রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানে তুরস্কের সক্রিয় সহযোগিতা কামনা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। একই সঙ্গে দেশের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও প্রতিরক্ষা খাতে তুরস্কের বিনিয়োগ ও অংশীদারিত্ব বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে দলটি।
শুক্রবার (৫ জুন) রাতে রাজধানীর একটি হোটেলে সফররত তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের কাছে এসব তথ্য তুলে ধরেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী এই বৈঠকে দলের শীর্ষ নেতাদের সমন্বয়ে গঠিত একটি প্রতিনিধিদল অংশ নেয়।
বৈঠক পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় ডা. শফিকুর রহমান তুরস্ককে বাংলাদেশের একটি ‘বিশ্বস্ত বন্ধু’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের ওপর যে চাপ তৈরি হয়েছে, তা নিরসনে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জরুরি। এ প্রেক্ষাপটে তুরস্কের ভূমিকা আরও জোরদার করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
তিনি জানান, বৈঠকে দেশের অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং ব্যাংকিং খাতের চ্যালেঞ্জ নিয়েও আলোচনা হয়েছে। এসব বিষয়ে পারস্পরিক মতবিনিময়কে তিনি ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করেন।
এছাড়া শিল্প ও সামাজিক খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়টিও গুরুত্ব পায় আলোচনায়। চামড়া, পাট ও তৈরি পোশাক খাতের উন্নয়ন, পাশাপাশি শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক অংশীদারিত্ব সম্প্রসারণের আহ্বান জানানো হয়।
জামায়াত আমির আশাবাদ ব্যক্ত করেন, বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী হবে এবং উভয় দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা নতুন মাত্রা পাবে।
ডেস্ক রিপোর্ট