রবিবার (২৩ আগস্ট) গাজার জাওয়াইদা শহরের একটি আবাসিক ভবনে এবং নিকটবর্তী নুসেইরাত শরণার্থীশিবিরে ইসরায়েল এই বিমান হামলা চালায়। এতে চার বছরের শিশু মোহাম্মদ আবদেল-সালাম তাহাসহ বেশ কয়েকজন উড়ন্ত ধ্বংসাবশেষের আঘাতে গুরুতর আহত হন। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটির মৃত্যু হয়। ইসরায়েলি বাহিনী জানিয়েছে, ঘটনাগুলো তারা তদন্ত করে দেখছে। এর আগে দেইর আল-বালাহ শহরে হামাসের এক জ্যেষ্ঠ নেতাকে হত্যার কথাও দাবি করে ইসরায়েল।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় জানিয়েছে, গাজা থেকে ড্রোন, ঘুড়ি ও বেলুন পাঠানো বন্ধ না হলে সেখানে হামলা আরো বাড়ানো হবে এবং বেসামরিক নাগরিকদের সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হবে। এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে হামাস নেতা বাসেম নাইম জানান, শিশুরা স্রেফ ধ্বংসস্তূপের মধ্যে খেলার ছলে ঘুড়ি ওড়াচ্ছে।
এদিকে, যুদ্ধবিরতি চুক্তি থাকা সত্ত্বেও ইসরায়েলি হামলায় গাজায় নতুন করে ১২০০-র বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। পৃথক ঘটনায়, অধিকৃত পশ্চিম তীরে এক ইসরায়েলিকে ছুরিকাঘাতের জের ধরে চালানো অভিযানে ১৪ বছর বয়সী এক ফিলিস্তিনি কিশোরকে গুলি করে হত্যা করেছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী।