ঢাকা , সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬ , ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (শরৎকাল) , ১৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ ৭০০ মিলিয়নে স্থির শাহজালাল বিমানবন্দরে কাস্টমস ক্লিয়ারেন্স ছাড়াই ৩০ কোটি টাকার পণ্য উধাও দেশে শিশু নিখোঁজের ঘটনা উদ্বেগজনক: ৭ মাসে জিডি প্রায় ১৬ হাজার ২০২৮ সালে বড় সংস্কার, ২০২৭ থেকেই নতুন শিক্ষাক্রম তিব্বতে ভূমিধসে নতুন হ্রদ, ঝুঁকিতে গিরিওং বন্দর সেপ্টেম্বর থেকে ২ লাখ বাংলাদেশি শ্রমিক নেবে মালয়েশিয়া অটোরিকশাচালক থেকে কোটিপতি, বাগমারায় নানা অভিযোগ ফিরোজের নেপালে হিমবাহ ধসের বন্যায় প্রাণহানি বেড়ে ৬৩৩, তিব্বতে নিহত ৭ কক্সবাজারে বারে সংঘর্ষে যুবক নিহত, অভিযুক্তেরও মৃত্যু নেপালে সহায়তায় ৩১ মিলিয়ন ডলার চাইলো রেড ক্রস সৌদি আরবে অবৈধভাবে কাজ করলে ৫০ হাজার রিয়াল জরিমানা ও কারাদণ্ড তারেক রহমানের সম্ভাব্য দিল্লি সফর ও ঢাকা-দিল্লি কূটনৈতিক সমীকরণ নেপাল-চীন সীমান্তে ভয়াবহ বন্যা: মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৮৯, নতুন ঝুঁকি নেপালে বন্যা ও ভূমিধসে বাংলাদেশিদের হতাহতের খবর নেই সরকারি বাড়ি বিক্রির ১৫ মামলায় মির্জা আব্বাস খালাস ভুটানের রাজাকে ঢাকায় রাষ্ট্রপতির অভ্যর্থনা ও দ্বিপক্ষীয় বৈঠক লালমনিরহাট সীমান্তে কৃষকদের ধস্তাধস্তির মুখে অস্ত্র ফেলে পালাল বিএসএফ আশিক চৌধুরীর প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা লাভ দীর্ঘ ১৬ বছর পর মিলল পরিচয়, তবে জীবিত নয়—নিথর মরদেহ দিল্লিতে ভারী বৃষ্টির জেরে রেড অ্যালার্ট জারি, বিপর্যস্ত জনজীবন

শিশুকে একটানা দীর্ঘসময় পড়াবেন না, পড়ার মাঝে বিরতি দিন

নিয়মিত বিরতি শিশুর মনোযোগ ধরে রাখতে, মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে
নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ৩১-০৮-২০২৬ ০৫:৩৬:২৩ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ৩১-০৮-২০২৬ ০৫:৩৬:২৩ পূর্বাহ্ন
  • ২ মিনিট পড়ার সময়
  • ৩৫ বার পঠিত
শিশুকে একটানা দীর্ঘসময় পড়াবেন না, পড়ার মাঝে বিরতি দিন প্রতীকী ছবি- ( সংগৃহীত)

কোনো কোনো অভিভাবক মনে করেন, যত বেশি সময় শিশু পড়ার টেবিলে বসে থাকবে তত বেশি শিখবে। একটানা দীর্ঘসময় পড়াশোনা করলে শিশুর মনোযোগ কমে যেতে পারে এবং শেখার কার্যকারিতাও হ্রাস পেতে পারে।

মনোযোগ ধরে রাখতে বিরতি গুরুত্বপূর্ণ
শিশুর মনোযোগের ক্ষমতা বয়সভেদে সীমিত হয়। দীর্ঘ সময় একই কাজে মনোযোগ ধরে রাখা তাদের জন্য কঠিন হতে পারে। তাই নির্দিষ্ট সময় পর পর ছোট বিরতি দিলে তারা নতুন উদ্যমে পড়াশোনায় ফিরতে পারে।

মানসিক ক্লান্তি কমাতে সাহায্য করে
একটানা পড়াশোনা শিশুর মানসিক ক্লান্তি বাড়াতে পারে। কয়েক মিনিটের বিরতি মস্তিষ্ককে বিশ্রাম নেওয়ার সুযোগ দেয়, যা শেখার প্রক্রিয়াকে আরও কার্যকর করতে পারে।

শারীরিক নড়াচড়া প্রয়োজন
দীর্ঘ সময় বসে থাকার পরিবর্তে বিরতির সময় শিশুকে কিছুটা হাঁটাচলা, স্ট্রেচিং বা হালকা খেলাধুলার সুযোগ দেওয়া যেতে পারে। এতে শরীর ও মন দুটোই সতেজ থাকে।

বয়স অনুযায়ী পড়ার সময় নির্ধারণ করুন
সব শিশুর মনোযোগ ও শেখার গতি এক রকম নয়। তাই বয়স, আগ্রহ ও সক্ষমতা অনুযায়ী পড়ার সময় নির্ধারণ করা ভালো। ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে তুলনামূলক কম সময়ের অধ্যয়ন সেশন বেশি কার্যকর হতে পারে।

বিরতির সময় স্ক্রিন ব্যবহারে সতর্ক থাকুন
পড়ার ফাঁকে মোবাইল বা অন্যান্য স্ক্রিনে দীর্ঘ সময় কাটালে কাঙ্ক্ষিত বিশ্রাম নাও হতে পারে। এর পরিবর্তে চোখ ও মস্তিষ্ককে আরাম দেয় এমন কার্যক্রম বেছে নেওয়া ভালো।

পড়াশোনার পরিমাণের চেয়ে শেখার মান বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাই শিশুকে একটানা দীর্ঘসময় পড়ানোর পরিবর্তে পরিকল্পিত বিরতির মাধ্যমে শেখার পরিবেশ তৈরি করা অধিক ফলপ্রসূ হতে পারে।


নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১২

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।