ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬ , ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (শরৎকাল) , ৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
মাদক, কিশোর গ্যাং ও র‍্যাগ ডে রোধে মাউশির নির্দেশ হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা সর্বকালের রেকর্ড ছাড়িয়েছে চুয়েটে ৩০ ঘণ্টা পর অবরুদ্ধ উপাচার্যকে উদ্ধার, ক্যাম্পাসে না আসার শর্তে রেলখাতের উন্নয়নে ৮০টি নতুন ইঞ্জিন আমদানির উদ্যোগ: রেলমন্ত্রী কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আরও ৩৫৩ জন আটক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রস্তুতি শেষে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সুপারিশ তৃতীয় টার্মিনালের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে প্রস্তাব ৪ বিদেশি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ভারত বাণিজ্য বৈঠক শেষ আজ, আলোচনায় শুল্ক ও বাণিজ্য ঘাটতি রূপপুর পারমাণবিক কেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে নিয়ন্ত্রিত বিক্রিয়া শুরু বিমানের বহরে যুক্ত হচ্ছে এয়ারবাসের ১০ উড়োজাহাজ এশিয়ার বাজারগুলোতে বাড়ছে বাংলাদেশের রপ্তানি অবসরভাতা পেতে শিক্ষকদের ভোগান্তি বন্ধের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশকে খাদ্য নিরাপত্তায় ৩০০ মিলিয়ন ডলার দেবে বিশ্বব্যাংক পাকিস্তান ও ভারতীয়দের তুলনায় বাংলাদেশিদের গড় আয়ু বেশি: WHO যানজট নিরসনে বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণের গতি বাড়ানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী কেন সম্ভাব্য মার্কিন হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে কানাডা? অক্টোবরে বেতনের সঙ্গে ৩ মাসের বকেয়া পেতে পারেন সরকারি চাকরিজীবীরা রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান মিয়ানমারেই হতে হবে: তারেক রহমান দক্ষিণ এশিয়ায় ভয়াবহ খাদ্যসংকটের আশঙ্কা প্রকাশ এস জয়শঙ্করের রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নতুন জ্বালানি আজ দেশে আসছে

শিশুকে একটানা দীর্ঘসময় পড়াবেন না, পড়ার মাঝে বিরতি দিন

নিয়মিত বিরতি শিশুর মনোযোগ ধরে রাখতে, মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে

নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ৩১-০৮-২০২৬ ০৫:৩৬:২৩ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ৩১-০৮-২০২৬ ০৫:৩৬:২৩ পূর্বাহ্ন
  • ২ মিনিট পড়ার সময়
  • ১১৪ বার পঠিত
শিশুকে একটানা দীর্ঘসময় পড়াবেন না, পড়ার মাঝে বিরতি দিন প্রতীকী ছবি- ( সংগৃহীত)

কোনো কোনো অভিভাবক মনে করেন, যত বেশি সময় শিশু পড়ার টেবিলে বসে থাকবে তত বেশি শিখবে। একটানা দীর্ঘসময় পড়াশোনা করলে শিশুর মনোযোগ কমে যেতে পারে এবং শেখার কার্যকারিতাও হ্রাস পেতে পারে।

মনোযোগ ধরে রাখতে বিরতি গুরুত্বপূর্ণ
শিশুর মনোযোগের ক্ষমতা বয়সভেদে সীমিত হয়। দীর্ঘ সময় একই কাজে মনোযোগ ধরে রাখা তাদের জন্য কঠিন হতে পারে। তাই নির্দিষ্ট সময় পর পর ছোট বিরতি দিলে তারা নতুন উদ্যমে পড়াশোনায় ফিরতে পারে।

মানসিক ক্লান্তি কমাতে সাহায্য করে
একটানা পড়াশোনা শিশুর মানসিক ক্লান্তি বাড়াতে পারে। কয়েক মিনিটের বিরতি মস্তিষ্ককে বিশ্রাম নেওয়ার সুযোগ দেয়, যা শেখার প্রক্রিয়াকে আরও কার্যকর করতে পারে।

শারীরিক নড়াচড়া প্রয়োজন
দীর্ঘ সময় বসে থাকার পরিবর্তে বিরতির সময় শিশুকে কিছুটা হাঁটাচলা, স্ট্রেচিং বা হালকা খেলাধুলার সুযোগ দেওয়া যেতে পারে। এতে শরীর ও মন দুটোই সতেজ থাকে।

বয়স অনুযায়ী পড়ার সময় নির্ধারণ করুন
সব শিশুর মনোযোগ ও শেখার গতি এক রকম নয়। তাই বয়স, আগ্রহ ও সক্ষমতা অনুযায়ী পড়ার সময় নির্ধারণ করা ভালো। ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে তুলনামূলক কম সময়ের অধ্যয়ন সেশন বেশি কার্যকর হতে পারে।

বিরতির সময় স্ক্রিন ব্যবহারে সতর্ক থাকুন
পড়ার ফাঁকে মোবাইল বা অন্যান্য স্ক্রিনে দীর্ঘ সময় কাটালে কাঙ্ক্ষিত বিশ্রাম নাও হতে পারে। এর পরিবর্তে চোখ ও মস্তিষ্ককে আরাম দেয় এমন কার্যক্রম বেছে নেওয়া ভালো।

পড়াশোনার পরিমাণের চেয়ে শেখার মান বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাই শিশুকে একটানা দীর্ঘসময় পড়ানোর পরিবর্তে পরিকল্পিত বিরতির মাধ্যমে শেখার পরিবেশ তৈরি করা অধিক ফলপ্রসূ হতে পারে।


নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১২

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।