মিডল ইস্ট আইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের ওপর নতুন করে কঠোর অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগের ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তেহরানের বৈশ্বিক আর্থিক কর্মকাণ্ড ও আয়ের উৎসকে লক্ষ্য করে এই অভিযান চালানোর কথা জানিয়েছেন মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট।
সোমবার ট্রেজারি বিভাগে এক সংবাদ সম্মেলনে বেসেন্ট বলেন, ইরানের তেল খাতসহ দেশটির আয়ের বিভিন্ন উৎস বন্ধ করা এবং অন্য দেশ ও প্রতিষ্ঠানকে তেহরানের সঙ্গে ব্যবসা থেকে বিরত রাখাই নতুন উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।
তবে মার্কিন অর্থমন্ত্রীর ঘোষণার পর এর তীব্র সমালোচনা করেন সিনেটর ক্রিস মারফি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া একাধিক পোস্টে তিনি বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে ঘোষিত নতুন অর্থনৈতিক ব্যবস্থা আসলে হতাশাজনক একটি লোকদেখানো পদক্ষেপ।
মারফির দাবি, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানে যুক্তরাষ্ট্র যে লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিল, তা অর্জন করতে পারেনি। তাঁর ভাষ্য, ইরান কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর গোলাবারুদ ও যুদ্ধসরঞ্জামের মজুতও কমেছে।
সিনেটর আরও দাবি করেন, সামরিক অভিযানে ব্যর্থতার পর সেই পরাজয় আড়াল করতেই ট্রাম্প প্রশাসন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র এখনও চাপ প্রয়োগ করে যাচ্ছে এমন একটি বার্তা দিতে চাইছে।
মারফির মতে, যুদ্ধ কার্যত শেষ হয়ে গেছে এবং এতে ইরান কৌশলগতভাবে সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। তাই নতুন নিষেধাজ্ঞাকে তিনি বাস্তব পরিবর্তন আনার পদক্ষেপের বদলে রাজনৈতিকভাবে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা হিসেবে দেখছেন।