বৃহস্পতিবার মাদরাসা প্রাঙ্গণে গিয়ে দেখা যায়, প্রায় ৬০০ শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত প্রতিষ্ঠানটিতে উপস্থিত রয়েছে মাত্র কয়েকজন। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, সহপাঠীকে মারধরের এ ধরনের ঘটনা আগেও ঘটেছে, তবে সেগুলোর সুষ্ঠু বিচার হয়নি। তাই এবারের ঘটনার বিচার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তারা শ্রেণিকক্ষে ফিরবেন না।
স্থানীয় সূত্র ও শিক্ষার্থীদের ভাষ্য অনুযায়ী, গত মঙ্গলবার মাদরাসার প্রধান ফটকের সামনে ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী ইমাম আজমকে পথরোধ করে মারধর করেন চাদশ্রী আশ্রাম পাড়া এলাকার বাসিন্দা হুমায়ুনের ছেলে শান্ত। এ ঘটনার পর শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ইমাম আজম জানান, তিনি নামাজ আদায় করতে যাওয়ার সময় দুই ব্যক্তি তার নাম জানতে চান। পরে তার বিচার আছে বলে জানিয়ে তাকে মারধর করা হয়। ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন তিনি।
অভিযুক্ত তরুণের চাচা বদরুল আহসান বলেন, তিনি শুনেছেন তার ভাতিজা ওই শিক্ষার্থীকে থাপ্পড় মেরেছে। তার দাবি, বিষয়টি শিক্ষকরা সমাধান করতে পারতেন। তবে একজন শিক্ষক শিক্ষার্থীদের ক্লাস বর্জনে উসকানি দিয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি। একই সঙ্গে বিষয়টির সমাধানে আলোচনায় বসার কথা জানান।
মাদরাসার অধ্যক্ষ মুজিবুর রহমান বলেন, শান্ত নামে এক বহিরাগত তরুণ তার এক শিক্ষার্থীকে মারধর করেছে বলে তিনি শুনেছেন। তবে ঘটনার কারণে আনুষ্ঠানিকভাবে মাদরাসা বন্ধ ঘোষণা করা হয়নি। ঘটনার পর কিছুটা বিশৃঙ্খল পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছিল এবং বিষয়টি সমাধানে সংশ্লিষ্টদের নিয়ে বৈঠকের কথা রয়েছে।
এদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফয়সাল আহমেদ বলেন, প্রতিষ্ঠান তিন দিন ধরে বন্ধ থাকার বিষয়টি তার জানা নেই। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মিজানুর রহমান জানান, তিনি ঘটনাটি সম্পর্কে অবগত আছেন এবং অধ্যক্ষের উদ্যোগে দুই পক্ষকে নিয়ে সমাধান বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।
ডেস্ক রিপোর্ট