ভুল তথ্যের ভিত্তিতে আদালতে ‘শোন অ্যারেস্ট’ আবেদন করায় বরগুনার বেতাগী থানার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে এ বিষয়ে গৃহীত পদক্ষেপের অগ্রগতি প্রতিবেদন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আদালতে দাখিল করতে বলা হয়েছে।
মঙ্গলবার ৪ আগস্ট বরগুনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট প্রথম আদালতের বিচারক মো. আনোয়ার হোসেন এ আদেশ দেন।
আদেশে বরগুনার পুলিশ সুপারকে এসআই মো. নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আগামী ২৯ আগস্ট ২০২৬ সালের মধ্যে গৃহীত পদক্ষেপের প্রতিবেদন আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আদালত সূত্রে জানা যায়, বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর একটি মামলায় তদন্তকারী কর্মকর্তা এক আসামিকে ‘শোন অ্যারেস্ট’ দেখানোর আবেদন করেন। তবে মামলার নথি পর্যালোচনায় আদালত দেখতে পান, ঘটনার সময় ওই আসামি অন্য একটি মামলায় কারাগারে ছিলেন। ফলে তাকে পলাতক দেখিয়ে ‘শোন অ্যারেস্ট’ আবেদন বাস্তব তথ্যের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ বলে আদালত মন্তব্য করেন।
আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, তদন্তকারী কর্মকর্তা যথাযথ তথ্য যাচাই না করেই আবেদন করেছেন। আদালতের মতে, এটি দায়িত্বে অবহেলা ও পেশাগত অদক্ষতার পরিচয় বহন করে এবং এ ধরনের কর্মকাণ্ড বিচারিক প্রক্রিয়া ও নাগরিকের মৌলিক অধিকারের পরিপন্থি।
এসব বিবেচনায় তদন্তকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং এ বিষয়ে আদালতকে অগ্রগতি জানাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ডেস্ক রিপোর্ট