ঢাকা , সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬ , ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ৬ সফর ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
নিট দুর্নীতি ও শিক্ষা সংকট: জেনজি-তে উত্তাল দিল্লি সংসদ ভারতীয় রাজনীতিতে নতুন মোড়: মোদী সরকারের বিরুদ্ধে তরুণের জাগরণ ৪৯ রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল করল প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১ হাজার ৬৯ ওমরাহ ভিসায় বড় পরিবর্তন, মেয়াদ বাড়িয়ে ১ বছর করলো সৌদি আরব গায়ানায় ১১৬ আরোহী নিয়ে ফেরিডুবি, জীবিত উদ্ধার ৬৭ ঢাকাসহ ১৭ জেলায় ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস, নদীবন্দরে সতর্কসংকেত সীমান্ত সুরক্ষায় আধুনিক প্রযুক্তি ও কড়া নজরদারি: শিলিগুড়িতে অমিত শাহ বিশ্বজুড়ে মেটার সার্ভারে বড় ধরনের কারিগরি বিপর্যয় ঢাকার ৫০ পয়েন্টে অটোমেটিক ট্রাফিক সিগন্যাল চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী উত্তরের ৫ জেলায় বন্যার শঙ্কা, ভারি বৃষ্টি ও উজানের ঢলে বাড়ছে নদীর পানি বাহরাইনে মার্কিন ঘাঁটির জ্বালানি ট্যাংক ও সামরিক স্থাপনায় আঘাতের দাবি সীমান্ত নিরাপত্তায় ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত: মিয়ানমার সীমান্তে ১০৮ কিলোমিটার হামের উপসর্গে আরও ১ শিশুর মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ১,০১৩ ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্পে কাঁপল মেক্সিকো, সুনামি সতর্কতা কলকাতা বিমানবন্দরে নামাজ নিয়ে উত্তেজনা: ১৪৪ ধারা জারি কাপ্তাই বাঁধের ১৬ গেট খোলার প্রস্তুতি: শনিবার শুরু হতে পারে পানি নিষ্কাশন জার্মান নির্বাচনে বিদেশি হস্তক্ষেপ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করলেন চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মেৎস ‘ফ্যাসিবাদী সরকার অর্থনীতি ধ্বংস করে গেছে’: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের বললেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তালাকের অজুহাতে ভরণপোষণ বন্ধ করা যাবে না: হাইকোর্ট

ডিজিটাল কর আরোপে ইউরোপকে ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি, ১০০ শতাংশ আমদানি শুল্কের ঘোষণা

নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ২৭-০৬-২০২৬ ০১:১২:৫৯ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৭-০৬-২০২৬ ০১:১২:৫৯ অপরাহ্ন
  • ২ মিনিট পড়ার সময়
  • ৬ বার পঠিত
ডিজিটাল কর আরোপে ইউরোপকে ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি, ১০০ শতাংশ আমদানি শুল্কের ঘোষণা সংগৃহীত ছবি
 

মার্কিন প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর ওপর ডিজিটাল সেবা কর (ডিজিটাল সার্ভিসেস ট্যাক্স) আরোপ করলে সংশ্লিষ্ট ইউরোপীয় দেশের যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হওয়া সব পণ্যের ওপর ১০০ শতাংশ আমদানি শুল্ক আরোপ করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ সতর্কবার্তা দেন।
 

ট্রাম্প দাবি করেন, ইউরোপের কয়েকটি দেশ এমন কর চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং কিছু দেশ তা কার্যকরের কাছাকাছি রয়েছে। তার ভাষ্য, কোনো দেশ এই কর কার্যকর করলে যুক্তরাষ্ট্র তাৎক্ষণিক পাল্টা পদক্ষেপ নেবে। এমন পরিস্থিতিতে বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য চুক্তিগুলোও কার্যত অকার্যকর হয়ে যাবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
 

পোস্টে ট্রাম্প আরও বলেন, যে দেশ মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের ওপর এই কর আরোপ করবে, সেই দেশের যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানিকৃত সব পণ্যের ওপর অবিলম্বে ১০০ শতাংশ শুল্ক বসানো হবে।
 

যুক্তরাজ্য ২০২০ সাল থেকে ২ শতাংশ ডিজিটাল সেবা কর কার্যকর রেখেছে। এ কর মূলত বৈশ্বিকভাবে ৫০ কোটি পাউন্ডের বেশি ডিজিটাল আয় এবং যুক্তরাজ্যে ২ কোটি ৫০ লাখ পাউন্ডের বেশি রাজস্ব অর্জনকারী বড় সার্চ ইঞ্জিন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অনলাইন মার্কেটপ্লেসের ওপর প্রযোজ্য। এর আওতায় অ্যাপল, গুগল, মেটা ও অ্যামাজনের মতো মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানও রয়েছে।
 

যুক্তরাজ্যের অর্থ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এই কর থেকে ৮০ কোটি পাউন্ডের বেশি রাজস্ব আদায় হয়েছে, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।
 

এর আগে চলতি বছরের এপ্রিলে ট্রাম্প অভিযোগ করেছিলেন, যুক্তরাজ্য মূলত মার্কিন প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোকে লক্ষ্য করেই এই কর আরোপ করেছে। তার দাবি ছিল, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের উদ্দেশ্যেই এ ধরনের নীতি গ্রহণ করা হয়েছে।
 

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মধ্যে নতুন বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরের কয়েক দিনের মধ্যেই ট্রাম্পের এই মন্তব্য সামনে এলো। এদিকে সাইপ্রাসের জ্বালানি, বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী মাইকেল দামিয়ানোস বলেছেন, চুক্তি লঙ্ঘিত হলে বা ইইউর স্বার্থ ক্ষুণ্ন হলে ইউরোপীয় ইউনিয়ন দ্রুত ও উপযুক্ত জবাব দিতে সক্ষম।
 

বর্তমানে ফ্রান্স, ইতালি ও স্পেন বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের ওপর ৩ শতাংশ ডিজিটাল সেবা কর আরোপ করেছে। এছাড়া ইউরোপের আরও কয়েকটি দেশ একই ধরনের কর চালু করেছে অথবা তা চালুর পরিকল্পনা করছে।
 

২০২৫ সালে পুনরায় প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর থেকে ট্রাম্প আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে উচ্চ শুল্কনীতিকে অগ্রাধিকার দিয়ে আসছেন। যদিও চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে তার প্রস্তাবিত ১০ শতাংশ বৈশ্বিক শুল্ক যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট বাতিল করে দেয়। এরপরও বিভিন্ন দেশের পণ্যের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের উদ্যোগ নেয় ওয়াশিংটন। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, এসব পদক্ষেপের লক্ষ্য জোরপূর্বক শ্রম (ফোর্সড লেবার) প্রতিরোধে আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ানো এবং বাণিজ্যিক স্বার্থ সুরক্ষা নিশ্চিত করা।


নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৪

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।