ঢাকা , সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬ , ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (হেমন্তকাল) , ২৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
রমজানে নিত্যপণ্যের এলসি খোলা সহজ করল বাংলাদেশ ব্যাংক নির্ভরযোগ্য তথ্য নিশ্চিতে পরিসংখ্যান ব্যবস্থায় সংস্কার বাংলাদেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্র হতে দেওয়া যাবে না: প্রধানমন্ত্রী তাহসিফের মৃত্যুতে রিমান্ডে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিলেন দিশা অতিরিক্ত বল প্রয়োগ না করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে সিনেটের নিয়ন্ত্রণ হারালো ট্রাম্পের রিপাবলিকান নিরাপত্তার কারণে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের প্রদর্শনী স্থগিত ২০২৬ সালে গতি পেয়েছে কোয়াড, এগিয়েছে তিন দেশের বৈঠক ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বেড়ে ২ হাজার ৬০ টাকা ২০২৭ সালে সরকারি ছুটি ২৯ দিন, সাধারণ ছুটি ১৫ দিন ছাদে সোলার প্যানেল বসালেই মিলবে কর ছাড় হাসিনার দেশত্যাগের ভিডিও ছড়ানোয় তাহসিফকে হত্যার সন্দেহ লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর রূপপুরের প্রথম ইউনিটে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডনের জামিন আবেদন ফের নাকচ কর্মকর্তাদের গাড়ির জ্বালানি বরাদ্দ কমাল ডিএসসিসি বিশ্ববাজারে পণ্যের দাম ২৩ শতাংশ বাড়ার পূর্বাভাস বিশ্বব্যাংকের তুরাগ নদে সাবেক বিমানবাহিনী কর্মকর্তা তাহসিফের লাশ উদ্ধার কুষ্টিয়ায় ছয় হত্যা মামলায় হানিফের মৃত্যুদণ্ড, তিনজনের আমৃত্যু কারাদণ্ড ৪৬ বছর পর ফিরছে গ্রাম সরকার, থাকছে ১৭ সদস্য

৪২ ঋণখেলাপীর অর্থ উদ্ধারে আন্তর্জাতিক ৮ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি

ঋণখেলাপি ও অর্থপাচার রোধে বাংলাদেশ ব্যাংকের বড় পদক্ষেপ

নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ১০-০৮-২০২৬ ১২:০০:৩২ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১০-০৮-২০২৬ ১২:০০:৩২ পূর্বাহ্ন
  • ২ মিনিট পড়ার সময়
  • ১৮৫ বার পঠিত
৪২ ঋণখেলাপীর অর্থ উদ্ধারে আন্তর্জাতিক ৮ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি ছবি: সংগৃহীত

ব্যাংক ঋণ নিয়ে ২০০ কোটি টাকার বেশি খেলাপি হওয়া ৪২টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ‘অর্থপাচারের’ তদন্তে নেমেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

একই সঙ্গে এসব অর্থ ফেরানোর পদক্ষেপ নিতে আন্তর্জাতিক ৮ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠান বাছাই করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

রোববার কেন্দ্রীয় ব্যাংকে এক বৈঠকে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে এ নির্দেশনা দিয়ে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক ৮টি প্রতিষ্ঠান পাচার হওয়া অর্থ সংশ্লিষ্ট দেশে জব্দ ও পরে তা দেশে ফিরিয়ে আনতে কাজ করবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান এদিন ৩৮টি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এ নিয়ে বৈঠক করেন।

বৈঠক শেষে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান বলেছেন, প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শেষে আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে ব্যাংকগুলো চুক্তি করবে।

তিনি বলেন, “৪২টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে তদন্ত করা হবে। তারা প্রত্যেকেই ২০০ কোটি টাকার বেশি খেলাপি। অর্থপাচারেরও অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। এখন ব্যাংকগুলো আটটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করবে; সেই নির্দেশনা দিয়েছেন গভর্নর।’’

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বাছাই করা আট প্রতিষ্ঠান হল- গ্র্যান্ট থর্নটন, আরআই কনসোর্টিয়াম, বেকার ম্যাকেঞ্জি অ্যান্ড পিডব্লিউসি, বিসিজি অ্যান্ড এইচএইচআর, ইওয়াই অ্যান্ড ডেন্টনস, রহমান রাভেলি অ্যান্ড ইন্টারপাথ, ডিএলএ পাইপার অ্যান্ড ক্রোল ও অ্যানিমাস অ্যাসোসিয়েটস।

পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধারের পর সেখান থেকে একটি কমিশন পাবে এসব আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান। এর বাইরে কোনো প্রকার আর্থিক লেনদেন করতে পারবে না দেশীয় ব্যাংক।

বৈঠকে অংশ নেওয়া ব্যাংকাররা বলেছেন, বৈঠকে অংশ নেওয়া ৩৮টি ব্যাংক এ চুক্তি করবে। অর্থপাচারের প্রতিটি ঘটনার সঙ্গে একাধিক ব্যাংক সংশ্লিষ্ট থাকলে যে ব্যাংকের ঋণের পরিমাণ বেশি সেটি অন্যান্য ব্যাংকের পক্ষে লিড ব্যাংক হিসেবে মামলা ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করবে। অন্য ব্যাংকগুলো একই ঘটনায় লিড ব্যাংককে সহযোগিতা করবে। এভাবে প্রতিটি খেলাপি গ্রাহকের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে সভায়।

পাচার হওয়া অর্থের তথ্য সংগ্রহ ও তদন্ত কাজে বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে রাষ্ট্রের অন্যান্য সংস্থা হিসেবে অ্যাটর্নি জেনারেল দপ্তর, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল (সিআইসি) কাজ করছে।

এর আগে চব্বিশের আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার ১০টি শিল্প গ্রুপ এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যদের অর্থপাচারের ঘটনার তদন্তে নামে বাংলাদেশ ব্যাংক ও আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা পরিচিত বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টিলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)।

সেসময় আর্থিক খাতের সংস্কারের আওতায় অর্থপাচারের ঘটনা উদঘাটন ও পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনতে নানা তৎপরতাও শুরু হয়।

সেই ধারবাহিকতায় বাংলাদেশ থেকে পাচার হওয়া অর্থের অনুসন্ধানে দায়ের করা ৯৮টি মামলায় দেশে-বিদেশে মোট ৭৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ অবরুদ্ধ করা হয়েছে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।