ঢাকা , শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬ , ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (বর্ষাকাল) , ২৫ সফর ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে দম্পতি র‌্যাব নাম পরিবর্তন হয়ে আসছে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)’ সিলেটে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৯ জন নিহত বগুড়ায় বাসচাপায় ৬ শ্রমিক নিহত, আহত ১৫ পশ্চিমবঙ্গে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে দেড় হাজার মসজিদ থেকে মাইক অপসারণ থাইল্যান্ডে বন্দুকধারীর গুলিতে শিক্ষক নিহত, হামলাকারীর আত্মহত্যা হামলা চালালে মধ্যপ্রাচ্যে ব্ল্যাকআউটের কঠোর হুঁশিয়ারি ইরানের ভিআইপিদেরও বিমানবন্দরের নিরাপত্তা তল্লাশিতে ছাড় দেওয়া হবে না: মন্ত্রী বিদেশের কারাগারে দক্ষিণ কোরিয়ার বন্দি ২৫ শতাংশ বেড়েছে যুক্তরাষ্ট্র পাশে থাকুক বা না থাকুক, ইরানে একক সামরিক পদক্ষেপের ইঙ্গিত বায়তুল মোকাররমে জুমার বয়ান ও নামাজ পড়াবেন দেওবন্দের মুহতামিম রিপাবলিক বাংলা ছাড়লেন জনপ্রিয় ভারতীয় সাংবাদিক ময়ূখ রঞ্জন ঘোষ ভুল তথ্যে শোন অ্যারেস্ট আবেদন, বরগুনার এসআইয়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া জুলাই স্মৃতি জাদুঘর নতুন বাংলাদেশের পথচলার কেন্দ্র হবে: ড. ইউনূস সৌরবিদ্যুৎসহ বিভিন্ন খাতে সৌদির বিনিয়োগের আহবান প্রধানমন্ত্রীর হাসপাতালে হামলায় ছাত্রদল ও ছাত্রলীগের আচরণ ইসরায়েলের মতো: সাদিক আল-আকসা দখলের পথে ইসরায়েলীরা,হাতছাড়ার ঝুঁকিতে জরুরি বৈঠক জর্ডানের ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে ফুঁসে উঠেছে তিস্তা ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে পাকিস্তানজুড়ে পিটিআইয়ের আজ বিক্ষোভ রাশিয়ায় উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ইউনিট মোতায়েন করা হয়েছে: কিয়েভ

বাধ্যতামূলক অবসরে গেলেন ২০১৮ নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা ৩২ সাবেক ডিসি

জনস্বার্থে সরকারি চাকরি আইন অনুযায়ী অবসরের প্রজ্ঞাপন জারি
নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ২৮-০৭-২০২৬ ১০:০২:১২ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৮-০৭-২০২৬ ১০:০২:১২ পূর্বাহ্ন
  • ২ মিনিট পড়ার সময়
  • ১২১ বার পঠিত
বাধ্যতামূলক অবসরে গেলেন ২০১৮ নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা ৩২ সাবেক ডিসি ছবি: সংগৃহীত
২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জেলা পর্যায়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করা তৎকালীন ৩২ জেলা প্রশাসককে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার। সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ এর ৪৫ ধারা অনুযায়ী জনস্বার্থে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অবসরজনিত সব ধরনের সরকারি সুবিধা পাবেন এবং আদেশটি তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয়েছে।
 
সোমবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় পৃথক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ সিদ্ধান্ত জানায়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে জনস্বার্থে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সরকারি চাকরি থেকে অবসর দেওয়া হয়েছে। বিধি অনুযায়ী তাঁরা অবসর সংক্রান্ত সব সুবিধা ভোগ করবেন।
 
মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, অবসরে পাঠানো কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা ওএসডি হিসেবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত ছিলেন। তাঁদের প্রত্যেকের চাকরির মেয়াদ ২৫ বছর পূর্ণ হয়েছে।
 
অবসরে পাঠানো কর্মকর্তারা হলেন রাজশাহীর তৎকালীন ডিসি এস এম আব্দুল কাদের, মাগুরার মো. আলী আকবর, হবিগঞ্জের মাহমুদুল কবীর মুরাদ, মানিকগঞ্জের এস এম ফেরদৌস, কিশোরগঞ্জের মো. সারওয়ার মুর্শেদ চৌধুরী, নরসিংদীর সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন, খুলনার মোহাম্মদ হেলাল হোসেন, শেরপুরের আনার কলি মাহবুব, কুড়িগ্রামের মোছা. সুলতানা পারভীন, নীলফামারীর নাজিয়া শিরিন, পটুয়াখালীর মো. মতিউল ইসলাম চৌধুরী, চুয়াডাঙ্গার গোপাল চন্দ্র দাস, ভোলার মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিক, বরিশালের এস এম অজিয়র রহমান, ফেনীর মো. ওয়াহেদুজ্জামান, খাগড়াছড়ির মো. সাহেদুল ইসলাম, ঝিনাইদহের সরোজ কুমার নাথ, পাবনার মো. জসিম উদ্দিন, সুনামগঞ্জের মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ, কক্সবাজারের মো. কামাল হোসেন, রাঙ্গামাটির এ কে এম মামুনুর রশিদ, লক্ষ্মীপুরের অঞ্জন চন্দ্র পাল, চট্টগ্রামের মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন, নওগাঁর মো. মিজানুর রহমান, চাঁপাইনবাবগঞ্জের এ জেড এম নূরুল হক, শরীয়তপুরের কাজী আবু তাহের, নাটোরের মো. শাহরিয়ার, বান্দরবানের মো. দাউদুল ইসলাম, নেত্রকোনার মঈনউল ইসলাম, কুষ্টিয়ার মো. আসলাম হোসেন, কুমিল্লার মো. আবুল ফজল মীর এবং চাঁদপুরের মো. মাজেদুর রহমান খান।
 
সরকারি সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রশাসনিক সংস্কার এবং ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় পর্যালোচনার অংশ হিসেবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
 
উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে দেশি বিদেশি মহলে ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছিল। ভোটের আগের রাতে ব্যালট বাক্স ভর্তি, অনিয়ম, বিরোধী প্রার্থী ও কর্মীদের ওপর দমন পীড়ন এবং ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যেতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। তবে তৎকালীন নির্বাচন কমিশন এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছিল। ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট ২৮৮টি আসনে জয়লাভ করে। এরপর থেকে নির্বাচনটির গ্রহণযোগ্যতা এবং রিটার্নিং কর্মকর্তাদের ভূমিকা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা ও সমালোচনা অব্যাহত রয়েছে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১৫

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।