স্থানীয়রা ওষুধগুলো বহনকারী একটি পিকআপ আটক করে এর চালক আজমতকে ধরে রাখেন। এ সময় গাড়িতে থাকা অন্যরা পালিয়ে যান।
পরে পুলিশ পিকআপভ্যান ও ওষুধগুলো ভূঞাপুর থানায় নিয়ে যায়।
ভূঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম রেজাউল করিম জানান, জিজ্ঞাসাবাদে চালক পুলিশকে জানিয়েছেন, মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধগুলো ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে যমুনা নদীতে ফেলে দেওয়ার জন্য নেওয়া হয়েছিল।
তিনি বলেন, বিষয়টি টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জনকে জানানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলছে।
ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবু নাঈম মোহাম্মদ সোহেল জানান, মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ একটি কমিটির তত্ত্বাবধানে প্রকাশ্যে ধ্বংস করার কথা ছিল।
তিনি বলেন, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্টোরকিপার মীর সেলিম নিয়ম না মেনে ওষুধগুলো নদীতে ফেলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
ডা. সোহেল আরও জানান, স্টোরকিপারকে ইতোমধ্যে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি হাসপাতালের মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. আলমগীর হোসেনকে প্রধান করে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে কীভাবে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধগুলো বের করা হলো এবং কেন সেগুলো নদীতে ফেলে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, তা তদন্তে বেরিয়ে আসবে।