ভূমিকম্পের একদিন পর বুধবার রাজধানী টোকিওতে নিজের দপ্তরে তাকাইচি সাংবাদিকদের বলেন, “এমনকি এখনও সেখানে মানুষ উদ্ধারের অপেক্ষায় আছে আর এটি সময়ের বিরুদ্ধে একটি পাল্লা। যত বেশি সম্ভব মানুষকে বাঁচাতে ও উদ্ধার করতে আমরা মাঠ পর্যায়ে থাকা সব সম্পদ কাজে লাগাবো।”
রয়টার্স জানিয়েছে, ভূমিকম্পে ওই অঞ্চলের হাজার হাজার বাড়ি বিদ্যুৎবিহীন হয়ে পড়ে ও রাস্তাগুলো ফেটে যায়।
বুধবার ভোররাতে উদ্ধারকারীরা আংশিক ধসে পড়া একটি শপিং মলের ধ্বংসস্তূপ থেকে আটজনকে জীবিত অবস্থায় বের করে আনে। ভূমিকম্পের প্রায় ঘণ্টাখানেক পরে অজ্ঞাত উৎস থেকে ঘটা এক বিস্ফোরণে শপিং মলটির একটি অংশ ধসে পড়ে। এখানে বিশোধ্র্ব দুই নারী নিহত হয়।
স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, সম্ভাব্য গ্যাস বিস্ফোরণ এর কারণ কি না, কর্তৃপক্ষ তা তদন্ত করে দেখছে।
দমকলের জরুরি উদ্ধারকারী দলগুলো, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা শপিং মলটির সেইসব অংশের দিকে মনোযোগ দিচ্ছিল যেখান থেকে সাহায্য চেয়ে ফোন এসেছিল।
দুর্যোগের পুরো চিত্র এখনও অস্পষ্টই রয়ে গেছে।