রোগমুক্তির নামে শিয়ালের মাংস খাওয়া কি জায়েজ? ইসলাম আইনের স্পষ্ট ব্যাখ্যা
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ১০-০৭-২০২৬ ০৮:৪৯:২৪ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ১০-০৭-২০২৬ ১০:০৩:১৫ অপরাহ্ন
- ১ মিনিট পড়ার সময়
- ১৪০ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
بسم الله الرحمن الرحيم
শিয়েলের মাংস খাওয়া হারাম। কেননা শিয়াল হিংস্র প্রাণী। যেসকল প্রাণী হিংস্র এবং তীক্ষ্ণ নখর বিশিষ্ট, যারা থাবা দিয়ে শিকার করে হাদিস শরিফে সেগুলো খাওয়া হারাম ঘোষণা করা হয়েছে।
- হারাম বস্তু দিয়ে চিকিৎসার ক্ষেত্রে শরঈ মূলনীতি হলো, ওই রোগের চিকিৎসায় হারামের বিকল্প না থাকতে হবে এবং আরোগ্য লাভের বিষয়টি প্রবল সম্ভাবনাময় হতে হবে। কিন্তু শিয়ালের মাংস দিয়ে চিকিৎসার বিষয়টি এমন নয়।
কাজেই শিয়ালে মাংস খাওয়া কোনো মুসলমানের জন্য জায়েজ নাই। ইতিপূর্বে যারা শিয়ালের মাংস খেয়েছে তারা কবিরা গুনাহ করেছে। এই গর্হিত কাজের জন্য আল্লাহ তায়ালার দরবারে কায়মনোবাক্যে তাওবা করা তাদের জন্যে আবশ্যক।
তাছাড়া বাংলাদেশ বণ্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনে শিয়াল শিকার করা, বিক্রি করা দণ্ডনীয় অপরাধ।
والله اعلم بالصواب
মুফতি সাইদুজ্জামান কাসেমি
বাইতুল কুরআন মাদারাসা , মোহাম্মাদপুর
সূত্র: মুসলিম বাংলা এ্যাপস
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২
শিয়েলের মাংস খাওয়া হারাম। কেননা শিয়াল হিংস্র প্রাণী। যেসকল প্রাণী হিংস্র এবং তীক্ষ্ণ নখর বিশিষ্ট, যারা থাবা দিয়ে শিকার করে হাদিস শরিফে সেগুলো খাওয়া হারাম ঘোষণা করা হয়েছে।
- হারাম বস্তু দিয়ে চিকিৎসার ক্ষেত্রে শরঈ মূলনীতি হলো, ওই রোগের চিকিৎসায় হারামের বিকল্প না থাকতে হবে এবং আরোগ্য লাভের বিষয়টি প্রবল সম্ভাবনাময় হতে হবে। কিন্তু শিয়ালের মাংস দিয়ে চিকিৎসার বিষয়টি এমন নয়।
কাজেই শিয়ালে মাংস খাওয়া কোনো মুসলমানের জন্য জায়েজ নাই। ইতিপূর্বে যারা শিয়ালের মাংস খেয়েছে তারা কবিরা গুনাহ করেছে। এই গর্হিত কাজের জন্য আল্লাহ তায়ালার দরবারে কায়মনোবাক্যে তাওবা করা তাদের জন্যে আবশ্যক।
তাছাড়া বাংলাদেশ বণ্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনে শিয়াল শিকার করা, বিক্রি করা দণ্ডনীয় অপরাধ।
والله اعلم بالصواب
মুফতি সাইদুজ্জামান কাসেমি
বাইতুল কুরআন মাদারাসা , মোহাম্মাদপুর
সূত্র: মুসলিম বাংলা এ্যাপস
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।