ঢাকা , সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬ , ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (হেমন্তকাল) , ১৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ইউনিয়ন পরিষদ পুনর্গঠন ও বিভক্তকরণ সাংবাদিকদের নিয়ে মন্তব্য, এনায়েতুল্লাহ আব্বাসীকে আইনি নোটিশ শুধু আইনে সড়ক নিরাপদ হবে না, প্রয়োজন কার্যকর প্রয়োগ: ইলিয়াস কাঞ্চন টঙ্গীতে ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ, শিক্ষক গ্রেপ্তার দিল্লি এড়িয়ে রুবিওর ভারত সফর, বদলাচ্ছে সম্পর্কের সমীকরণ ৯৭ শতাংশ কাজ শেষ, তবু বাতিল বিআরটি প্রকল্প রাজধানীর যানজট নিরসনে সরকারের চার বড় উদ্যোগ ইউনিসেফের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ সরকার লাওসে চীনের নতুন সামরিক ঘাঁটি, বাড়ছে আঞ্চলিক উদ্বেগ সোনা-হীরা চোরাচালান মামলায় দিলীপ আগরওয়ালার এক দিনের রিমান্ড হাইকোর্টে অগ্নিনিরাপত্তা প্রশিক্ষণ ও উদ্ধার মহড়া বাংলাদেশে ভয়াবহ হামের প্রাদুর্ভাব, বিশ্বের জন্য সতর্কবার্তা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: দেশের অগ্রগতির মূল চালিকাশক্তি যুবসমাজ ডেঙ্গু প্রতিরোধে শিক্ষার্থীদের এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর নভেম্বরের মধ্যে রূপপুর থেকে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে মক্কায় মসজিদের ভেতরে ‘অনৈতিক কাজ’ করার দায়ে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড মাদক, কিশোর গ্যাং ও র‍্যাগ ডে রোধে মাউশির নির্দেশ হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা সর্বকালের রেকর্ড ছাড়িয়েছে চুয়েটে ৩০ ঘণ্টা পর অবরুদ্ধ উপাচার্যকে উদ্ধার, ক্যাম্পাসে না আসার শর্তে রেলখাতের উন্নয়নে ৮০টি নতুন ইঞ্জিন আমদানির উদ্যোগ: রেলমন্ত্রী

আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রে ইউনিট বন্ধ, বেড়েছে দেশের লোডশেডিং

কারিগরি ত্রুটিতে উৎপাদন নেমেছে ৭৫০ মেগাওয়াটের নিচে, গ্যাস ও কয়লা সংকটেও ব্যাহত বিদ্যুৎ উৎপাদন

নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ১১-০৯-২০২৬ ০৩:২৯:৪৭ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১১-০৯-২০২৬ ০৩:২৯:৪৭ অপরাহ্ন
  • ৩ মিনিট পড়ার সময়
  • ৯৭ বার পঠিত
আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রে ইউনিট বন্ধ, বেড়েছে দেশের লোডশেডিং ছবি: সংগৃহীত

আদানির ঝাড়খন্ড বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট কারিগরি ত্রুটির কারণে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দেশে বিদ্যুৎ সরবরাহে ঘাটতি আরও বেড়েছে। এতে লোডশেডিংয়ের মাত্রাও বেড়েছে। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাতে বিদ্যুৎকেন্দ্রটির একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে যায় বলে জানিয়েছে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) ও পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি সংশ্লিষ্ট সূত্র।
 

কয়লা সরবরাহ সংকটের কারণে গত এক মাস ধরে কেন্দ্রটি সীমিত পরিসরে বিদ্যুৎ উৎপাদন করছিল। সম্প্রতি কয়লা সরবরাহ কিছুটা বাড়ায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর উৎপাদনও বাড়তে শুরু করে। রাত ১২টার দিকে কারিগরি ত্রুটির কারণে একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি আবারও খারাপ হয়েছে।
 

পিডিবি ও পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি সূত্র জানায়, ঝড়ের কারণে কয়লা সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় গত ৭ আগস্ট থেকে আদানি বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন কমে যায়। গত মাসের শেষ দিকে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলে দিনের বেলায় কেন্দ্রটি প্রায় ৯০০ মেগাওয়াট এবং সন্ধ্যা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত সর্বোচ্চ ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ করছিল।
 

বৃহস্পতিবার রাতে কেন্দ্রটির উৎপাদন ১ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট ছাড়িয়ে যায়। কিন্তু একটি ইউনিট বন্ধ হওয়ার পর উৎপাদন ৭৫০ মেগাওয়াটের নিচে নেমে এসেছে।
 

ভারতের ঝাড়খন্ড রাজ্যে অবস্থিত আদানির কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটির মোট উৎপাদন সক্ষমতা ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট। ২০১৭ সালে কেন্দ্রটি থেকে বিদ্যুৎ কেনার জন্য আদানি গ্রুপের সঙ্গে চুক্তি করে পিডিবি। কেন্দ্রটিতে ৮০০ মেগাওয়াট করে উৎপাদন সক্ষমতার দুটি ইউনিট রয়েছে। চাহিদার সময় এখান থেকে দেড় হাজার মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ সরবরাহের নজিরও রয়েছে।
 

কেন্দ্রটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দুজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, বয়লারে সমস্যা দেখা দেওয়ায় একটি ইউনিট বন্ধ হয়েছে। বয়লার ঠান্ডা হতে প্রায় ৪৮ ঘণ্টা সময় লাগতে পারে। এরপর ত্রুটি শনাক্ত করে মেরামতের কাজ শুরু হবে। ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন আগের পর্যায়ে ফিরতে আরও কয়েক দিন সময় লাগতে পারে।
 

পিডিবি সূত্র বলছে, দেশে দুই মাসের বেশি সময় ধরে গ্যাসের সংকট তীব্র হওয়ায় গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনও কমেছে। এ কারণে গ্যাস থেকে প্রায় ১ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন ঘাটতি তৈরি হয়েছে।
 

একই সময়ে কয়লাভিত্তিক কেন্দ্রগুলোও পূর্ণ সক্ষমতায় চালানো যাচ্ছে না। কোথাও কয়লার ঘাটতি, আবার কোথাও কারিগরি সমস্যার কারণে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। পটুয়াখালীর পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিটও কিছুদিন ধরে কারিগরি ত্রুটির কারণে বন্ধ রয়েছে। একই জেলার আরেকটি বিদ্যুৎকেন্দ্রে কয়লা সরবরাহের ঘাটতি রয়েছে।
 

সূত্রের দাবি, বাগেরহাটের রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রেও কয়লার সংকটের কারণে উৎপাদন কমেছে।
 

বিদ্যুৎ উৎপাদনের ঘাটতি সামাল দিতে জ্বালানি তেলভিত্তিক কেন্দ্রগুলোর উৎপাদন বাড়ানোর চেষ্টা করা হলেও তাতে পুরো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা যাচ্ছে না। বিশেষ করে তাপমাত্রা বাড়লে বিদ্যুতের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় লোডশেডিংও বাড়ছে।
 

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার দেশে সর্বোচ্চ লোডশেডিং হয়েছে বেলা ৩টার দিকে। ওই সময় ঘাটতির পরিমাণ ছিল ৩ হাজার ৫৫৭ মেগাওয়াট। শুক্রবার ছুটির দিন সকালেও সারাদেশে ২ হাজার ৫০০ মেগাওয়াটের বেশি লোডশেডিং হচ্ছে বলে জানা গেছে।

 


নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১৮

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।