নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে পেস্টিসাইডের ব্যবহার কমাতে হবে: কৃষিমন্ত্রী
মাটি ও পানি দূষণ বন্ধে সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ২৩-০৮-২০২৬ ০২:০৯:৩৪ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ২৩-০৮-২০২৬ ০২:১১:১৭ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ১০৪ বার পঠিত
ছবি সংগৃহিত
দেশে খাদ্য উৎপাদনে বড় ধরনের ঘাটতি না থাকলেও গুণগত মানসম্পন্ন ও নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করেছেন কৃষিমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, কৃষিপণ্য রফতানির মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে হলে মানসম্মত কৃষিপণ্য উৎপাদনের বিকল্প নেই। রোববার ২৩ আগস্ট রাজধানীর বনানীর হোটেল সারিনায় ফিশটেক বিডি লিমিটেড আয়োজিত ‘অ্যাকুয়াকালচার নলেজ ডে ২০২৬’ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, দেশের প্রায় ৭৫ শতাংশ মানুষ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির সঙ্গে যুক্ত। এই জনগোষ্ঠীকে অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী করা গেলে দেশের অর্থনীতিও দীর্ঘমেয়াদে আরও স্থিতিশীল হবে। কৃষিতে উৎপাদন বাড়ানোর প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান তৈরি করা। নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে গবেষক, বিজ্ঞানী ও উদ্যোক্তাদের সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, অ্যান্টিবায়োটিক ও ভ্যাকসিনের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে প্রাকৃতিকভাবে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের দিকে গবেষকদের আরও গুরুত্ব দিতে হবে।
মানুষের দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কোনো পদ্ধতি খাদ্য উৎপাদনে গ্রহণ করা উচিত নয়। কৃষিমন্ত্রী বলেন, মাটি, পানি, আলো বাতাস ও মানুষের জন্য ক্ষতিকর পেস্টিসাইডের ব্যবহার কমাতে সরকার কাজ শুরু করেছে। মাটি ও পানি দূষণ থেকে বেরিয়ে আসার কোনো বিকল্প নেই। দেশের মাটি ও পানিতে হেভি মেটালের উপস্থিতি উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে বলেও জানান তিনি। পানিতে লেড ও আর্সেনিকের মতো ক্ষতিকর উপাদান এবং চালেও হেভি মেটালের উপস্থিতির বিষয়টি সামনে এসেছে। এসব উপাদানের উৎস মাটি, ভূগর্ভস্থ পানি, সার নাকি পেস্টিসাইড, তা চিহ্নিত করতে সরকার গবেষণা শুরু করেছে।
ভূগর্ভস্থ পানির ব্যবহার কমানোর ওপর গুরুত্ব দিয়ে মন্ত্রী বলেন, দেশের পানির স্তর ক্রমেই নিচে নেমে যাচ্ছে। তাই সেচের কাজে নদীর মিঠাপানি ব্যবহার করে ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলন কমানো বা বন্ধ করা যায় কি না, তা নিয়ে ভাবতে হবে। তিনি আরও বলেন, সরকারের লক্ষ্য শুধু চাকরি সৃষ্টি করা নয়, কৃষি বিষয়ে পড়াশোনা করা তরুণদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলা। এ ক্ষেত্রে সরকার তাদের সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। পাশাপাশি দেশি জাতের গবাদিপশুর সম্ভাবনা তুলে ধরে তিনি বলেন, বিলুপ্তির ঝুঁকিতে থাকা ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল বিশ্বের অন্যতম ভালো জাত। এর উৎপাদনশীলতা ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা রয়েছে।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১৩
মন্ত্রী বলেন, দেশের প্রায় ৭৫ শতাংশ মানুষ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির সঙ্গে যুক্ত। এই জনগোষ্ঠীকে অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী করা গেলে দেশের অর্থনীতিও দীর্ঘমেয়াদে আরও স্থিতিশীল হবে। কৃষিতে উৎপাদন বাড়ানোর প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান তৈরি করা। নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে গবেষক, বিজ্ঞানী ও উদ্যোক্তাদের সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, অ্যান্টিবায়োটিক ও ভ্যাকসিনের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে প্রাকৃতিকভাবে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের দিকে গবেষকদের আরও গুরুত্ব দিতে হবে।
মানুষের দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কোনো পদ্ধতি খাদ্য উৎপাদনে গ্রহণ করা উচিত নয়। কৃষিমন্ত্রী বলেন, মাটি, পানি, আলো বাতাস ও মানুষের জন্য ক্ষতিকর পেস্টিসাইডের ব্যবহার কমাতে সরকার কাজ শুরু করেছে। মাটি ও পানি দূষণ থেকে বেরিয়ে আসার কোনো বিকল্প নেই। দেশের মাটি ও পানিতে হেভি মেটালের উপস্থিতি উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে বলেও জানান তিনি। পানিতে লেড ও আর্সেনিকের মতো ক্ষতিকর উপাদান এবং চালেও হেভি মেটালের উপস্থিতির বিষয়টি সামনে এসেছে। এসব উপাদানের উৎস মাটি, ভূগর্ভস্থ পানি, সার নাকি পেস্টিসাইড, তা চিহ্নিত করতে সরকার গবেষণা শুরু করেছে।
ভূগর্ভস্থ পানির ব্যবহার কমানোর ওপর গুরুত্ব দিয়ে মন্ত্রী বলেন, দেশের পানির স্তর ক্রমেই নিচে নেমে যাচ্ছে। তাই সেচের কাজে নদীর মিঠাপানি ব্যবহার করে ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলন কমানো বা বন্ধ করা যায় কি না, তা নিয়ে ভাবতে হবে। তিনি আরও বলেন, সরকারের লক্ষ্য শুধু চাকরি সৃষ্টি করা নয়, কৃষি বিষয়ে পড়াশোনা করা তরুণদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলা। এ ক্ষেত্রে সরকার তাদের সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। পাশাপাশি দেশি জাতের গবাদিপশুর সম্ভাবনা তুলে ধরে তিনি বলেন, বিলুপ্তির ঝুঁকিতে থাকা ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল বিশ্বের অন্যতম ভালো জাত। এর উৎপাদনশীলতা ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা রয়েছে।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।