মোদির ইনফ্লুয়েন্সার হওয়া উচিত, দাবি সিজেপি প্রতিষ্ঠাতার
মোদির সোশ্যাল মিডিয়া কার্যক্রম ও শিক্ষার্থী আন্দোলন নিয়ে অভিজিৎ দীপকের সমালোচনা
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ৩০-০৭-২০২৬ ০২:৩৭:২১ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ৩০-০৭-২০২৬ ০২:৩৭:২১ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ১২৯ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
ভারতের ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে মন্তব্য করেছেন, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনের পরিবর্তে নরেন্দ্র মোদির ‘ইনফ্লুয়েন্সার’ হওয়া উচিত। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার না হলে দেশজুড়ে আরও বড় আন্দোলনের কর্মসূচি দেওয়া হবে।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১৫
সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে অভিজিৎ দীপকে বলেন, তার মতে নরেন্দ্র মোদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কনটেন্ট তৈরিতে বেশি মনোযোগী। তাই তিনি যদি এ ক্ষেত্রেই দক্ষ হন, তবে প্রধানমন্ত্রীর পদ ছেড়ে অন্য কাউকে দেশের দায়িত্ব পালনের সুযোগ দেওয়া উচিত। সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে যুবসমাজকে লক্ষ্য করে প্রকাশিত মোদির একাধিক ভিডিওকে কেন্দ্র করেই তিনি এ মন্তব্য করেন।
এর আগে একই প্রসঙ্গে কংগ্রেস সাংসদ প্রিয়াঙ্কা গান্ধীও সংসদে মন্তব্য করেছিলেন যে, শুধু ক্যামেরার অ্যাঙ্গেল পরিবর্তন করলেই জেন জি প্রজন্মের সমর্থন অর্জন করা সম্ভব নয়। তার ভাষায়, প্রধানমন্ত্রীর ক্যামেরার নয়, হৃদয়ের দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন প্রয়োজন।
লোকসভায় সম্প্রতি পাস হওয়া প্রশ্নফাঁস বিরোধী বিল নিয়েও সমালোচনা করেন সিজেপি প্রতিষ্ঠাতা। তার দাবি, কেবল আইন প্রণয়ন করলেই সমস্যার সমাধান হবে না; আইন কার্যকর করার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্টদের সদিচ্ছা ও কার্যকর বাস্তবায়নই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
ফাস্ট ট্র্যাক আদালত গঠনের ঘোষণার প্রসঙ্গ টেনে দীপকে বলেন, দ্রুত বিচার নিয়ে মানুষের প্রত্যাশা তৈরি হলেও প্রথম শুনানিতেই সিবিআইয়ের আইনজীবী উপস্থিত না থাকায় মামলার কার্যক্রম পিছিয়ে যায়। তার মতে, শুধু ঘোষণা দিয়ে বাস্তব ফল পাওয়া সম্ভব নয়।
গত ২০ জুলাই সিজেপির নেতৃত্বে হাজার হাজার শিক্ষার্থী সংসদ অভিযানের কর্মসূচি পালন করে। নিট প্রশ্নফাঁস, বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনিয়ম এবং শিক্ষার্থীদের আত্মহত্যার ঘটনার প্রতিবাদে তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করা হয়। আন্দোলনের পাঁচ দিন পর তিনি পদত্যাগ করেন।
পরবর্তীতে আন্দোলনের সময় পুলিশের বলপ্রয়োগ, শিক্ষার্থীদের আটক এবং তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়। সরকার আন্দোলনকারীদের কয়েকটি দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাস দিলে ২৫ জুলাই আন্দোলন প্রত্যাহার করা হয়।
সিজেপির দাবি, আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সব মামলা প্রত্যাহার, নতুন মামলা না করা এবং এ বিষয়ে লিখিত নিশ্চয়তার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। তবে অভিজিৎ দীপকের অভিযোগ, বাস্তবে এখনো অনেক শিক্ষার্থীকে আটক করা হচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে এবং সরকারের আশ্বাসের পরও আন্দোলনকারীরা হয়রানির শিকার হচ্ছেন।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।