মিলছে না ইলিশ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসনের ‘হ্যালো ডিসি’ চালুর পরিকল্পনা সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়: 'অল-ইনক্লুসিভ প্যাকেজ' চালুর ঘোষণা মিরপুরের ফুটপাত উচ্ছেদ অভিযানে সমন্বয়ের ঘাটতি ছিল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জেনেভা ক্যাম্পের পিচ্চি রাজা: সোর্স থেকে মাদক কারবারের শীর্ষে এআই অসৎ লোকের হাতে পড়লে ১০০ কোটি মানুষের প্রাণ যেতে পারে: বিল গেটস

বাড়িতে হামাগুড়ি দেওয়া শিশুর নিরাপত্তায় প্রয়োজন বাড়তি সতর্কতা

হামাগুড়ি দেওয়া শুরু করলে শিশুর চলাফেরা বাড়ে এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বৃদ্ধি পায়। তাই শিশুর নিরাপত্তায় ঘরের পরিবেশ সুরক্ষিত রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ০৮-১০-২০২৬ ০৭:১২:৫১ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৮-১০-২০২৬ ০৭:১৪:৩৪ অপরাহ্ন
  • ২ মিনিট পড়ার সময়
  • ৪০ বার পঠিত
বাড়িতে হামাগুড়ি দেওয়া শিশুর নিরাপত্তায় প্রয়োজন বাড়তি সতর্কতা প্রতীকী ছবি- ( সংগৃহীত)

শিশু যখন হামাগুড়ি দেওয়া শুরু করে, তখন তার চারপাশের পরিবেশ সম্পর্কে কৌতূহলও দ্রুত বাড়তে থাকে। এই সময় শিশুর চলাফেরার পরিধি বৃদ্ধি পাওয়ায় দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বাড়ে। তাই হামাগুড়ি দেওয়া শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অভিভাবকদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

শিশুরা সাধারণত ছয় থেকে দশ মাস বয়সের মধ্যে হামাগুড়ি দেওয়া শুরু করে। এ সময় তারা মেঝেতে থাকা ছোট বস্তু, বৈদ্যুতিক তার, আসবাবপত্রের কোণা কিংবা বিভিন্ন গৃহস্থালি সামগ্রীর প্রতি আকৃষ্ট হতে পারে। ফলে অসাবধানতাবশত মুখে কিছু তুলে ফেলা, পড়ে যাওয়া বা আঘাত পাওয়ার মতো ঘটনা ঘটতে পারে।

হামাগুড়ি দেওয়া শিশুর নাগালের মধ্যে ছোট খেলনা, কয়েন, ব্যাটারি, ওষুধ বা ধারালো বস্তু রাখা উচিত নয়। কারণ এসব জিনিস শিশুর শ্বাসরোধ বা অন্যান্য স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ হতে পারে। একই সঙ্গে বৈদ্যুতিক সকেট নিরাপদভাবে ঢেকে রাখা এবং ঝুলন্ত তার গুছিয়ে রাখাও দরকার।

ঘরের মেঝে পরিষ্কার ও শুকনো রাখা গুরুত্বপূর্ণ। পিচ্ছিল মেঝে বা ছড়িয়ে থাকা জিনিসপত্র শিশুর পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে। সিঁড়ি থাকলে সেখানে নিরাপত্তা গেট ব্যবহার করা এবং বারান্দা বা উঁচু স্থানের প্রবেশপথ সুরক্ষিত রাখাও প্রয়োজন।

অনেক শিশু হামাগুড়ি দিতে দিতে রান্নাঘর বা বাথরুমের দিকে চলে যেতে পারে। তাই এসব স্থানে শিশুর প্রবেশ সীমিত রাখা উচিত। গরম পানি, পরিষ্কারক রাসায়নিক, গ্যাসের চুলা বা রান্নার সরঞ্জাম শিশুর জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

হামাগুড়ি দেওয়া শিশুকে সবসময় পর্যবেক্ষণের মধ্যে রাখা একটি কার্যকর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। শিশুর স্বাভাবিক বিকাশের জন্য তাকে চলাফেরার সুযোগ দিতে হবে, তবে সেই পরিবেশটি হতে হবে নিরাপদ ও ঝুঁকিমুক্ত। সচেতনতা ও কিছু সহজ প্রস্তুতির মাধ্যমে হামাগুড়ি দেওয়া শিশুদের অনেক দুর্ঘটনা প্রতিরোধ করা সম্ভব।


নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১২

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।