বাড়ির বারান্দা বা ছাদে টবে গাছ লাগানোর প্রবণতা দেখা যায় অনেকের মধ্যেই। অনেকেই গাছের পরিচর্যায় রাসায়নিক সারের পরিবর্তে ঘরোয়া ও জৈব উপকরণ ব্যবহার করতে আগ্রহী। রান্নাঘরে প্রতিদিন যে সবজির খোসা ফেলে দেওয়া হয়, সেগুলোর কিছু অংশ সঠিকভাবে ব্যবহার করলে টবের মাটির জৈব উপাদান বাড়াতে সহায়ক হতে পারে।
সবজির খোসায় বিভিন্ন ধরনের জৈব উপাদান থাকে। এগুলো সরাসরি উদ্ভিদের জন্য দ্রুত কার্যকর সার না হলেও সময়ের সঙ্গে পচে মাটিতে জৈব পদার্থ যোগ করতে পারে। জৈব পদার্থ মাটির গঠন উন্নত করতে এবং আর্দ্রতা ধরে রাখতে সহায়তা করে।
তবে সবজির খোসা সরাসরি টবের ওপরে ফেলে রাখলে দুর্গন্ধ সৃষ্টি হতে পারে এবং মাছি বা অন্যান্য পোকামাকড় আকৃষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই খোসাগুলো ছোট ছোট টুকরো করে কেটে মাটির নিচে পুঁতে দেওয়া বা আগে কম্পোস্ট তৈরি করে ব্যবহার করা বেশি উপযোগী।
আলুর খোসা, গাজরের খোসা, লাউ, কুমড়া, শসা বা অন্যান্য সবজির খোসা কম্পোস্ট তৈরিতে ব্যবহার করা যেতে পারে। এগুলো ধীরে ধীরে পচে জৈব সার তৈরিতে ভূমিকা রাখে।
তবে সুস্থ গাছের জন্য শুধু জৈব বর্জ্যের ওপর নির্ভর না করে প্রয়োজন অনুযায়ী পুষ্টি নিশ্চিত করার জন্য অন্যান্য যত্নও গুরুত্বপূর্ণ। গাছের ধরন অনুযায়ী পানি, আলো এবং উপযুক্ত মাটির ব্যবস্থাও সমানভাবে প্রয়োজন।
রান্নাঘরের সবজির খোসা পুনর্ব্যবহার করলে একদিকে যেমন জৈব বর্জ্য কমানো সম্ভব, অন্যদিকে তা পরিবেশবান্ধব বাগান পরিচর্যার অংশ হিসেবেও ভূমিকা রাখতে পারে।
ডেস্ক রিপোর্ট