ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (শরৎকাল) , ৪ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
লিথুয়ানিয়ার আকাশসীমায় ঢুকে পড়া ড্রোন ভূপাতিত করল ন্যাটোর যুদ্ধবিমান ময়মনসিংহ মেডিকেলে অগ্নিকাণ্ডের পর মৃত্যু নিয়ে ধোঁয়াশা টেকসই অবকাঠামো উন্নয়নে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান মন্ত্রীর দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা মেটাতে আরও ৬ কার্গো এলএনজি আমদানি পশ্চিমবঙ্গে ২৫২টি মাদ্রাসা বন্ধের নোটিশ: আরও ১০০ প্রতিষ্ঠানকে নোটিশ পদ্মা জেনারেলে শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ: ডাক্তারহীন এনআইসিইউ বাগেরহাটের রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের একটি ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ নাগরিকদের ব্যক্তিগত তথ্য বেচাকেনার অভিযোগে কেরানীগঞ্জে গ্রেপ্তার ১ ভারতকে পেছনে রেখে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্যে যুক্তরাষ্ট্র তরুণ আলেম মো. জুনায়েদ আল হাবিব ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে ইন্তেকাল করেছেন সম্পত্তি হস্তান্তর বিল-২০২৬ কুরআন ও সুন্নাহর পরিপন্থী দাবি হেফাজতের আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে ঢুকে পড়েছে ৫০০ ইসরায়েলি কেশমের কাছে ইরানি জাহাজে মার্কিন হামলার দাবি, নিহত ১ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন নিয়ে রিট খারিজ নবম পে স্কেলে বেতন পেতে তথ্য দিতে হবে আইবাসে চীনে বাড়ছে পেট্রোল ডিজেলের দাম সরকারি দামের চেয়ে বেশি দামে ইউরিয়া সার বিক্রির অভিযোগ আওয়ামী লীগ আমলে ঋণের হিসাবেও গড়মিল হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী ইউরোপে গ্যাসের দাম ২০২৩ সালের পর সর্বোচ্চ ব্রিকস সম্মেলনে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

সমুদ্রে তেল পাচার ঠেকাতে কোস্টগার্ড কতটা প্রস্তুত?

নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ১২-০৩-২০২৬ ০১:৫১:৫৫ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১২-০৩-২০২৬ ০১:৫৩:৩২ অপরাহ্ন
  • ১ মিনিট পড়ার সময়
  • ৩০ বার পঠিত
সমুদ্রে তেল পাচার ঠেকাতে কোস্টগার্ড কতটা প্রস্তুত? ছবি সংগৃহিত
সমুদ্রপথে জ্বালানি তেল পাচার রোধে টহল ও নজরদারি জোরদার করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, উপকূলীয় অঞ্চল ও সমুদ্রসীমায় অবৈধভাবে জ্বালানি তেল পরিবহন ও পাচার ঠেকাতে নিয়মিত অভিযান, আধুনিক নজরদারি ব্যবস্থা এবং বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে সমন্বিত তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। কোস্টগার্ড সূত্রে জানা গেছে, উপকূলীয় এলাকা ও সমুদ্রসীমায় সন্দেহজনক জাহাজ ও ট্রলারের ওপর নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

নিয়মিত টহল কার্যক্রমের পাশাপাশি তথ্যভিত্তিক অভিযানের মাধ্যমে অবৈধ তেল পরিবহন বা পাচারের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। বিশেষ করে গভীর সমুদ্র থেকে উপকূলীয় এলাকায় জ্বালানি তেল স্থানান্তরের ঘটনাগুলোকে গুরুত্ব দিয়ে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, তেল পাচারকারীরা অনেক সময় ট্রলার বা ছোট নৌযান ব্যবহার করে সমুদ্রে বড় জাহাজ থেকে তেল সংগ্রহ করে উপকূলে নিয়ে আসে। এসব কার্যক্রম প্রতিরোধে কোস্টগার্ডের টহল জোরদার করা হয়েছে এবং সন্দেহভাজন নৌযানগুলোর কাগজপত্র ও মালামাল যাচাই করা হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জ্বালানি তেল পাচার শুধু অর্থনৈতিক ক্ষতিই নয়, এটি জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পা,রে। পাশাপাশি অবৈধভাবে তেল পরিবহন পরিবেশের জন্যও ঝুঁকি তৈরি করে। তাই সমুদ্রসীমায় কার্যকর নজরদারি এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোস্টগার্ড কর্মকর্তারা আরও জানান, ভবিষ্যতে প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি বাড়ানো, টহল জাহাজের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং গোয়েন্দা তথ্য ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে সমুদ্রপথে জ্বালানি তেল পাচারের মতো অপরাধ দ্রুত শনাক্ত ও প্রতিরোধ করা যায়।

নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১৩

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।