বাজেট সংকোচন ও লাগাতার কর্মী ছাঁটাইয়ের জেরে মার্কিন গোয়েন্দা দপ্তর বর্তমানে এক কঠিন সময় পার করছে; আর ঠিক এমন সংকটময় মুহূর্তেই তিনি এর নেতৃত্ব গ্রহণ করলেন। তার পূর্বসূরি বিল পুলটে মাত্র ৪০ দিনের অন্তর্বর্তীকালীন দায়িত্বে ব্যাপক কর্মী ছাঁটাই করেছিলেন। এর আগে জুনে পদত্যাগ করেন তুলসি গ্যাবার্ড। বর্তমান ও সাবেক কর্মকর্তাদের ধারণা, ক্লেটন দপ্তরের পতন ঠেকানোর চেয়ে বরং চলমান সংকটেরই ব্যবস্থাপনা করবেন।
গত জুনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাকে এ পদে মনোনীত করলেও চূড়ান্ত নিয়োগ প্রক্রিয়া বেশ ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ ছিল। ১৫ জুলাইয়ের শুনানিতে ডেমোক্র্যাটরা ২০২০ সালের নির্বাচন ও ব্যালট জালিয়াতির ইস্যুতে তাকে তীব্র জেরার মুখে ফেলেন। তবে রিপাবলিকান নেতারা তাকে ‘যোগ্য ও প্রমাণিত নেতা’ হিসেবে সমর্থন জুগিয়েছেন।
জাতীয় নিরাপত্তায় নয়, বরং করপোরেট আইনেই নিজের ক্যারিয়ার গড়েছিলেন ১৯৬৬ সালে জন্ম নেওয়া এই কর্মকর্তা। পেন্সিলভেনিয়া ও কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চশিক্ষা শেষে তিনি দুই দশকের বেশি সময় ‘সুলিভান অ্যান্ড ক্রমওয়েল’ ল ফার্মে যুক্ত ছিলেন।
২০১৭ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত তিনি ট্রাম্প প্রশাসনে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এরপর ২০২৫ সালে নিউইয়র্কের সাউদার্ন ডিস্ট্রিক্টের মার্কিন অ্যাটর্নি হন তিনি। আর এবার সামলাবেন দেশের শীর্ষ গুপ্তচরের ভূমিকা।
ডেস্ক রিপোর্ট