ঢাকা , রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ২২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (শরৎকাল) , ২৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
গাজায় ধ্বংসস্তূপ থেকে ১০০ ফিলিস্তিনির মরদেহ উদ্ধার রোহিঙ্গা সংকট এখন আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্যও হুমকি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মালয়েশিয়ার সারাওয়াকে বিপজ্জনক ধোঁয়াশায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা ব্যাংক রেজল্যুশন আইনের বিতর্কিত ধারা বাতিলের সুপারিশ বিদ্যুৎ পরিস্থিতি সামাল দিতে না পেরে মন্ত্রী আইসিইউতে : আসিফ মাহমুদ আফগানিস্তানে এতিম, বিধবার মাঝে সাড়ে ১২ বিলিয়ন আফগানি বিতরণ কারাগারে বন্দিদের জন্য আসছে ভিডিও কলে কথা বলার সুযোগ প্রশান্ত মহাসাগরীয় ফোরামে চীনের কূটনীতির নিন্দা তাইওয়ানের শাহজালালে কর্মীদের বিরুদ্ধে যাত্রী হয়রানি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ কিনেমাস্টার বাংলাদেশিদের জন্য ওয়াটারমার্ক ছাড়া ব্যবহারের সুযোগ রূপপুর থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ যুক্ত করতে ভারনোভার চুক্তি ভারত-ইরান বাণিজ্য চুক্তির গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের হুঁশিয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংকের যুগ্ম পরিচালক ছায়েদুর রহমানের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার গ্রেপ্তারের ক্ষমতা পাচ্ছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের সড়ক নির্মাণকাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ হাইকোর্টের জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় নতুন ভাসমান এলএনজি স্থাপন: প্রধানমন্ত্রী কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থানের জন্য প্রশিক্ষণের পরিকল্পনা ঢাকা–আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের সেতু যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত আসিফ মাহমুদসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান শুরু তারেক রহমানের সঙ্গে শিগগিরই সাক্ষাতের আশা প্রকাশ ট্রাম্পের

বাংলাদেশে সম্প্রসারিত হচ্ছে ড্রাগন ফলের চাষ, বেড়েছে কৃষকদের আগ্রহ

দেশের বিভিন্ন জেলায় বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদিত হচ্ছে জনপ্রিয় এই ফল
নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ২৩-০৭-২০২৬ ০৫:১৪:৪৮ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৩-০৭-২০২৬ ০৫:১৪:৪৮ অপরাহ্ন
  • ২ মিনিট পড়ার সময়
  • ১০৮ বার পঠিত
বাংলাদেশে সম্প্রসারিত হচ্ছে ড্রাগন ফলের চাষ, বেড়েছে কৃষকদের আগ্রহ প্রতীকী ছবি- ( সংগৃহীত)

বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ড্রাগন ফলের চাষ আগের তুলনায় বেড়েছে। একসময় বিদেশি ফল হিসেবে পরিচিত এই ফল বর্তমানে দেশের নানা জেলায় বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদিত হচ্ছে। বাজারে চাহিদা বৃদ্ধি, কৃষকদের আগ্রহ এবং আধুনিক ফলচাষের প্রসারের ফলে ড্রাগন ফল দেশের কৃষি খাতে একটি সম্ভাবনাময় ফসল হিসেবে পরিচিতি পাচ্ছে।

ড্রাগন ফল একটি ক্যাকটাসজাতীয় উদ্ভিদ, যা উষ্ণ ও উপউষ্ণ আবহাওয়ায় ভালো জন্মে। বাংলাদেশের জলবায়ু এ ফল চাষের জন্য উপযোগী হওয়ায় রাজশাহী, নাটোরসহ বিভিন্ন জেলায় এর আবাদ বৃদ্ধি পেয়েছে। অনেক কৃষক প্রচলিত ফসলের পাশাপাশি ড্রাগন ফলের বাগান গড়ে তুলেছেন।

ড্রাগন ফলের প্রতি ভোক্তাদের আগ্রহ বাড়ার অন্যতম কারণ এর পুষ্টিগুণ। এতে খাদ্যআঁশ, ভিটামিন সি এবং বিভিন্ন ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান রয়েছে। ফলে স্বাস্থ্যসচেতন মানুষের মধ্যে ফলটির জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং বাজারেও এর চাহিদা তৈরি হয়েছে।

ড্রাগন ফল চাষে সফলতা অর্জনের জন্য কৃষকদের যথাযথ প্রশিক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গাছের চারা নির্বাচন, মাচা তৈরি, সেচ ব্যবস্থাপনা, ছাঁটাই, সার প্রয়োগ এবং রোগবালাই নিয়ন্ত্রণ সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান থাকলে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পায়। প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কৃষকরা তুলনামূলক ভালো ফলন অর্জন করতে সক্ষম হবেন বলে আশা করা যায়।

মাঠপর্যায়ে কৃষি প্রশিক্ষণ কার্যক্রম আরও জোরদার করা গেলে নতুন উদ্যোক্তারা সহজেই ড্রাগন ফল চাষে যুক্ত হতে পারবেন। এতে চাষাবাদের ভুল কমবে, উৎপাদন ব্যয় নিয়ন্ত্রণে থাকবে এবং ফলের গুণগত মান উন্নত হবে। কৃষি সম্প্রসারণ কার্যক্রমের মাধ্যমে আধুনিক প্রযুক্তি ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি সম্পর্কে কৃষকদের সচেতন করাও গুরুত্বপূর্ণ।

উচ্চমূল্যের ফল হিসেবে ড্রাগন ফল কৃষকদের আয় বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখতে পারে। দেশে উৎপাদন বৃদ্ধি পেলে বিদেশ থেকে আমদানির ওপর নির্ভরতা কমতে পারে, যা বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ে সহায়ক হতে পারে। একই সঙ্গে ফল উৎপাদন, পরিবহন, সংরক্ষণ এবং বিপণনের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন খাতে কর্মসংস্থানের সুযোগও সৃষ্টি হতে পারে।

ড্রাগন ফলের বাণিজ্যিক চাষ সম্প্রসারিত হলে গ্রামীণ অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। কৃষকদের আয় বৃদ্ধি পেলে স্থানীয় ব্যবসা বাণিজ্য, কৃষি উপকরণ বিক্রি এবং অন্যান্য সেবাখাতেও অর্থনৈতিক কার্যক্রম বাড়ার সম্ভাবনা থাকে। ফলে কৃষিভিত্তিক অঞ্চলে অর্থের প্রবাহ বৃদ্ধি পেতে পারে।

ফলচাষের বহুমুখীকরণ দেশের কৃষি খাতকে আরও শক্তিশালী করতে পারে। ধান ও অন্যান্য প্রচলিত ফসলের পাশাপাশি উচ্চমূল্যের ফল উৎপাদন কৃষকদের জন্য বিকল্প আয়ের উৎস তৈরি করে। এর মাধ্যমে কৃষি খাতে ঝুঁকি কমানো এবং আয় বৈচিত্র্যকরণও সম্ভব হয়।

কৃষকদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ, উন্নত চারা সরবরাহ এবং কারিগরি সহায়তা নিশ্চিত করা গেলে ভবিষ্যতে বাংলাদেশে ড্রাগন ফলের উৎপাদন আরও বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি এটি কৃষকদের আয় বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং গ্রামীণ অর্থনীতির বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হবে।


নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১২

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।