বাংলাদেশ ভারত বাণিজ্য বৈঠক শেষ আজ, আলোচনায় শুল্ক ও বাণিজ্য ঘাটতি
নয়াদিল্লির বৈঠকে স্থলবন্দর, রেলপথে পণ্য পরিবহন ও অশুল্ক বাধা নিয়ে আলোচনায় গুরুত্ব দিচ্ছে বাংলাদেশ
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ০৯-১০-২০২৬ ০৯:৩৭:৩৮ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ০৯-১০-২০২৬ ০৯:৩৯:১৬ পূর্বাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৩৫ বার পঠিত
ছবি— সংগৃহীত
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বাণিজ্যবিষয়ক যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের ১৬তম বৈঠক আজ নয়াদিল্লিতে শেষ হচ্ছে। বৈঠকে দুই দেশের বাণিজ্যিক প্রতিবন্ধকতা, বাংলাদেশি পাটজাত পণ্যে অ্যান্টি ডাম্পিং শুল্ক, স্থলবন্দর ব্যবস্থাপনা এবং পণ্য পরিবহনের বিভিন্ন বিষয় আলোচনায় আসার কথা রয়েছে। পাশাপাশি দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ঘাটতি ও অশুল্ক বাধা নিয়েও আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১৫
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আয়েশা আক্তারের নেতৃত্বে বাংলাদেশের ১০ সদস্যের একটি সরকারি প্রতিনিধিদল বৈঠকে অংশ নিয়েছে। প্রতিনিধিদলটি গত বুধবার নয়াদিল্লির উদ্দেশে বাংলাদেশ ত্যাগ করে।
বৈঠকের আলোচ্য বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশি পাটজাত পণ্যের ওপর ভারতের আরোপিত অ্যান্টি ডাম্পিং শুল্ক, রেলপথে পণ্য পরিবহন এবং দুই দেশের মধ্যে পণ্য চলাচল সহজ করা। এ ছাড়া দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে অশুল্ক বাধা দূর করার বিষয়টিও গুরুত্ব পেতে পারে। এসব বাধা দুই দেশের ব্যবসা বাণিজ্য সম্প্রসারণে প্রতিবন্ধকতা হিসেবে বিবেচিত হয়।
বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের এক সদস্য জানান, বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বাণিজ্যসংশ্লিষ্ট প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উত্থাপন করা হবে। তবে ভারতীয় পক্ষ কোন কোন বিষয় আলোচনায় আনবে, তা এখনো নিশ্চিত নয়। তিনি বলেন, এটি মূলত আলোচনা ও মতবিনিময়ের একটি প্ল্যাটফর্ম, যেখানে সরাসরি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় না।
ওই কর্মকর্তা আরও জানান, কম্প্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ অ্যাগ্রিমেন্ট বা সিইপিএ বাংলাদেশের আলোচ্যসূচিতে নেই। তবে দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান বাণিজ্য ঘাটতির বিষয়টি আলোচনায় আসবে। কারণ, বাংলাদেশে ভারতের রপ্তানি এবং ভারতে বাংলাদেশের রপ্তানির পরিমাণের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ব্যবধান রয়েছে।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ থেকে ২০২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ ভারতে ১৭৫ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে। একই সময়ে ভারত বাংলাদেশে এক হাজার ৯৬ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে। এই পরিসংখ্যান দুই দেশের বাণিজ্যে ভারসাম্যহীনতার চিত্র তুলে ধরে।
চীনের পর ভারত বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম আমদানি উৎস। বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা শিল্পের কাঁচামাল, কাপড়, সুতা ও তুলাসহ বিভিন্ন পণ্য ভারত থেকে আমদানি করেন। এ পরিস্থিতিতে বাণিজ্য বাধা কমানো, পণ্য পরিবহন সহজ করা এবং রপ্তানি বাড়ানোর সুযোগ তৈরি করা দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হচ্ছে।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।