ঢাকা , শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (শরৎকাল) , ২২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
শাহজালালে কর্মীদের বিরুদ্ধে যাত্রী হয়রানি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ কিনেমাস্টার বাংলাদেশিদের জন্য ওয়াটারমার্ক ছাড়া ব্যবহারের সুযোগ রূপপুর থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ যুক্ত করতে ভারনোভার চুক্তি ভারত-ইরান বাণিজ্য চুক্তির গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের হুঁশিয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংকের যুগ্ম পরিচালক ছায়েদুর রহমানের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার গ্রেপ্তারের ক্ষমতা পাচ্ছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের সড়ক নির্মাণকাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ হাইকোর্টের জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় নতুন ভাসমান এলএনজি স্থাপন: প্রধানমন্ত্রী কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থানের জন্য প্রশিক্ষণের পরিকল্পনা ঢাকা–আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের সেতু যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত আসিফ মাহমুদসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান শুরু তারেক রহমানের সঙ্গে শিগগিরই সাক্ষাতের আশা প্রকাশ ট্রাম্পের নতুন বেতন কাঠামোয় মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি রয়েছে: তথ্য উপদেষ্টা নবম পে স্কেলে এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীরাও আসছেন নেপালে বন্যায় মৃত ৯৩৯, এক বাড়ি থেকেই উদ্ধার ২৩ লাশ ৪৫ বছর পর জিয়া হত্যার পুনঃতদন্তে নতুন সূত্র ইসলামকে ‘অন্য সব ধর্মের চেয়ে শ্রেষ্ঠ’ বলায় মন্ত্রীর পদত্যাগ দাবী ইরানের পালটা হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে বাড়ছে যুদ্ধের শঙ্কা আদানির বিদ্যুৎ কমায় দেশজুড়ে লোডশেডিং তীব্র মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ ৭০০ মিলিয়নে স্থির

প্রচণ্ড গরমে বাচ্চাদের যত্ন: অভিভাবকদের যা জানা জরুরি

নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ২২-০৪-২০২৬ ১২:১৫:৫৫ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২২-০৪-২০২৬ ১২:১৫:৫৫ পূর্বাহ্ন
  • ২ মিনিট পড়ার সময়
  • ৪১ বার পঠিত
প্রচণ্ড গরমে বাচ্চাদের যত্ন: অভিভাবকদের যা জানা জরুরি প্রতীকী ছবি- ( সংগৃহীত)

প্রচণ্ড গরমের সময় ঝুঁকিতে থাকে শিশুরা। গরমে অনেক সময় তাদের শরীর পানিশূন্য হয়ে পড়ে এবং তাপমাত্রার প্রভাবও বেশি পড়ে। ফলে সামান্য অসাবধানতাই বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ হতে পারে। তাই এই সময়ে বাচ্চাদের প্রতি বিশেষ যত্ন ও সচেতনতা অত্যন্ত জরুরি।

গরমের কারণে শিশুদের মধ্যে হিটস্ট্রোক, জ্বর, ডায়রিয়া, বমি ও পানিশূন্যতার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। অনেক সময় তারা নিজের সমস্যার কথা স্পষ্টভাবে বলতে পারে না, ফলে অভিভাবকদের আরও সতর্ক থাকতে হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বাচ্চাদের নিয়মিত পানি পান করানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারা তৃষ্ণা পেলেই পানি খাবে—এমনটা না ভেবে নির্দিষ্ট সময় পরপর পানি বা তরল খাবার দেওয়া উচিত। ডাবের পানি, লেবুর শরবত বা ঘরে তৈরি ফলের রস এই ক্ষেত্রে উপকারী হতে পারে। গরমের সময় শিশুদের সরাসরি রোদে বেশি সময় না রাখাই ভালো। বিশেষ করে দুপুর ১১টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত সময়টায় বাইরে না বের করাই নিরাপদ। যদি বের করতেই হয়, তাহলে হালকা রঙের ঢিলেঢালা কাপড় ও ছাতা ব্যবহার করা উচিত।

শিশুদের খাবারের দিকেও বিশেষ নজর দিতে হবে। অতিরিক্ত তৈলাক্ত ও ভারী খাবারের পরিবর্তে হালকা, সহজপাচ্য ও পুষ্টিকর খাবার দেওয়া উচিত। ফল, সবজি ও তরল খাবার বেশি করে খাওয়ানো ভালো। পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গরমে খাবার দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়, ফলে শিশুদের জন্য সবসময় তাজা ও পরিষ্কার খাবার নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি।

বাচ্চাদের ঘরের পরিবেশ ঠান্ডা ও আরামদায়ক রাখা উচিত। প্রয়োজন হলে ফ্যান বা এয়ার কুলার ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে সরাসরি ঠান্ডা বাতাসে দীর্ঘ সময় রাখা থেকেও বিরত থাকতে হবে। যদি শিশুর শরীরে অতিরিক্ত গরম অনুভূত হয়, মাথা ঘোরে, বমি হয় বা অস্বাভাবিক ক্লান্তি দেখা দেয়, তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। এসব লক্ষণ হিটস্ট্রোকের পূর্বাভাস হতে পারে।

প্রচণ্ড গরমে শিশুদের সুস্থ রাখতে অভিভাবকদের বাড়তি সচেতনতা অপরিহার্য। সামান্য যত্ন ও সতর্কতার মাধ্যমে বড় ধরনের বিপদ এড়ানো সম্ভব।


নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১২

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।