ট্রাইব্যুনালে বক্তব্যের অনুমতি না পেয়ে লতিফ সিদ্দিকীর ফাঁসির মন্তব্য
শুনানি শেষে আদালত প্রাঙ্গণে মন্তব্য, প্রতিক্রিয়া জানালেন কাদের সিদ্দিকী
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ৩০-০৭-২০২৬ ০৮:২৮:১৩ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ৩০-০৭-২০২৬ ০৮:২৮:১৩ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ১২৪ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ২ এ মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় হাজির করা হলে সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী আদালতে বক্তব্য দেওয়ার অনুমতি চান। তবে ট্রাইব্যুনাল সেই আবেদন গ্রহণ না করলে শুনানি শেষে হাজতখানায় নেওয়ার সময় তিনি বলেন, তিনি আদালতে বলতে চেয়েছিলেন, তাঁকে ফাঁসি দিয়ে দেওয়া হোক।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১৫
বৃহস্পতিবার দুপুরে ২০১৩ সালের ৫ মে রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ঘিরে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আবদুল লতিফ সিদ্দিকীকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ২ তাঁকে মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
শুনানির সময় লতিফ সিদ্দিকীর আইনজীবী তাঁর পক্ষে আদালতে বক্তব্য দেওয়ার অনুমতি চান। আবেদন নাকচ হলে কাঠগড়ায় থাকা মাইক্রোফোনে লতিফ সিদ্দিকী আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করেন। একাধিকবার একই কথা বলার পর ট্রাইব্যুনাল জানতে চান, তাঁকে কথা বলার অনুমতি কে দিয়েছেন এবং সেদিনের কার্যক্রম সেখানেই শেষ করার নির্দেশ দেন।
এরপর লতিফ সিদ্দিকী আদালতে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। এ সময় পুলিশ সদস্যরা তাঁর কাছ থেকে মাইক্রোফোন সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে এজলাসে তাঁদের সঙ্গে তাঁর বাকবিতণ্ডা হয়। পরে তাঁকে ট্রাইব্যুনালের হাজতখানায় নেওয়ার সময় এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তিনি আদালতে বলতে চেয়েছিলেন, তাঁকে ফাঁসি দিয়ে দেওয়া হোক।
এদিকে শুনানির সময় ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন লতিফ সিদ্দিকীর ছোট ভাই এবং কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী। পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, তাঁর ভাই শাপলা চত্বরের ঘটনায় নির্দোষ। অপরাধ না করেও যদি তাঁর ফাঁসি হয়, তবে সেটিও তাঁরা মেনে নেবেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।
কাদের সিদ্দিকী আরও দাবি করেন, মামলাটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং তাঁরা আইনি লড়াই চালিয়ে যাবেন। একই সঙ্গে তিনি বলেন, প্রত্যেক অভিযুক্তের আদালতে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ থাকা উচিত। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, আগের রাতে ডিবি কার্যালয়ে লতিফ সিদ্দিকী যে আচরণ পেয়েছিলেন, ট্রাইব্যুনালে তার বিপরীত অভিজ্ঞতা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, সম্মানিত ব্যক্তিকে সম্মান দেওয়া উচিত এবং হাতকড়া পরানো নিয়ে তাঁদের কোনো আপত্তি নেই, এটি সরকারের বিষয়।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।