শুক্রবার (৩১ জুলাই) স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় এ ভূমিকম্প আঘাত হানে বলে জানিয়েছে রয়টার্স। ভূমিকম্পের পর নেপলস ও উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। নিরাপত্তার জন্য অনেকেই ঘরবাড়ি ছেড়ে খোলা জায়গায় আশ্রয় নেন।
ইতালির ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব জিওফিজিক্স অ্যান্ড ভলক্যানোলজির ভিসুভিয়ান অবজারভেটরি জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল পোজ্জুওলির সলফাতারার কাছে বহুল আলোচিত ‘ক্যাম্পি ফ্লেগ্রেই’ এলাকায়। ভূমিকম্পটি ভূপৃষ্ঠের মাত্র ৩ কিলোমিটার গভীরে উৎপন্ন হওয়ায় এর কম্পন সরাসরি ও প্রবলভাবে অনুভূত হয়েছে।
ইতালির সিভিল প্রোটেকশন বিভাগ জানিয়েছে, সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে পোজ্জুওলি ও নেপলসের ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলো পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি কিছু এলাকায় সাময়িকভাবে ট্রেন ও স্থানীয় গণপরিবহন চলাচল বন্ধ রেখে রেললাইন ও অবকাঠামো পরীক্ষা করা হয়।
এদিকে, ভিসুভিয়ান অবজারভেটরির গবেষকরা এলাকাটিতে সার্বক্ষণিক নজরদারি অব্যাহত রেখেছেন। তারা স্থানীয় বাসিন্দাদের সম্ভাব্য আফটারশকের বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।
ডেস্ক রিপোর্ট