ঢাকা , বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (শরৎকাল) , ২৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে পাওনিয়ার বেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড সংসদের কার্যপ্রণালি-বিধি ও পিটিশন কমিটির সভাপতি হলেন স্পিকার আরব আমিরাতে ভিসা বাতিল হওয়া বাংলাদেশিদের সমস্যা সমাধানের চেষ্টা চলছে জাতিসংঘে সভাপতি হিসেবে দায়িত্বে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বাংলাদেশ ভারতের তিন আন্তঃদেশীয় ট্রেন ফের চালুর আলোচনা সুগন্ধি চাল রপ্তানির কোটা ৫০ শতাংশ কমাল সরকার সৌদি আরবের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা, জানাল হুতি গণমাধ্যম মার্কিন যুদ্ধজাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি আইআরজিসির দেশজুড়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তাহীনতা এআইয়ের ভয়েস ক্লোনিং প্রযুক্তির মাধ্যমে বাড়ছে অনলাইন প্রতারণা বিদ্যুৎ নিয়ে কটূক্তিতে গ্রেপ্তার সিফাত আব্দুল্লাহর জামিন নামঞ্জুর এক ঠিকানায় সব বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি তথ্য নিয়ে এলো ‘অ্যাডমিশন হাব’ নোয়াখালীতে ভুল চিকিৎসায় শিশু মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতালের এমডি কারাগারে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কঠোর জবার দেওয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের স্পিকারের গাজায় ধ্বংসস্তূপ থেকে ১০০ ফিলিস্তিনির মরদেহ উদ্ধার রোহিঙ্গা সংকট এখন আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্যও হুমকি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মালয়েশিয়ার সারাওয়াকে বিপজ্জনক ধোঁয়াশায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা ব্যাংক রেজল্যুশন আইনের বিতর্কিত ধারা বাতিলের সুপারিশ বিদ্যুৎ পরিস্থিতি সামাল দিতে না পেরে মন্ত্রী আইসিইউতে : আসিফ মাহমুদ আফগানিস্তানে এতিম, বিধবার মাঝে সাড়ে ১২ বিলিয়ন আফগানি বিতরণ

শিশুকে একটানা দীর্ঘসময় পড়াবেন না, পড়ার মাঝে বিরতি দিন

নিয়মিত বিরতি শিশুর মনোযোগ ধরে রাখতে, মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে
নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ৩১-০৮-২০২৬ ০৫:৩৬:২৩ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ৩১-০৮-২০২৬ ০৫:৩৬:২৩ পূর্বাহ্ন
  • ২ মিনিট পড়ার সময়
  • ৮৭ বার পঠিত
শিশুকে একটানা দীর্ঘসময় পড়াবেন না, পড়ার মাঝে বিরতি দিন প্রতীকী ছবি- ( সংগৃহীত)

কোনো কোনো অভিভাবক মনে করেন, যত বেশি সময় শিশু পড়ার টেবিলে বসে থাকবে তত বেশি শিখবে। একটানা দীর্ঘসময় পড়াশোনা করলে শিশুর মনোযোগ কমে যেতে পারে এবং শেখার কার্যকারিতাও হ্রাস পেতে পারে।

মনোযোগ ধরে রাখতে বিরতি গুরুত্বপূর্ণ
শিশুর মনোযোগের ক্ষমতা বয়সভেদে সীমিত হয়। দীর্ঘ সময় একই কাজে মনোযোগ ধরে রাখা তাদের জন্য কঠিন হতে পারে। তাই নির্দিষ্ট সময় পর পর ছোট বিরতি দিলে তারা নতুন উদ্যমে পড়াশোনায় ফিরতে পারে।

মানসিক ক্লান্তি কমাতে সাহায্য করে
একটানা পড়াশোনা শিশুর মানসিক ক্লান্তি বাড়াতে পারে। কয়েক মিনিটের বিরতি মস্তিষ্ককে বিশ্রাম নেওয়ার সুযোগ দেয়, যা শেখার প্রক্রিয়াকে আরও কার্যকর করতে পারে।

শারীরিক নড়াচড়া প্রয়োজন
দীর্ঘ সময় বসে থাকার পরিবর্তে বিরতির সময় শিশুকে কিছুটা হাঁটাচলা, স্ট্রেচিং বা হালকা খেলাধুলার সুযোগ দেওয়া যেতে পারে। এতে শরীর ও মন দুটোই সতেজ থাকে।

বয়স অনুযায়ী পড়ার সময় নির্ধারণ করুন
সব শিশুর মনোযোগ ও শেখার গতি এক রকম নয়। তাই বয়স, আগ্রহ ও সক্ষমতা অনুযায়ী পড়ার সময় নির্ধারণ করা ভালো। ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে তুলনামূলক কম সময়ের অধ্যয়ন সেশন বেশি কার্যকর হতে পারে।

বিরতির সময় স্ক্রিন ব্যবহারে সতর্ক থাকুন
পড়ার ফাঁকে মোবাইল বা অন্যান্য স্ক্রিনে দীর্ঘ সময় কাটালে কাঙ্ক্ষিত বিশ্রাম নাও হতে পারে। এর পরিবর্তে চোখ ও মস্তিষ্ককে আরাম দেয় এমন কার্যক্রম বেছে নেওয়া ভালো।

পড়াশোনার পরিমাণের চেয়ে শেখার মান বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাই শিশুকে একটানা দীর্ঘসময় পড়ানোর পরিবর্তে পরিকল্পিত বিরতির মাধ্যমে শেখার পরিবেশ তৈরি করা অধিক ফলপ্রসূ হতে পারে।


নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১২

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।