মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদারে একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি সই করেছে। চুক্তি অনুযায়ী, তিন দেশের যেকোনো একটি দেশের ওপর হামলাকে তিন দেশের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। এ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশও এই প্রতিরক্ষা জোটে যুক্ত হতে পারে বলে আলোচনা শুরু হয়েছে।
বাংলাদেশের সম্ভাব্য অংশগ্রহণ নিয়ে রাজনৈতিক ও বিভিন্ন মহলে ইতোমধ্যে পক্ষে বিপক্ষে আলোচনা চলছে। তবে মক্কা চুক্তিতে বাংলাদেশের যোগদানের বিষয়টি দেশের নিজস্ব সিদ্ধান্ত বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, মক্কা প্যাক্টে যোগদান বাংলাদেশের একান্ত নিজস্ব বিষয়। দেশের ও জনগণের প্রয়োজন এবং স্বার্থ বিবেচনায় বাংলাদেশ কোনো সিদ্ধান্ত নিলে এ নিয়ে অন্য কারও উদ্বিগ্ন হওয়ার প্রয়োজন নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
চলতি বছরের ১৯ মার্চ ইসলামি সম্মেলনের সময় সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে তুরস্ক, পাকিস্তান ও সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বৈঠক করেন। ওই বৈঠকে তিন দেশের মধ্যে সম্ভাব্য একটি যৌথ নিরাপত্তা চুক্তির কাঠামো নিয়ে আলোচনা হয়।
এর ধারাবাহিকতায় গত ৭ আগস্ট সৌদি আরবের মক্কায় তিন দেশ প্রতিরক্ষা চুক্তিটি সই করে। চুক্তির মাধ্যমে পারস্পরিক নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদারের পাশাপাশি কোনো একটি সদস্য দেশের ওপর হামলা হলে সেটিকে সম্মিলিত নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচনার নীতি গ্রহণ করা হয়েছে।
চুক্তিকে ঘিরে বাংলাদেশ ভবিষ্যতে এতে যুক্ত হবে কি না, তা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে এ বিষয়ে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্তের তথ্য পাওয়া যায়নি।