সাহসী পুলিশ সদস্যকে পুরস্কৃত করল ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশ
তিতাস নদীতে ঝাঁপ দেওয়া নারীকে উদ্ধার করেন কনস্টেবল অমিত হাসান
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ২৬-০৮-২০২৬ ০৭:১৮:২৯ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ২৬-০৮-২০২৬ ০৭:৩৮:১৫ অপরাহ্ন
- ১ মিনিট পড়ার সময়
- ৮৬ বার পঠিত
ছবি সংগৃহিত
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিতাস নদীতে ঝাঁপ দেওয়া এক নারীকে নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে উদ্ধার করায় পুলিশ কনস্টেবল অমিত হাসানকে প্রশংসাপত্র ও নগদ অর্থ দিয়ে পুরস্কৃত করা হয়েছে। বুধবার ২৬ আগস্ট জেলা পুলিশ সুপার শাহ মো. আব্দুর রউফ তাঁর কার্যালয়ে অমিত হাসানের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। এর আগে মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে পৌর এলাকার শিমরাইল সেতুর কাছে ওই নারী নদীতে ঝাঁপ দেন।
প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, পারিবারিক বিষয়ে অভিমান করে তিনি আত্মহত্যার উদ্দেশ্যে নদীতে ঝাঁপ দিয়েছিলেন। ঘটনাটি দেখতে পেয়ে সেখানে এক ব্যাচমেটের সঙ্গে ঘুরতে থাকা পুলিশ লাইনসের কনস্টেবল অমিত হাসান সঙ্গে সঙ্গে নদীতে নেমে তাঁকে উদ্ধার করেন। পরে একটি নৌকার সহায়তায় ওই নারীকে নদীর তীরে আনা হয় এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়।
পুলিশ জানায়, চিকিৎসা শেষে রাত ১২টার দিকে তাঁকে মা ও বোনের জিম্মায় দেওয়া হয়। ওই নারীর মা জানান, প্রায় ছয় মাস আগে সদর উপজেলার রাধিকা জগৎসার গ্রামে তাঁর মেয়ের বিয়ে হয়। বিয়ের পর তিনি স্বামীর সঙ্গে নারায়ণগঞ্জে থাকতেন। দাম্পত্য কলহের কারণে প্রায় তিন মাস আগে তিনি বাবার বাড়িতে চলে আসেন। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কনস্টেবল অমিত হাসানের সাহসিকতা ও মানবিক ভূমিকার স্বীকৃতি হিসেবেই তাঁকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১৩
প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, পারিবারিক বিষয়ে অভিমান করে তিনি আত্মহত্যার উদ্দেশ্যে নদীতে ঝাঁপ দিয়েছিলেন। ঘটনাটি দেখতে পেয়ে সেখানে এক ব্যাচমেটের সঙ্গে ঘুরতে থাকা পুলিশ লাইনসের কনস্টেবল অমিত হাসান সঙ্গে সঙ্গে নদীতে নেমে তাঁকে উদ্ধার করেন। পরে একটি নৌকার সহায়তায় ওই নারীকে নদীর তীরে আনা হয় এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়।
পুলিশ জানায়, চিকিৎসা শেষে রাত ১২টার দিকে তাঁকে মা ও বোনের জিম্মায় দেওয়া হয়। ওই নারীর মা জানান, প্রায় ছয় মাস আগে সদর উপজেলার রাধিকা জগৎসার গ্রামে তাঁর মেয়ের বিয়ে হয়। বিয়ের পর তিনি স্বামীর সঙ্গে নারায়ণগঞ্জে থাকতেন। দাম্পত্য কলহের কারণে প্রায় তিন মাস আগে তিনি বাবার বাড়িতে চলে আসেন। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কনস্টেবল অমিত হাসানের সাহসিকতা ও মানবিক ভূমিকার স্বীকৃতি হিসেবেই তাঁকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।