ঢাকা , শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (শরৎকাল) , ১ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
নবম পে স্কেলে বেতন পেতে তথ্য দিতে হবে আইবাসে চীনে বাড়ছে পেট্রোল ডিজেলের দাম সরকারি দামের চেয়ে বেশি দামে ইউরিয়া সার বিক্রির অভিযোগ আওয়ামী লীগ আমলে ঋণের হিসাবেও গড়মিল হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী ইউরোপে গ্যাসের দাম ২০২৩ সালের পর সর্বোচ্চ ব্রিকস সম্মেলনে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ ছাড়াল ৬ লাখ কোটি টাকা, শীর্ষে ইসলামী ব্যাংক ভাইভার নম্বর বাড়ানোর সিদ্ধান্তে জামায়াত সেক্রেটারির গভীর উদ্বেগ মিথ্যা ঘোষণায় চকবাজারের প্রতিষ্ঠানের সাড়ে পাঁচ হাজার কেজি প্রসাধনী আটক আত্মহত্যার হার শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনার আহ্বান: স্বাস্থ্যমন্ত্রী নয়াদিল্লিতে ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাশিয়ার সঙ্গে সীমান্ত সুরক্ষায় নিরাপত্তা বেড়া নির্মাণ করল ফিনল্যান্ড সেফটি ভালভ জটিলতা ও অগ্নিকাণ্ডে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে আন্তর্জাতিক বাজারমূল্যের চেয়ে বেশি দামে এলএনজি কিনছে পেট্রোবাংলা চাঁদপুরের ঐতিহাসিক বড় স্টেশন মাছঘাটে ইলিশের তীব্র সংকট ক্যাশলেস লেনদেন বাড়লে দুর্নীতি কমবে এবং ব্যবসার খরচ কমবে: অর্থমন্ত্রী উত্তরায় শাহজালাল বিমানবন্দর এলাকার শপিং মলে ভয়াবহ আগুন হাটহাজারীতে ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলনে দুর্ঘটনায় দুই সেনাসদস্য নিহত ড. খলিলুর রহমানের সভাপতিত্বে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশন শুরু রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে পাওনিয়ার বেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড

বাধ্যতামূলক অবসরে গেলেন ২০১৮ নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা ৩২ সাবেক ডিসি

জনস্বার্থে সরকারি চাকরি আইন অনুযায়ী অবসরের প্রজ্ঞাপন জারি
নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ২৮-০৭-২০২৬ ১০:০২:১২ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৮-০৭-২০২৬ ১০:০২:১২ পূর্বাহ্ন
  • ২ মিনিট পড়ার সময়
  • ১৫৭ বার পঠিত
বাধ্যতামূলক অবসরে গেলেন ২০১৮ নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা ৩২ সাবেক ডিসি ছবি: সংগৃহীত
২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জেলা পর্যায়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করা তৎকালীন ৩২ জেলা প্রশাসককে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার। সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ এর ৪৫ ধারা অনুযায়ী জনস্বার্থে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অবসরজনিত সব ধরনের সরকারি সুবিধা পাবেন এবং আদেশটি তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয়েছে।
 
সোমবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় পৃথক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ সিদ্ধান্ত জানায়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে জনস্বার্থে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সরকারি চাকরি থেকে অবসর দেওয়া হয়েছে। বিধি অনুযায়ী তাঁরা অবসর সংক্রান্ত সব সুবিধা ভোগ করবেন।
 
মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, অবসরে পাঠানো কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা ওএসডি হিসেবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত ছিলেন। তাঁদের প্রত্যেকের চাকরির মেয়াদ ২৫ বছর পূর্ণ হয়েছে।
 
অবসরে পাঠানো কর্মকর্তারা হলেন রাজশাহীর তৎকালীন ডিসি এস এম আব্দুল কাদের, মাগুরার মো. আলী আকবর, হবিগঞ্জের মাহমুদুল কবীর মুরাদ, মানিকগঞ্জের এস এম ফেরদৌস, কিশোরগঞ্জের মো. সারওয়ার মুর্শেদ চৌধুরী, নরসিংদীর সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন, খুলনার মোহাম্মদ হেলাল হোসেন, শেরপুরের আনার কলি মাহবুব, কুড়িগ্রামের মোছা. সুলতানা পারভীন, নীলফামারীর নাজিয়া শিরিন, পটুয়াখালীর মো. মতিউল ইসলাম চৌধুরী, চুয়াডাঙ্গার গোপাল চন্দ্র দাস, ভোলার মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিক, বরিশালের এস এম অজিয়র রহমান, ফেনীর মো. ওয়াহেদুজ্জামান, খাগড়াছড়ির মো. সাহেদুল ইসলাম, ঝিনাইদহের সরোজ কুমার নাথ, পাবনার মো. জসিম উদ্দিন, সুনামগঞ্জের মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ, কক্সবাজারের মো. কামাল হোসেন, রাঙ্গামাটির এ কে এম মামুনুর রশিদ, লক্ষ্মীপুরের অঞ্জন চন্দ্র পাল, চট্টগ্রামের মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন, নওগাঁর মো. মিজানুর রহমান, চাঁপাইনবাবগঞ্জের এ জেড এম নূরুল হক, শরীয়তপুরের কাজী আবু তাহের, নাটোরের মো. শাহরিয়ার, বান্দরবানের মো. দাউদুল ইসলাম, নেত্রকোনার মঈনউল ইসলাম, কুষ্টিয়ার মো. আসলাম হোসেন, কুমিল্লার মো. আবুল ফজল মীর এবং চাঁদপুরের মো. মাজেদুর রহমান খান।
 
সরকারি সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রশাসনিক সংস্কার এবং ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় পর্যালোচনার অংশ হিসেবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
 
উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে দেশি বিদেশি মহলে ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছিল। ভোটের আগের রাতে ব্যালট বাক্স ভর্তি, অনিয়ম, বিরোধী প্রার্থী ও কর্মীদের ওপর দমন পীড়ন এবং ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যেতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। তবে তৎকালীন নির্বাচন কমিশন এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছিল। ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট ২৮৮টি আসনে জয়লাভ করে। এরপর থেকে নির্বাচনটির গ্রহণযোগ্যতা এবং রিটার্নিং কর্মকর্তাদের ভূমিকা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা ও সমালোচনা অব্যাহত রয়েছে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১৫

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।