ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে ইসরাইলের কাছে জরুরি ভিত্তিতে ১৫১.৮ মিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর প্রশাসন শুক্রবার (৬ মার্চ) এই সিদ্ধান্ত নেয়, যাতে অস্ত্র সরবরাহ দ্রুত নিশ্চিত করা যায়। এ জন্য কংগ্রেসের প্রচলিত পর্যালোচনা প্রক্রিয়াও এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের রাজনৈতিক-সামরিক বিষয়ক ব্যুরোর এক ঘোষণায় জানানো হয়েছে, প্রস্তাবিত অস্ত্র প্যাকেজে ১২ হাজারটি BLU-110A/B ধরনের সাধারণ উদ্দেশ্যের ১,০০০ পাউন্ড ওজনের বোমা বডি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর পাশাপাশি প্রকৌশল সহায়তা, লজিস্টিক সেবা এবং প্রযুক্তিগত সহায়তাও সরবরাহ করা হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ আইনের আওতায় জরুরি পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে এই বিক্রির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে সাধারণত যে ৩০ দিনের কংগ্রেস পর্যালোচনা প্রক্রিয়া প্রযোজ্য থাকে, তা এ ক্ষেত্রে প্রযোজ্য করা হয়নি এবং দ্রুত সরবরাহের সুযোগ তৈরি হয়েছে।
এই সিদ্ধান্ত এমন সময়ে নেওয়া হয়েছে, যখন ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া ওই হামলার পর থেকে সংঘাত দ্রুত বিস্তৃত হয়েছে এবং এতে এক হাজার ৩০০ জনের বেশি মানুষের প্রাণহানির খবর প্রকাশিত হয়েছে।
তবে ইসরাইলকে মার্কিন অস্ত্র সরবরাহের বিষয়টি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভাযুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসেরভেতরেও বিতর্ক বাড়ছে। বিশেষ করে গাজা যুদ্ধের পর বেসামরিক হতাহতের ঘটনা এবং মানবিক সংকটের উদ্বেগ তুলে ধরে কিছু ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতা এর আগে ইসরাইলের কাছে নির্দিষ্ট ধরনের অস্ত্র বিক্রি সীমিত করার আহ্বান জানিয়েছিলেন।
ডেস্ক রিপোর্ট