সারজিস আলমের দাবি, হামলায় এনসিপির একাধিক নেতাকর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন। তার অভিযোগ, কারও হাত ভেঙেছে, কারও মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে। এছাড়া হামলাকারীরা ক্যামেরা ও মোবাইল ফোন নিয়ে গেছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন। তিনি আরও বলেন, একজন নেতাকর্মীর চোখে এবং আরেকজনের মুখে রড দিয়ে আঘাত করা হয়েছে, ফলে তারা গুরুতর আহত হয়েছেন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, আহতদের হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে নেওয়ার সময় হাসপাতালের সামনেও তাদের ওপর আবার হামলা চালানো হয়। তার ভাষ্য অনুযায়ী, সাত থেকে আটজন আহতকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা বাধা দেয় এবং তাদের ওপর রড ও ইট দিয়ে হামলা চালায়। এ সময় তিনি নিজেও আহত হয়েছেন বলে দাবি করেন।
পুলিশের ভূমিকা নিয়েও সমালোচনা করেন সারজিস আলম। তিনি বলেন, হামলার সময় পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। পাশাপাশি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদের উদ্দেশে প্রশ্ন তুলে তিনি অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক মতভিন্নতার কারণেই এনসিপির নেতাকর্মীদের ওপর এ ধরনের হামলা চালানো হয়েছে।
হামলার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করে সারজিস আলম বলেন, বিচার না হওয়া পর্যন্ত তারা হবিগঞ্জ ছেড়ে যাবেন না। প্রয়োজন হলে জীবন দিয়েও এ ঘটনার বিচার নিশ্চিত করার চেষ্টা চালিয়ে যাবেন বলে তিনি ঘোষণা দেন।
ডেস্ক রিপোর্ট