লেবাননে সংঘর্ষে নিহত ২ ইসরায়েলি সেনা
দক্ষিণ লেবাননে সংঘর্ষে দুই ইসরায়েলি সেনা নিহত ও চারজন আহত; একই সময়ে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মজুত কমে যাওয়ার তথ্য সামনে এসেছে।
- আপলোড সময় : ০৬-০৮-২০২৬ ০৩:৩৮:৫২ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ০৬-০৮-২০২৬ ০৩:৩৮:৫২ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ১১৫ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েলি বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে দুই রিজার্ভ সেনা নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। একই ঘটনায় আরও চার সেনা গুরুতর আহত হয়েছেন। এদিকে, ইরানকে ঘিরে চলমান উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মজুত কমে যাওয়ার তথ্যও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, নিহত দুই সেনা লেবাননের মাজদাল জৌন এলাকায় সম্মুখযুদ্ধের সময় প্রাণ হারান। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর দাবি, একটি বিস্ফোরণে তারা নিহত হন। আহত চার সেনাকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সেনাদের নিহত হওয়ার পর দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় ইসরায়েলি বাহিনী ধারাবাহিক হামলা চালায়। এসব হামলায় অন্তত একজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তবে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
অন্যদিকে, মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের সঙ্গে সামরিক সংঘাত চলাকালে যুক্তরাষ্ট্র তাদের থাড (THAAD) অ্যান্টি-ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার যুদ্ধপূর্ব মজুতের প্রায় ৮০ শতাংশ এবং প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টরের প্রায় ৫০ শতাংশ ব্যবহার করেছে।
এর আগে সিএনএন জানিয়েছিল, সংঘাতের প্রাথমিক পর্যায়েই যুক্তরাষ্ট্র তাদের টমাহক ক্ষেপণাস্ত্রের প্রায় ৩০ শতাংশ ব্যবহার করে। একাধিক সূত্রের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রতিরক্ষা গোলাবারুদের সীমিত মজুতই ছিল এমন একটি কারণ, যার ভিত্তিতে উপদেষ্টারা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ইরানের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত বৃহৎ সামরিক অভিযান স্থগিত রাখার পরামর্শ দেন।
তবে হোয়াইট হাউস এই ব্যাখ্যার সঙ্গে একমত নয়। তাদের দাবি, সৌদি আরবসহ উপসাগরীয় কয়েকটি দেশের কূটনৈতিক চাপের কারণেই হামলা স্থগিত করা হয়েছিল।
সিএনএনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র অ্যানা কেলি বলেন, প্রেসিডেন্টের কৌশলগত সব লক্ষ্য পূরণে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পর্যাপ্তের চেয়েও বেশি গোলাবারুদ রয়েছে। তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতের প্রয়োজন বিবেচনায় দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্পের মাধ্যমে অস্ত্র উৎপাদন আরও বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।