ঢাকা , শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬ , ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (শরৎকাল) , ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
অটোরিকশাচালক থেকে কোটিপতি, বাগমারায় নানা অভিযোগ ফিরোজের নেপালে হিমবাহ ধসের বন্যায় প্রাণহানি বেড়ে ৬৩৩, তিব্বতে নিহত ৭ কক্সবাজারে বারে সংঘর্ষে যুবক নিহত, অভিযুক্তেরও মৃত্যু নেপালে সহায়তায় ৩১ মিলিয়ন ডলার চাইলো রেড ক্রস সৌদি আরবে অবৈধভাবে কাজ করলে ৫০ হাজার রিয়াল জরিমানা ও কারাদণ্ড তারেক রহমানের সম্ভাব্য দিল্লি সফর ও ঢাকা-দিল্লি কূটনৈতিক সমীকরণ নেপাল-চীন সীমান্তে ভয়াবহ বন্যা: মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৮৯, নতুন ঝুঁকি নেপালে বন্যা ও ভূমিধসে বাংলাদেশিদের হতাহতের খবর নেই সরকারি বাড়ি বিক্রির ১৫ মামলায় মির্জা আব্বাস খালাস ভুটানের রাজাকে ঢাকায় রাষ্ট্রপতির অভ্যর্থনা ও দ্বিপক্ষীয় বৈঠক লালমনিরহাট সীমান্তে কৃষকদের ধস্তাধস্তির মুখে অস্ত্র ফেলে পালাল বিএসএফ আশিক চৌধুরীর প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা লাভ দীর্ঘ ১৬ বছর পর মিলল পরিচয়, তবে জীবিত নয়—নিথর মরদেহ দিল্লিতে ভারী বৃষ্টির জেরে রেড অ্যালার্ট জারি, বিপর্যস্ত জনজীবন ট্রান্সজেন্ডারবাদ,হিযবুত তাওহীদ ও কাদিয়ানীদের নিষিদ্ধের দাবি বাবুনগরীর বাণিজ্যিক কোচিংয়ে যুক্ত হতে পারবেন না বিচার বিভাগের কর্মকর্তারা গণহত্যা স্মরণে উখিয়ায় লাখো রোহিঙ্গার প্রত্যাবাসন দাবিতে সমাবেশ ইরানের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞা ‘লোকদেখানো’ দাবি মার্কিন সিনেটরের রাজধানীর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় এআই ক্যামেরার সুফল ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা স্কুলের নির্ধারিত ইউনিফর্মের সঙ্গে হিজাব পরার আবেদন খারিজ করল এলাহাবাদ

ভোটের তর্কযুদ্ধে বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ, সুযোগ নিতে পারে ‘তৃতীয় পক্ষ’—বিশ্লেষকদের সতর্কতা

নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ২৩-০১-২০২৬ ১০:৫০:০৩ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৩-০১-২০২৬ ১০:৫০:০৩ অপরাহ্ন
  • ২ মিনিট পড়ার সময়
  • ৩১ বার পঠিত
ভোটের তর্কযুদ্ধে বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ, সুযোগ নিতে পারে ‘তৃতীয় পক্ষ’—বিশ্লেষকদের সতর্কতা ছবি সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরুর সঙ্গে সঙ্গেই রাজনৈতিক অঙ্গনে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ ও তর্কযুদ্ধ তীব্র আকার ধারণ করেছে। প্রধান রাজনৈতিক জোটগুলোর শীর্ষ নেতাদের বক্তব্যে ক্রমেই উত্তেজনা বাড়ছে, যা নিয়ন্ত্রণের বাইরে গেলে পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে তৃতীয় কোনো পক্ষ অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা করতে পারে—এমন আশঙ্কা প্রকাশ করছেন রাজনীতিক বিশ্লেষকরা।
 

নির্বাচনের শুরু থেকেই প্রার্থী ও দলীয় নেতারা একে অপরের বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ তুলছেন। রাজনৈতিক মহলে ধারণা করা হচ্ছে, ভোটের দিন যত ঘনিয়ে আসবে, এই উত্তাপ আরও বাড়বে। যদিও প্রতিযোগিতামূলক রাজনীতিতে পাল্টাপাল্টি বক্তব্যকে স্বাভাবিক বলে মনে করা হয়, তবে সহনশীলতার সীমা অতিক্রম করলে তা গণতান্ত্রিক পরিবেশের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে বলে মত বিশ্লেষকদের।
 

সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)-এর সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক শক্তিগুলোর মধ্যে সমালোচনা থাকা স্বাভাবিক, তবে অন্যের মত প্রকাশের অধিকারকে স্বীকৃতি দেওয়াটাই রাজনৈতিক সংস্কৃতির মূল। তিনি মনে করেন, এই জায়গাতেই বর্তমানে উদ্বেগের সৃষ্টি হচ্ছে।
 

১২ ফেব্রুয়ারির ভোটকে সামনে রেখে বৃহস্পতিবার থেকে আনুষ্ঠানিক প্রচার-প্রচারণা শুরু করেছে রাজনৈতিক দলগুলো। এই নির্বাচনে মূলত দুটি বড় জোট সক্রিয় রয়েছে। একটি বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোট, যেখানে গণঅধিকার পরিষদসহ যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দলগুলো রয়েছে। অপরটি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোট, যেখানে এনসিপিসহ মোট ১০টি দল অংশ নিয়েছে।
 

প্রচার শুরুর প্রথম দিন সিলেট থেকে বিএনপির নির্বাচনি কার্যক্রম উদ্বোধন করেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ওই জনসভায় তিনি নির্বাচনে ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের’ ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তোলেন এবং প্রতিদ্বন্দ্বী একটি দলকে জনগণকে বিভ্রান্ত করার অভিযোগ করেন।
 

অন্যদিকে, রাজধানীর মিরপুরে এক জনসমাবেশের মাধ্যমে জামায়াতে ইসলামীর প্রচার শুরু হয়। সেখানে দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান বিএনপির ঘোষিত ‘ফ্যামেলি কার্ড’ কর্মসূচির সমালোচনা করেন। একই সমাবেশে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামও বিএনপির বিরুদ্ধে বক্তব্য রাখেন এবং পরবর্তী দিনগুলোতেও একই ধরনের অভিযোগ পুনরাবৃত্তি করেন।
 

প্রচার শুরুর পর থেকেই মাঠপর্যায়ের প্রার্থী ও নেতাদের মধ্যেও তর্কযুদ্ধ চলছে। ঢাকায় আসন বণ্টন নিয়ে এক পক্ষের মন্তব্যের জবাবে অপর পক্ষের প্রার্থী কড়া ভাষায় প্রতিক্রিয়া জানান, যা রাজনৈতিক উত্তেজনাকে আরও উসকে দেয়।
 

এই প্রেক্ষাপটে ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, পরিস্থিতি আরও প্রকট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তার মতে, রাজনৈতিক সংস্কৃতি মানে ভিন্নমতের প্রতি শ্রদ্ধা, সহনশীলতা এবং প্রতিপক্ষকে শত্রু হিসেবে না দেখার মানসিকতা। একক আধিপত্যের দাবি বা অন্যদের গুরুত্বহীন করে দেখার প্রবণতা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পরিপন্থী বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
 

তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীরা একে অপরকে ঘায়েল করতে গিয়ে যদি পরিস্থিতির অবনতি ঘটান, তাহলে তৃতীয় পক্ষ সেই সুযোগ নিতে পারে। তাই নির্বাচনি মাঠে দায়িত্বশীল আচরণ ও সংযত বক্তব্য নিশ্চিত করা সব পক্ষের জন্যই জরুরি বলে মনে করেন তিনি।

 
 
 

নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৬

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।