ছোলা বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় খাদ্য উপাদান। বিশেষ করে রমজান মাসে ইফতারের টেবিলে এর উপস্থিতি প্রায় অপরিহার্য। তবে শুধু রমজানেই নয়, সারা বছরই ছোলা পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যকর খাদ্য হিসেবে খাদ্যতালিকায় স্থান পেতে পারে বলে মনে করেন পুষ্টিবিদরা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ছোলায় উদ্ভিজ্জ প্রোটিন, খাদ্যআঁশ, জটিল শর্করা এবং বিভিন্ন ভিটামিন ও খনিজ উপাদান রয়েছে। এসব উপাদান শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
ছোলার খাদ্যআঁশ হজম প্রক্রিয়াকে সহায়তা করতে পারে এবং দীর্ঘ সময় পেট ভরা অনুভূতি বজায় রাখতে সাহায্য করে। ফলে এটি সুষম খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে উপকারী হতে পারে।
ছোলায় থাকা প্রোটিন শরীরের কোষ গঠন ও মেরামতে ভূমিকা রাখে। বিশেষ করে যারা উদ্ভিজ্জ উৎস থেকে প্রোটিন গ্রহণ করতে চান, তাদের জন্য ছোলা একটি ভালো বিকল্প হিসেবে বিবেচিত হয়।
এতে পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং ফোলেটের মতো গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদানও রয়েছে। এসব উপাদান শরীরের বিভিন্ন স্বাভাবিক কার্যক্রমে সহায়তা করে।
ডাল ও শিমজাতীয় খাদ্য নিয়মিত পরিমিত পরিমাণে খাওয়া হৃদ্স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্যাভ্যাসের অংশ হতে পারে। ছোলা এই খাদ্যগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় এটি স্বাস্থ্যকর খাদ্যতালিকায় স্থান পেতে পারে বলে মত বিশেষজ্ঞদের।
কোনো একক খাদ্যই সব পুষ্টির চাহিদা পূরণ করতে পারে না। তাই ছোলার পাশাপাশি শাকসবজি, ফলমূল, মাছ, মাংস বা অন্যান্য পুষ্টিকর খাবার নিয়ে সুষম খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলা প্রয়োজন।
সব মিলিয়ে, ছোলা সহজলভ্য, পুষ্টিকর এবং বহুমুখী ব্যবহারযোগ্য একটি খাদ্য। নিয়মিত ও পরিমিত পরিমাণে খাদ্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করলে এটি স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের অংশ হতে পারে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
ডেস্ক রিপোর্ট