ইয়েমেনে এনআরএফের অভিযানে ১৪ হুথি যোদ্ধা নিহত, হোদেইদায় উত্তেজনা
হুথিদের ঘাঁটি ও স্থাপনা লক্ষ্য করে অভিযান, এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি গোষ্ঠীটি
- আপলোড সময় : ২৬-০৮-২০২৬ ১০:১৩:৩৪ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ২৬-০৮-২০২৬ ১০:১৩:৩৪ পূর্বাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ১২০ বার পঠিত
ছবি সংগৃহীত
ইয়েমেনের বন্দরনগরী হোদেইদায় সরকারি সশস্ত্র বাহিনী ন্যাশনাল রেজিস্ট্যান্স ফোর্সের অভিযানে ১৪ হুথি যোদ্ধা নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে এনআরএফ। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দেওয়া এক বিবৃতিতে বাহিনীটি জানায়, হোদেইদা শহরে হুথিদের ঘাঁটি ও বিভিন্ন স্থাপনা লক্ষ্য করে অভিযানটি চালানো হয়।
সরকারি বাহিনীর এ অভিযানের বিষয়ে হুথি বিদ্রোহী গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
এনআরএফের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো হুথিদের নিয়ন্ত্রণ থেকে পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে মঙ্গলবার হোদেইদায় প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেয় ইয়েমেনের প্রেসিডেন্সিয়াল লিডারশিপ কাউন্সিল। সেই নির্দেশের ভিত্তিতেই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
ইয়েমেনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সাবার তথ্য অনুযায়ী, সম্প্রতি সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে অনুষ্ঠিত একটি পরিষদ সভায় হোদেইদায় অভিযান পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ওই বৈঠকে প্রেসিডেন্সিয়াল লিডারশিপ কাউন্সিল এবং সৌদি সামরিক জোটের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
অভিযানের পর প্রেসিডেন্সিয়াল লিডারশিপ কাউন্সিলের এক বিবৃতিতে বলা হয়, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান পুনরুদ্ধার, পুরো জাতীয় ভূখণ্ডের ওপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা এবং ইরান সমর্থিত হুথি মিলিশিয়াদের কারণে সৃষ্ট মানবিক দুর্ভোগ অবসানের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
ইয়েমেনে ২০১৪ সালে গৃহযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ২০১৫ সালে হুথি গোষ্ঠী রাজধানী সানা দখল করে নেয়। এরপর তৎকালীন প্রেসিডেন্ট মনসুর আবদ আল হাদি সৌদি আরবে পালিয়ে যান। তার নেতৃত্বাধীন সরকারকে পুনর্বহাল করতে একই বছর ইয়েমেনে সামরিক অভিযান শুরু করে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট।
বর্তমানে ইয়েমেনের বিভিন্ন অঞ্চল হুথি গোষ্ঠী এবং সৌদি সমর্থিত প্রেসিডেন্সিয়াল লিডারশিপ কাউন্সিল সরকারের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। দীর্ঘদিনের সংঘাতের কারণে দেশটিতে মানবিক সংকটও অব্যাহত রয়েছে।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।