দেশটির আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজ এজেন্সির বরাতে এই তথ্য জানা গেছে।
ইরান সরকারের কাছে জমা দেওয়া এক প্রতিবেদনে পিজিপআইজি জানিয়েছে, নিষেধাজ্ঞা ও যুদ্ধকালীন প্রতিকূল পরিস্থিতি সফলভাবে সামলে উঠে প্রতিষ্ঠানটি এখন ‘দ্রুত প্রবৃদ্ধি ও উচ্চ মুনাফার’ যুগে প্রবেশ করেছে।
প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, গত অর্থবছরে কোম্পানিটির নিট মুনাফা পৌঁছেছে ১৮৭ দশমিক ৫ ট্রিলিয়ন তোমানে (প্রায় ৭০ কোটি ডলার)। যা আগের বছরের তুলনায় ৬৭ দশমিক ৪ শতাংশ বেশি। একই সময়ে তাদের পণ্য উৎপাদন বেড়েছে ২০ লাখ টন।
নিষেধাজ্ঞা ও অবরোধের মুখে কার্যক্রম পরিচালনা প্রসঙ্গে কোম্পানিটি জানায়, চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধ ও নৌঅবরোধের মতো চরম সংকটময় সময়েও তাদের বাণিজ্য ও রপ্তানি কার্যক্রম সার্বক্ষণিক চালু ছিল। অর্জিত এই বিশাল আয় বিদ্যমান ব্যাংকিং ও আর্থিক ব্যবস্থার মাধ্যমেই দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) অর্থনৈতিক বিভাগকে আর্থিক সহায়তার অভিযোগে ২০১৯ সালে পিজিপআইজির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল যুক্তরাষ্ট্র।