জর্ডানে মার্কিন সামরিক বিমানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি আইআরজিসির
জর্ডানে মার্কিন সামরিক স্থাপনায় হামলার দাবি, উত্তেজনা বাড়ছে মধ্যপ্রাচ্যে
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ২০-০৭-২০২৬ ০৯:৪৫:৫১ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ২০-০৭-২০২৬ ১০:৪৭:০৭ পূর্বাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ১২২ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
জর্ডানের আকাবা বিমানবন্দরে অবস্থানরত মার্কিন সামরিক বিমানে ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতির দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। তবে এ দাবির স্বাধীনভাবে যাচাইযোগ্য কোনো প্রমাণ প্রকাশ করা হয়নি এবং যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকেও তাৎক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১৫
আইআরজিসির দাবি অনুযায়ী, হামলায় মার্কিন সি ১৭ পরিবহন বিমান এবং পি ৮ কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল বিমানকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়। তাদের ভাষ্য, এতে একাধিক সামরিক বিমান গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, অপারেশন নাসর ২ এর ২১তম ধাপের অংশ হিসেবে এই হামলা পরিচালিত হয়েছে। সংগঠনটির দাবি, জর্ডানের স্থানীয় বাসিন্দাদের সরবরাহ করা গোপন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতেই এই অভিযান পরিচালনা করা সম্ভব হয়েছে।
আইআরজিসি আরও দাবি করেছে, এর আগে জর্ডানের আজরাক এলাকায় অবস্থিত একটি মার্কিন ঘাঁটিতে রকেট হামলাও স্থানীয়দের তথ্যের সহায়তায় চালানো হয়েছিল। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, ওই হামলায় ২০টি সামরিক স্থাপনা ধ্বংস এবং ডজনখানেক মার্কিন সেনা নিহত হয়। তবে এসব দাবিরও স্বাধীন কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
এ ঘটনার আগে ইরানের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শহরে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। পরে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড জানায়, তারা টানা নবম রাতের মতো ইরানের বিভিন্ন স্থানে বিমান হামলা চালিয়েছে। মার্কিন বাহিনীর ভাষ্য, হরমুজ প্রণালীতে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ইরানের সামরিক সক্ষমতা দুর্বল করাই এসব অভিযানের উদ্দেশ্য।
গত জুন মাসে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধ এবং দীর্ঘমেয়াদি শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হলেও সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা আবারও তীব্র হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ধারাবাহিক হামলার জবাবে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও স্থাপনাকে লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালানোর দাবি করে আসছে তেহরান।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।