ট্রাম্পের ‘যুগান্তকারী সাফল্য’ ঘোষণার মধ্যেই গাজায় ইসরায়েলি হামলা, ন
কূটনৈতিক অগ্রগতির দাবির মধ্যেও নতুন হামলায় বাড়ছে গাজা সংকট নিয়ে উদ্বেগ।
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ০২-০৮-২০২৬ ১১:৩৫:৪১ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ০২-০৮-২০২৬ ১১:৩৫:৪১ পূর্বাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ১০১ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজা যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নে ‘যুগান্তকারী সাফল্য’ অর্জনের দাবি করার পরও ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডটিতে ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত রয়েছে। টানা দ্বিতীয় দিনের এসব হামলায় অন্তত চার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৩
রবিবার (২ আগস্ট) রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের বরাতে রয়টার্স জানায়, গাজা সিটি ও মধ্য গাজার দেইর আল-বালাহতে পৃথক বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান।
চিকিৎসকরা জানান, দেইর আল-বালাহতে একটি অ্যাপার্টমেন্টে বিমান হামলায় এক দম্পতি নিহত এবং চারজন আহত হয়েছেন। অন্যদিকে, গাজা সিটির একটি অ্যাপার্টমেন্টে হামলায় এক শিশুসহ আরও দুজন নিহত হয়েছেন।
এদিকে, গত বছরের গাজা যুদ্ধবিরতি চুক্তি বাস্তবায়নে যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত উদ্যোগের আওতায় হামাস নিরস্ত্রীকরণে সম্মত হয়েছে দাবি করে বৃহস্পতিবার ‘যুগান্তকারী সাফল্য’ ঘোষণা করেন ট্রাম্প। পরদিন শুক্রবার তার ‘বোর্ড অব পিস’ চুক্তি বাস্তবায়নের চূড়ান্ত ধাপ নিয়ে ১৫ দফার একটি রোডম্যাপ প্রকাশ করে।
তবে রোডম্যাপটি এখনো বাস্তবায়িত হয়নি। হামাসের দাবি, গত বছরের চুক্তি অনুযায়ী ইসরায়েল সামরিক অভিযান বন্ধ করে বাহিনী প্রত্যাহার করার পরই তারা অস্ত্র হস্তান্তরের বিষয়ে এগোবে।
অন্যদিকে, এক ইসরায়েলি কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেছেন, হামাস ‘প্রকৃত নিরস্ত্রীকরণে’ রাজি না হলে ইসরায়েলি বাহিনী তাদের বর্তমান অবস্থান থেকে প্রত্যাহার করবে না।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এ উদ্যোগ নিয়ে প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি। তবে দেশটির জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভির প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান করে হামাসের নেতাদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।
এদিকে, সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থানরত ফাতাহর সাবেক শীর্ষ কর্মকর্তা মোহাম্মদ দাহলান দাবি করেছেন, ট্রাম্পের জামাতা ও মার্কিন উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত জ্যারেড কুশনার তাকে বলেছেন, গাজায় হামলা বন্ধে ইসরায়েলি পক্ষের সঙ্গে কাজ করছেন তিনি।
দাহলান আরও বলেন, যুদ্ধবিরতি চুক্তি পুরোপুরি বাস্তবায়িত করতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। তবে এর সাফল্য অনেকাংশে গাজায় ইসরায়েলের প্রতিদিনের হামলা পুরোপুরি বন্ধ হওয়ার ওপর নির্ভর করছে।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।