ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬ , ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (শরৎকাল) , ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
বিদ্যুৎকেন্দ্রে গ্যাস কমিয়ে শিল্পে সরবরাহ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে দুই দেশ কাজ করছে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ফারাক্কা ব্যারাজের সব গেট খুলে দেওয়ার দাবি বিহারের মুখ্যমন্ত্রীর মহারাষ্ট্রের সরকারি হাসপাতালে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: তিন নবজাতকের মৃত্যু ‘জেন-জি’ প্রজন্মের মন জয় করতে ইনস্টাগ্রামে কৌশল বদলাচ্ছেন মোদি বঙ্গোপসাগরে কার্গো জাহাজডুবি: নিখোঁজ বাংলাদেশি নাবিকসহ ২৪ জন ঢাকার বাস টার্মিনাল স্থানান্তর থমকে: নেপথ্যে চাঁদাবাজি ? সঠিক পরিকল্পনা নিয়ে সরকার জনআকাঙ্ক্ষা পূরণে কাজ করছে: পানিসম্পদমন্ত্রী জাতীয় ই-হেলথ প্ল্যাটফর্ম চালুর উদ্যোগ, শুরু হবে পাইলট প্রকল্প জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানালেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম ঠাকুরগাঁও-১ আসনে উপনির্বাচন, মির্জা ফখরুলের উত্তরসূরি নিয়ে জল্পনা যানজট নিয়ন্ত্রণে ড্রোন নজরদারি চালু করছে ডিএমপি আজ সন্ধ্যায় রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেবেন মির্জা ফখরুল ঝুঁকি সত্ত্বেও ইরান থেকে তেল আমদানি বন্ধের সম্ভাবনা কম চীনের ফ্রান্সে রেকর্ড তাপপ্রবাহে মৃত্যুর মিছিল: প্রাণ হারালেন ৭ হাজারের বেশি ট্রাম্পের জবাবে ক্যালিফোর্নিয়াকে ‘ইরানের ভূখণ্ড’ দাবি ইরানের জ্বালানি তেলের মজুত ৬ মাসে উন্নীত করার সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা সরকারের ৫০তম বিসিএসের দ্বিতীয় পর্যায়ের মৌখিক পরীক্ষার সূচি প্রকাশ বায়তুল মোকাররমে এসি স্থাপনের নামে মূল আর্চ ভাঙার অভিযোগ ব্যাটারিচালিত রিকশায় অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগের বিরুদ্ধে অভিযান

ফারাক্কা ব্যারাজের সব গেট খুলে দেওয়ার দাবি বিহারের মুখ্যমন্ত্রীর

গঙ্গার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় সৃষ্ট পরিস্থিতিতে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সঙ্গে যোগাযোগের তাগিদ; ১৯৯৬ সালের গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তি নিয়ে জেডিইউ সাংসদের নতুন বিতর্ক
নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ২৪-০৮-২০২৬ ১২:৪৯:১৭ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৪-০৮-২০২৬ ১২:৪৯:১৭ অপরাহ্ন
  • ২ মিনিট পড়ার সময়
  • ২৮ বার পঠিত
ফারাক্কা ব্যারাজের সব গেট খুলে দেওয়ার দাবি বিহারের মুখ্যমন্ত্রীর ছবি সংগৃহীত
ফারাক্কা ব্যারাজের সব গেট খুলে দেয়ার দাবি জানিয়েছেন ভারতের বিহার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী। রাজ্যটিতে গঙ্গার পানি বাড়তে থাকায় বন্যা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতেই এই আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। এদিকে ১৯৯৬ সালের ভারত-বাংলাদেশ গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তি নিয়েও বিহারের স্বার্থের বিষয়টি সামনে এনেছেন জেডিইউর সংসদ সদস্য সঞ্জয় ঝা।
 
ভারতীয় বার্তাসংস্থা এএনআই বলছে, রোববার (২৩ আগস্ট) পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে ফোনে কথা বলে ফারাক্কা ব্যারাজের সব গেট খুলে দেয়ার এ অনুরোধ জানান বিহারের মুখ্যমন্ত্রী। সম্রাট চৌধুরীর দাবি, ফারাক্কার সব গেট খুলে দিলে গঙ্গার পানির প্রবাহ বাড়বে এবং বিহারের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করবে।
 
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেয়া এক পোস্টে মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী বলেন, ‘গঙ্গার পানি বাড়তে থাকা এবং বিহারের বন্যা পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে আজ পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে ফোনে কথা বলেছি। তাকে ফারাক্কা ব্যারাজের সব গেট খুলে দেয়ার অনুরোধ করেছি।’
 
সম্রাট চৌধুরী আরও বলেন, এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী।
 
তিনি বলেন, ‘ফারাক্কা ব্যারাজের গেট খুলে দিলে গঙ্গার পানির প্রবাহ স্বাভাবিক হতে এবং বিহারের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করবে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। বিহারের নিরাপত্তা আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।’
 
এদিকে বিহারের জনতা দল-ইউনাইটেডের (জেডিইউ) সংসদ সদস্য সঞ্জয় ঝা ১৯৯৬ সালের ভারত-বাংলাদেশ ফারাক্কা ব্যারাজ চুক্তি নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, চুক্তিটি নবায়নের বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে বিহারের স্বার্থ বিবেচনায় রাখতে হবে।
 
সঞ্জয় ঝা বলেন, ‘১৯৯৬ সালে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে একটি চুক্তি হয়েছিল। তখন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন? তখনই বিহারের স্বার্থ বিক্রি করে দেয়া হয়েছিল।’
 
তিনি বলেন, আগামী ডিসেম্বরে ওই চুক্তির ৩০ বছর পূর্ণ হবে। বিহারের স্বার্থ বিবেচনায় না নিয়ে চুক্তিটি নবায়ন না করার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
 
সঞ্জয় ঝা বলেন, ‘আমরা সরকারের কাছে অনুরোধ করেছি—ডিসেম্বরে যেহেতু এই চুক্তির ৩০ বছর পূর্ণ হচ্ছে, তাই এটি নবায়ন করা উচিত নয়। বিহারের স্বার্থ বিবেচনায় নেয়ার পরই এ বিষয়ে আলোচনা করা উচিত।’
 
ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ৫৪টি অভিন্ন নদী রয়েছে। এর মধ্যে ১৯৯৬ সালের গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির মাধ্যমে ফারাক্কা ব্যারাজে শুষ্ক মৌসুমে পানিবণ্টনের বিষয়টি নির্ধারিত হয়। তবে তিস্তা নদীর পানি বণ্টন নিয়ে দুই দেশের মধ্যে একাধিক দফা আলোচনা হলেও এখনও কোনও সমাধান হয়নি।
 
২০১১ সালে প্রস্তাবিত একটি চুক্তিতে তিস্তার পানির ৪২ দশমিক ৫ শতাংশ ভারত এবং ৩৭ দশমিক ৫ শতাংশ বাংলাদেশকে দেয়ার কথা ছিল। বাকি পানি অন্যান্য বিষয় বিবেচনায় ভাগ করার প্রস্তাব ছিল। তবে পশ্চিমবঙ্গের বিরোধিতার কারণে ওই প্রস্তাব বাস্তবায়িত হয়নি।

নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।