শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে-স্কেলের ভাবনা, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী
১১ বছর পর নতুন পে-স্কেল হলেও মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সমন্বয় হয়নি, ভবিষ্যতে বিচার বিভাগের মতো আলাদা বেতন কাঠামোর ইঙ্গিত
- আপলোড সময় : ০৬-০৯-২০২৬ ০৩:৫১:৫৩ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ০৬-০৯-২০২৬ ০৩:৫১:৫৩ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ১২৩ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
ভবিষ্যতে বিচার বিভাগের মতো শিক্ষকদের জন্যও পৃথক পে-স্কেল চালুর বিষয়ে সরকার চিন্তাভাবনা করছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, ১১ বছর পর নতুন পে-স্কেল হতে যাচ্ছে, তবে এতে মূল্যস্ফীতির সঙ্গে যথাযথ সমন্বয় হয়নি। বিষয়টি নিয়ে মন্ত্রিসভায়ও আলোচনা হয়েছে।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত প্রথম স্টিয়ারিং কমিটির সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী।
ড. মিলন বলেন, দীর্ঘ ১১ বছর পর পে-স্কেল কার্যকর হতে যাচ্ছে। তবে বর্তমান বেতন কাঠামোতে মূল্যস্ফীতির বিষয়টি প্রত্যাশিতভাবে সমন্বয় করা হয়নি। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপলব্ধি রয়েছে এবং মন্ত্রিসভার বৈঠকেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানান তিনি।
শিক্ষকদের জন্য আলাদা পে-স্কেলের পরিকল্পনার বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিচার বিভাগের মতো শিক্ষকদের জন্যও পৃথক বেতন কাঠামো নিয়ে ভবিষ্যতে চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। তবে স্বল্প সময়ের মধ্যে এত বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব নয়। ধীরে ধীরে সরকার এ বিষয়ে এগোতে চায় বলেও জানান তিনি।
শিক্ষকদের অবসর ভাতা ও কল্যাণ ট্রাস্টের বিষয়েও কথা বলেন মন্ত্রী। তাঁর দাবি, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে এ ক্ষেত্রে ইতোমধ্যে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ২০২৬ সালের ৮ আগস্ট পর্যন্ত ২০২১ সাল থেকে শিক্ষকদের বকেয়া নিজ কন্ট্রিবিউশনের অংশ পরিশোধ করা হয়েছে। সরকারের পক্ষের বাকি অর্থ সমন্বয়ের মাধ্যমে দেওয়ার প্রক্রিয়াও এগিয়ে চলছে বলে জানান তিনি।
মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, আগামী বাজেটগুলোর মাধ্যমে শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের আর্থিক সমস্যার সমাধান করা সম্ভব হবে।
এদিকে আগামী ৫ অক্টোবর শিক্ষক দিবস উপলক্ষে ১০০ জন শিক্ষককে সম্মাননা দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। নির্বাচিত প্রত্যেক শিক্ষককে এক লাখ টাকা করে মোট এক কোটি টাকা অনুদান দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে। ভালো কাজের স্বীকৃতি ও শিক্ষকদের উৎসাহিত করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগের সরকারের সময়ে ১২ জন শিক্ষককে দুই লাখ টাকা করে মোট ২৪ লাখ টাকা দেওয়া হতো। এবার শিক্ষকদের মর্যাদা, সহযোগিতা ও কাজের স্বীকৃতিকে আরও গুরুত্ব দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে একটি নীতিমালা চূড়ান্ত করা হবে।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।