ঢাকা , বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬ , ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (হেমন্তকাল) , ১০ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
ইউনিসেফের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ সরকার লাওসে চীনের নতুন সামরিক ঘাঁটি, বাড়ছে আঞ্চলিক উদ্বেগ সোনা-হীরা চোরাচালান মামলায় দিলীপ আগরওয়ালার এক দিনের রিমান্ড হাইকোর্টে অগ্নিনিরাপত্তা প্রশিক্ষণ ও উদ্ধার মহড়া বাংলাদেশে ভয়াবহ হামের প্রাদুর্ভাব, বিশ্বের জন্য সতর্কবার্তা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: দেশের অগ্রগতির মূল চালিকাশক্তি যুবসমাজ ডেঙ্গু প্রতিরোধে শিক্ষার্থীদের এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর নভেম্বরের মধ্যে রূপপুর থেকে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে মক্কায় মসজিদের ভেতরে ‘অনৈতিক কাজ’ করার দায়ে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড মাদক, কিশোর গ্যাং ও র‍্যাগ ডে রোধে মাউশির নির্দেশ হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা সর্বকালের রেকর্ড ছাড়িয়েছে চুয়েটে ৩০ ঘণ্টা পর অবরুদ্ধ উপাচার্যকে উদ্ধার, ক্যাম্পাসে না আসার শর্তে রেলখাতের উন্নয়নে ৮০টি নতুন ইঞ্জিন আমদানির উদ্যোগ: রেলমন্ত্রী কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আরও ৩৫৩ জন আটক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রস্তুতি শেষে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সুপারিশ তৃতীয় টার্মিনালের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে প্রস্তাব ৪ বিদেশি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ভারত বাণিজ্য বৈঠক শেষ আজ, আলোচনায় শুল্ক ও বাণিজ্য ঘাটতি রূপপুর পারমাণবিক কেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে নিয়ন্ত্রিত বিক্রিয়া শুরু বিমানের বহরে যুক্ত হচ্ছে এয়ারবাসের ১০ উড়োজাহাজ এশিয়ার বাজারগুলোতে বাড়ছে বাংলাদেশের রপ্তানি

বাংলাদেশে সম্প্রসারিত হচ্ছে ড্রাগন ফলের চাষ, বেড়েছে কৃষকদের আগ্রহ

দেশের বিভিন্ন জেলায় বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদিত হচ্ছে জনপ্রিয় এই ফল

নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ২৩-০৭-২০২৬ ০৫:১৪:৪৮ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৩-০৭-২০২৬ ০৫:১৪:৪৮ অপরাহ্ন
  • ২ মিনিট পড়ার সময়
  • ১৪৫ বার পঠিত
বাংলাদেশে সম্প্রসারিত হচ্ছে ড্রাগন ফলের চাষ, বেড়েছে কৃষকদের আগ্রহ প্রতীকী ছবি- ( সংগৃহীত)

বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ড্রাগন ফলের চাষ আগের তুলনায় বেড়েছে। একসময় বিদেশি ফল হিসেবে পরিচিত এই ফল বর্তমানে দেশের নানা জেলায় বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদিত হচ্ছে। বাজারে চাহিদা বৃদ্ধি, কৃষকদের আগ্রহ এবং আধুনিক ফলচাষের প্রসারের ফলে ড্রাগন ফল দেশের কৃষি খাতে একটি সম্ভাবনাময় ফসল হিসেবে পরিচিতি পাচ্ছে।

ড্রাগন ফল একটি ক্যাকটাসজাতীয় উদ্ভিদ, যা উষ্ণ ও উপউষ্ণ আবহাওয়ায় ভালো জন্মে। বাংলাদেশের জলবায়ু এ ফল চাষের জন্য উপযোগী হওয়ায় রাজশাহী, নাটোরসহ বিভিন্ন জেলায় এর আবাদ বৃদ্ধি পেয়েছে। অনেক কৃষক প্রচলিত ফসলের পাশাপাশি ড্রাগন ফলের বাগান গড়ে তুলেছেন।

ড্রাগন ফলের প্রতি ভোক্তাদের আগ্রহ বাড়ার অন্যতম কারণ এর পুষ্টিগুণ। এতে খাদ্যআঁশ, ভিটামিন সি এবং বিভিন্ন ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান রয়েছে। ফলে স্বাস্থ্যসচেতন মানুষের মধ্যে ফলটির জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং বাজারেও এর চাহিদা তৈরি হয়েছে।

ড্রাগন ফল চাষে সফলতা অর্জনের জন্য কৃষকদের যথাযথ প্রশিক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গাছের চারা নির্বাচন, মাচা তৈরি, সেচ ব্যবস্থাপনা, ছাঁটাই, সার প্রয়োগ এবং রোগবালাই নিয়ন্ত্রণ সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান থাকলে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পায়। প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কৃষকরা তুলনামূলক ভালো ফলন অর্জন করতে সক্ষম হবেন বলে আশা করা যায়।

মাঠপর্যায়ে কৃষি প্রশিক্ষণ কার্যক্রম আরও জোরদার করা গেলে নতুন উদ্যোক্তারা সহজেই ড্রাগন ফল চাষে যুক্ত হতে পারবেন। এতে চাষাবাদের ভুল কমবে, উৎপাদন ব্যয় নিয়ন্ত্রণে থাকবে এবং ফলের গুণগত মান উন্নত হবে। কৃষি সম্প্রসারণ কার্যক্রমের মাধ্যমে আধুনিক প্রযুক্তি ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি সম্পর্কে কৃষকদের সচেতন করাও গুরুত্বপূর্ণ।

উচ্চমূল্যের ফল হিসেবে ড্রাগন ফল কৃষকদের আয় বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখতে পারে। দেশে উৎপাদন বৃদ্ধি পেলে বিদেশ থেকে আমদানির ওপর নির্ভরতা কমতে পারে, যা বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ে সহায়ক হতে পারে। একই সঙ্গে ফল উৎপাদন, পরিবহন, সংরক্ষণ এবং বিপণনের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন খাতে কর্মসংস্থানের সুযোগও সৃষ্টি হতে পারে।

ড্রাগন ফলের বাণিজ্যিক চাষ সম্প্রসারিত হলে গ্রামীণ অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। কৃষকদের আয় বৃদ্ধি পেলে স্থানীয় ব্যবসা বাণিজ্য, কৃষি উপকরণ বিক্রি এবং অন্যান্য সেবাখাতেও অর্থনৈতিক কার্যক্রম বাড়ার সম্ভাবনা থাকে। ফলে কৃষিভিত্তিক অঞ্চলে অর্থের প্রবাহ বৃদ্ধি পেতে পারে।

ফলচাষের বহুমুখীকরণ দেশের কৃষি খাতকে আরও শক্তিশালী করতে পারে। ধান ও অন্যান্য প্রচলিত ফসলের পাশাপাশি উচ্চমূল্যের ফল উৎপাদন কৃষকদের জন্য বিকল্প আয়ের উৎস তৈরি করে। এর মাধ্যমে কৃষি খাতে ঝুঁকি কমানো এবং আয় বৈচিত্র্যকরণও সম্ভব হয়।

কৃষকদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ, উন্নত চারা সরবরাহ এবং কারিগরি সহায়তা নিশ্চিত করা গেলে ভবিষ্যতে বাংলাদেশে ড্রাগন ফলের উৎপাদন আরও বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি এটি কৃষকদের আয় বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং গ্রামীণ অর্থনীতির বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হবে।


নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১২

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।