নানা পাটেকর ছিলেন টেরিটোরিয়াল আর্মির লেফটেন্যান্ট কর্নেল
কার্গিল যুদ্ধে সেনাদের সঙ্গে কাজ করেছিলেন বলিউডের এই অভিনেতা
- আপলোড সময় : ০৮-১০-২০২৬ ১১:৫৩:০৭ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ০৮-১০-২০২৬ ১১:৫৩:০৭ পূর্বাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ২৬ বার পঠিত
ছবি সংগৃহীত
বলিউড অভিনেতা নানা পাটেকর ৭৫ বছর বয়সে মারা গেছেন। অভিনয়ের পাশাপাশি ভারতীয় টেরিটোরিয়াল আর্মির সঙ্গেও তার দীর্ঘ সম্পর্ক ছিল। ১৯৯৯ সালের কার্গিল যুদ্ধের সময় বিশেষ অনুমতি নিয়ে নিয়ন্ত্রণরেখায় ভারতীয় সেনাদের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছিলেন তিনি। পরবর্তী সময়ে সম্মানসূচক লেফটেন্যান্ট কর্নেল পদেও ভূষিত হন।
১৯৯১ সালে মুক্তি পাওয়া ‘প্রহার: দ্য ফাইনাল অ্যাটাক’ চলচ্চিত্রে ভারতীয় সেনা কর্মকর্তার চরিত্রে অভিনয়ের প্রস্তুতি নিতে মারাঠা লাইট ইনফ্যান্ট্রি সেন্টারে প্রায় তিন বছর সামরিক প্রশিক্ষণ নেন নানা পাটেকর। প্রশিক্ষণ শেষে ১৯৯০ সালে তাকে ভারতীয় টেরিটোরিয়াল আর্মিতে সম্মানসূচক ক্যাপ্টেন পদ দেওয়া হয়।
১৯৯৯ সালে কার্গিল যুদ্ধ শুরু হলে সেনাবাহিনীর সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি। শুরুতে অনুমতি না পেলেও তৎকালীন প্রতিরক্ষামন্ত্রী জর্জ ফার্নান্দেজের সঙ্গে যোগাযোগ করেন নানা পাটেকর। পরে বিশেষ অনুমতি নিয়ে ওই বছরের আগস্টে নিয়ন্ত্রণরেখা এলাকায় সেনাদের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন।
২৬ জুলাই কার্গিল যুদ্ধ শেষ হলেও এরপর দুই সপ্তাহের বেশি সময় সেনাদের সঙ্গে কাজ করেন তিনি। সরাসরি যুদ্ধে অংশ না নিয়ে বেস হাসপাতালে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে এবং কুইক রেসপন্স টিমের লজিস্টিকস ও অপারেশন কার্যক্রমে যুক্ত ছিলেন। শ্রীনগরে পৌঁছানোর সময় তার ওজন ছিল ৭৬ কেজি, আর দায়িত্ব শেষে তা কমে ৫৬ কেজিতে দাঁড়ায় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
২০১৩ সালে টেরিটোরিয়াল আর্মি থেকে অবসর নেন নানা পাটেকর। একই বছর তিনি ভারতের চতুর্থ সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পদ্মশ্রী লাভ করেন এবং সম্মানসূচক লেফটেন্যান্ট কর্নেল পদে ভূষিত হন।
১৯৭৮ সালে ‘গমন’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে অভিনয়জগতে পা রাখেন নানা পাটেকর। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে ‘পারিন্দা’, ‘ক্রান্তিবীর’, ‘অগ্নিসাক্ষী’, ‘অঙ্গার’, ‘অপহরণ’ ও ‘খামোশি: দ্য মিউজিক্যাল’সহ বিভিন্ন সিনেমায় অভিনয় করেন। তিনি তিনবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এবং চারটি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার পেয়েছেন।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।