মার্কিন হামলায় নত হবে না ইরান, সিআইএর নতুন মূল্যায়ন
সামরিক চাপের মধ্যেও আলোচনায় ছাড় না দেওয়ার বার্তা তেহরানের
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ২১-০৭-২০২৬ ০৩:২২:৩৯ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ২১-০৭-২০২৬ ০৩:২২:৩৯ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ১১৯ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
মার্কিন সামরিক হামলা অব্যাহত থাকলেও ইরান তাদের আলোচনার অবস্থান সহজ করবে না এবং এসব হামলার ফলে তেহরানের কৌশলগত অবস্থানে বড় ধরনের পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা কম বলে সিআইএর নতুন গোয়েন্দা মূল্যায়নে উল্লেখ করা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, ওয়াশিংটন ও তেহরান বর্তমানে শান্তি ও পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের মধ্যবর্তী এক অনিশ্চিত অচলাবস্থায় রয়েছে।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১৫
প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বে গত ফেব্রুয়ারিতে শুরু হওয়া সংঘাত নতুন পর্যায়ে পৌঁছেছে। যুক্তরাষ্ট্রে এই যুদ্ধের প্রতি জনসমর্থন কমে গেলেও নতুন করে স্থলবাহিনী মোতায়েন রাজনৈতিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে বলে মূল্যায়ন করা হচ্ছে।
জর্ডানে একটি সামরিক ঘাঁটিতে দুই মার্কিন সেনা নিহত হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র টানা দশম রাতের মতো ইরানে বিমান হামলা চালিয়েছে। একই সময়ে সেন্টকমও দশম দফার অভিযান শুরু করে। এর জবাবে সোমবার ২০ জুলাই সকালে ইরান কুয়েত ও বাহরাইনের আকাশসীমার দিকে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
এদিকে আঞ্চলিক উত্তেজনাও বাড়ছে। ইরান সমর্থিত ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠী সৌদি আরবের বিরুদ্ধে সামুদ্রিক অবরোধের ঘোষণা দিয়ে লোহিত সাগর ও সুয়েজ খালের গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথ বাব আল মানদাব প্রণালী বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে।
তবে সংঘাত চলমান থাকলেও কাতারসহ কয়েকটি মধ্যস্থতাকারী দেশের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে বার্তা আদানপ্রদান হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘেই। অন্যদিকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, ওয়াশিংটন কূটনৈতিক সমাধানের জন্য প্রস্তুত থাকলেও ইরানের কট্টরপন্থী গোষ্ঠীগুলোর সামরিক পদক্ষেপের কারণেই অভিযান অব্যাহত রাখা হচ্ছে।
সিআইএর প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা ও যুদ্ধ সরঞ্জামের ক্ষতি সত্ত্বেও ইরানের রাষ্ট্রীয় কাঠামো টিকে থাকার সক্ষমতা বজায় রেখেছে। আটলান্টিক কাউন্সিলের জ্যেষ্ঠ পরিচালক জোনাথন প্যানিকফের মতে, কেবল সামরিক চাপ প্রয়োগ করে ইরানকে নীতিগতভাবে নমনীয় করা সম্ভব নয়, কারণ দেশটির প্রধান অগ্রাধিকার সরকারব্যবস্থা টিকিয়ে রাখা।
এদিকে ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তেহরানের ভেতরে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতাপন্থী অংশ ও রিভল্যুশনারি গার্ডের কট্টরপন্থীদের মধ্যে মতপার্থক্য থাকলেও সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি এবং প্রধান আলোচনাকারী মোহাম্মদ বাঘের ঘালিবাফ জাতীয় ঐক্য বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।