সংগঠনটি এক বিবৃতিতে ওকামাতোকে ‘আহমাদ আল ইয়াবানি’ বা ‘জাপানি আহমাদ’ নামে উল্লেখ করে তাকে দীর্ঘদিনের সহযোদ্ধা হিসেবে অভিহিত করেছে। তাদের দাবি, ফিলিস্তিনের জন্য সংগ্রামে তিনি কয়েক দশক ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
১৯৭২ সালে কমিউনিস্টপন্থী জাপানিজ রেড আর্মির সদস্য হিসেবে ওকামাতো তৎকালীন লড বিমানবন্দরে হামলায় অংশ নেন। বর্তমানে বিমানবন্দরটির নাম বেন গুরিয়ন বিমানবন্দর। ওই হামলায় ২৬ জন নিহত এবং ৭৬ জন আহত হন।
জাপানিজ রেড আর্মি ১৯৭১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। সংগঠনটি দীর্ঘ সময় লেবানন থেকে কার্যক্রম পরিচালনা করে। বিমান ছিনতাই এবং বিদেশে বিভিন্ন হামলার ঘটনাতেও তাদের নাম জড়িয়েছে।
লড বিমানবন্দর হামলার ঘটনায় ওকামাতো ইসরায়েলে ১৩ বছর কারাভোগ করেন। ১৯৮৫ সালে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনি গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে বন্দিবিনিময়ের অংশ হিসেবে তিনি মুক্তি পান। পরে সিরিয়া ও লিবিয়ায় অবস্থানের পর লেবাননে আশ্রয় নেন।
লেবানন কর্তৃপক্ষ তাকে আশ্রয় দেয় এই বিবেচনায় যে তিনি ইসরায়েলবিরোধী প্রতিরোধে অংশ নিয়েছিলেন এবং ইসরায়েলের কারাগারে নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন। পরে তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন এবং পিএফএলপির সদস্যদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ বজায় রাখেন।
জাপানে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল। তাকে গ্রেপ্তারে ইন্টারপোলের সহযোগিতাও চেয়েছিল জাপান। তবে লেবাননে অবৈধ প্রবেশ ও জালিয়াতির অভিযোগে এক মামলার বিচার চলাকালে তিনি নিজেকে ‘আরব প্রতিরোধযোদ্ধা’ হিসেবে পরিচয় দেন।
১৯৬৭ সালে প্রতিষ্ঠিত পিএফএলপি প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশনের একটি অংশ। সংগঠনটি আরব ন্যাশনালিস্ট মুভমেন্টের শাখা হিসেবে গড়ে ওঠে।
ডেস্ক রিপোর্ট