হরমুজ প্রণালি বন্ধ ঘোষণা ইরানের: যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত চরম পর্যায়ে
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ১২-০৭-২০২৬ ০২:০৩:০৪ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ১২-০৭-২০২৬ ০২:০৩:০৪ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৮২ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার উত্তেজনা এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। সাইপ্রাসের পতাকাবাহী একটি বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের হামলার প্রতিবাদে দেশটিতে ফের শক্তিশালী বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এর প্রতিক্রিয়ায় কৌশলগতভাবে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ 'হরমুজ প্রণালি' অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। আজ রোববার (১২ জুলাই) বিবিসিসহ আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, চলতি সপ্তাহে এটি ইরানে তাদের তৃতীয় দফা হামলা। আইআরজিসির হামলায় সাইপ্রাসের জাহাজটির ইঞ্জিন কক্ষ মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং একজন বেসামরিক নাবিক নিখোঁজ রয়েছেন। মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, "ইরান ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং এর মূল্য তাদের দিতে হবে।"
এদিকে, আইআরজিসি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বারবার নির্দেশনা অমান্য করায় একটি জাহাজে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে এবং নিরাপত্তার স্বার্থে হরমুজ প্রণালি বন্ধ করা হয়েছে। তারা আরও সতর্ক করেছে যে, যুক্তরাষ্ট্র যদি কোনো ‘আগ্রাসী পদক্ষেপ’ নেয়, তবে এই অঞ্চলে মার্কিন নতুন ঘাঁটিগুলোকেও লক্ষ্যবস্তু করা হবে।
উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে তেলের ট্যাংকারে হামলার জেরে শুরু হওয়া এই পাল্টাপাল্টি সংঘাতে এখন পর্যন্ত ১৭ জন নিহত এবং ১১৫ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে যুদ্ধবিরতি কার্যত অচল। তবে পর্দার আড়ালে মধ্যস্থতাকারীরা এখনো আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। ইরান দাবি করেছে যে, পূর্ববর্তী হামলাগুলো তাদের একটি 'নিয়ন্ত্রণহীন গোষ্ঠী' ভুলবশত চালিয়েছে।
বিশ্বের মোট জ্বালানি তেলের একটি বড় অংশ এই হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়। ফলে এই নৌপথ বন্ধের ঘোষণায় বিশ্ব অর্থনীতি ও জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের বিপর্যয়ের আশঙ্কা করা হচ্ছে।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, চলতি সপ্তাহে এটি ইরানে তাদের তৃতীয় দফা হামলা। আইআরজিসির হামলায় সাইপ্রাসের জাহাজটির ইঞ্জিন কক্ষ মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং একজন বেসামরিক নাবিক নিখোঁজ রয়েছেন। মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, "ইরান ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং এর মূল্য তাদের দিতে হবে।"
এদিকে, আইআরজিসি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বারবার নির্দেশনা অমান্য করায় একটি জাহাজে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে এবং নিরাপত্তার স্বার্থে হরমুজ প্রণালি বন্ধ করা হয়েছে। তারা আরও সতর্ক করেছে যে, যুক্তরাষ্ট্র যদি কোনো ‘আগ্রাসী পদক্ষেপ’ নেয়, তবে এই অঞ্চলে মার্কিন নতুন ঘাঁটিগুলোকেও লক্ষ্যবস্তু করা হবে।
উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে তেলের ট্যাংকারে হামলার জেরে শুরু হওয়া এই পাল্টাপাল্টি সংঘাতে এখন পর্যন্ত ১৭ জন নিহত এবং ১১৫ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে যুদ্ধবিরতি কার্যত অচল। তবে পর্দার আড়ালে মধ্যস্থতাকারীরা এখনো আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। ইরান দাবি করেছে যে, পূর্ববর্তী হামলাগুলো তাদের একটি 'নিয়ন্ত্রণহীন গোষ্ঠী' ভুলবশত চালিয়েছে।
বিশ্বের মোট জ্বালানি তেলের একটি বড় অংশ এই হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়। ফলে এই নৌপথ বন্ধের ঘোষণায় বিশ্ব অর্থনীতি ও জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের বিপর্যয়ের আশঙ্কা করা হচ্ছে।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।