কোনো কোনো অভিভাবক মনে করেন, যত বেশি সময় শিশু পড়ার টেবিলে বসে থাকবে তত বেশি শিখবে। একটানা দীর্ঘসময় পড়াশোনা করলে শিশুর মনোযোগ কমে যেতে পারে এবং শেখার কার্যকারিতাও হ্রাস পেতে পারে।
মনোযোগ ধরে রাখতে বিরতি গুরুত্বপূর্ণ
শিশুর মনোযোগের ক্ষমতা বয়সভেদে সীমিত হয়। দীর্ঘ সময় একই কাজে মনোযোগ ধরে রাখা তাদের জন্য কঠিন হতে পারে। তাই নির্দিষ্ট সময় পর পর ছোট বিরতি দিলে তারা নতুন উদ্যমে পড়াশোনায় ফিরতে পারে।
মানসিক ক্লান্তি কমাতে সাহায্য করে
একটানা পড়াশোনা শিশুর মানসিক ক্লান্তি বাড়াতে পারে। কয়েক মিনিটের বিরতি মস্তিষ্ককে বিশ্রাম নেওয়ার সুযোগ দেয়, যা শেখার প্রক্রিয়াকে আরও কার্যকর করতে পারে।
শারীরিক নড়াচড়া প্রয়োজন
দীর্ঘ সময় বসে থাকার পরিবর্তে বিরতির সময় শিশুকে কিছুটা হাঁটাচলা, স্ট্রেচিং বা হালকা খেলাধুলার সুযোগ দেওয়া যেতে পারে। এতে শরীর ও মন দুটোই সতেজ থাকে।
বয়স অনুযায়ী পড়ার সময় নির্ধারণ করুন
সব শিশুর মনোযোগ ও শেখার গতি এক রকম নয়। তাই বয়স, আগ্রহ ও সক্ষমতা অনুযায়ী পড়ার সময় নির্ধারণ করা ভালো। ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে তুলনামূলক কম সময়ের অধ্যয়ন সেশন বেশি কার্যকর হতে পারে।
বিরতির সময় স্ক্রিন ব্যবহারে সতর্ক থাকুন
পড়ার ফাঁকে মোবাইল বা অন্যান্য স্ক্রিনে দীর্ঘ সময় কাটালে কাঙ্ক্ষিত বিশ্রাম নাও হতে পারে। এর পরিবর্তে চোখ ও মস্তিষ্ককে আরাম দেয় এমন কার্যক্রম বেছে নেওয়া ভালো।
পড়াশোনার পরিমাণের চেয়ে শেখার মান বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাই শিশুকে একটানা দীর্ঘসময় পড়ানোর পরিবর্তে পরিকল্পিত বিরতির মাধ্যমে শেখার পরিবেশ তৈরি করা অধিক ফলপ্রসূ হতে পারে।