আইএমওর মহাসচিব আর্সেনিও ডোমিনগুয়েজ এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, ইরান, ওমানসহ এ অঞ্চলের উপকূলীয় দেশগুলো, যুক্তরাষ্ট্র এবং বৈশ্বিক সমুদ্র চলাচল শিল্পের সঙ্গে সম্পৃক্ত সবার ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার ভিত্তিতে এই বিশাল উদ্ধার কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। নাবিকদের নিরাপদে ফিরিয়ে নিতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি নৌ চলাচলের সার্বিক পরিস্থিতি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই করে দেখা হয়েছে বলে জানান তিনি। ওমানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, নাবিকদের সরিয়ে নেওয়ার এই পরিকল্পনাটি নিয়ে গত কয়েক মাস ধরে নিবিড় আলোচনা চলেছে এবং এখন তা পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর তেহরানের পাল্টা জবাবে মধ্যপ্রাচ্যে সর্বাত্মক যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিলে বিশ্ব বাণিজ্যের অন্যতম প্রধান এই জলপথে বহু বাণিজ্যিক জাহাজ আটকা পড়ে। তবে যুদ্ধ বন্ধ এবং চূড়ান্ত শান্তিচুক্তির লক্ষ্যে গত সপ্তাহে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টদের মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই হওয়ার পর পরিস্থিতি দ্রুত বদলাতে শুরু করেছে।
জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান কেপলার জানিয়েছে, চুক্তি সইয়ের পর হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক নৌযান চলাচল এক ধাক্কায় অনেকটা বেড়ে গেছে। গত সোমবার এক দিনেই অন্তত ৩৬টি বাণিজ্যিক জাহাজ এই প্রণালি অতিক্রম করেছে, যা যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এক দিনে সর্বোচ্চ। এদিকে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল আবারও পুরোপুরি নির্বিঘ্ন করতে ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্যের নেওয়া আন্তর্জাতিক উদ্যোগে ডেনমার্কও অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।
ডেস্ক রিপোর্ট