ঢাকা , শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬ , ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (বর্ষাকাল) , ২৪ সফর ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
থাইল্যান্ডে বন্দুকধারীর গুলিতে শিক্ষক নিহত, হামলাকারীর আত্মহত্যা হামলা নৌ চালালে মধ্যপ্রাচ্যে ব্ল্যাকআউটের কঠোর হুঁশিয়ারি ইরানের ভিআইপিদেরও বিমানবন্দরের নিরাপত্তা তল্লাশিতে ছাড় দেওয়া হবে না: মন্ত্রী বিদেশের কারাগারে দক্ষিণ কোরিয়ার বন্দি ২৫ শতাংশ বেড়েছে যুক্তরাষ্ট্র পাশে থাকুক বা না থাকুক, ইরানে একক সামরিক পদক্ষেপের ইঙ্গিত বায়তুল মোকাররমে জুমার বয়ান ও নামাজ পড়াবেন দেওবন্দের মুহতামিম রিপাবলিক বাংলা ছাড়লেন জনপ্রিয় ভারতীয় সাংবাদিক ময়ূখ রঞ্জন ঘোষ ভুল তথ্যে শোন অ্যারেস্ট আবেদন, বরগুনার এসআইয়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া জুলাই স্মৃতি জাদুঘর নতুন বাংলাদেশের পথচলার কেন্দ্র হবে: ড. ইউনূস সৌরবিদ্যুৎসহ বিভিন্ন খাতে সৌদির বিনিয়োগের আহবান প্রধানমন্ত্রীর হাসপাতালে হামলায় ছাত্রদল ও ছাত্রলীগের আচরণ ইসরায়েলের মতো: সাদিক আল-আকসা দখলের পথে ইসরায়েলীরা,হাতছাড়ার ঝুঁকিতে জরুরি বৈঠক জর্ডানের ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে ফুঁসে উঠেছে তিস্তা ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে পাকিস্তানজুড়ে পিটিআইয়ের আজ বিক্ষোভ রাশিয়ায় উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ইউনিট মোতায়েন করা হয়েছে: কিয়েভ জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর লোহিত সাগরে ইয়েমেন উপকূলে হামলার শিকার ভারতীয় জাহাজ ডুবল বিশ্ব বাণিজ্য পর্যালোচনায় পোশাক রপ্তানিতে দ্বিতীয় স্থানে বাংলাদেশ আজ সেই ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস তনু হত্যা মামলায় একমাত্র আসামি অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য জামিনে মুক্ত

হামলা নৌ চালালে মধ্যপ্রাচ্যে ব্ল্যাকআউটের কঠোর হুঁশিয়ারি ইরানের

উপসাগরীয় দেশগুলোর জ্বালানি ও পানিশোধনাগার লক্ষ্যবস্তু হতে পারে বলে বার্তা তেহরানের
নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ০৭-০৮-২০২৬ ১১:৫৭:০৬ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৭-০৮-২০২৬ ১১:৫৭:০৬ পূর্বাহ্ন
  • ২ মিনিট পড়ার সময়
  • ১৩ বার পঠিত
হামলা নৌ চালালে মধ্যপ্রাচ্যে ব্ল্যাকআউটের কঠোর হুঁশিয়ারি ইরানের ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যে উপসাগরীয় দেশগুলোর প্রতি নতুন করে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। দেশটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ওয়াশিংটন যদি ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে হামলা চালায়, তবে পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে ব্যাপক বিদ্যুৎ বিভ্রাট বা ‘ব্ল্যাকআউট’ সৃষ্টি করা হবে। একই সঙ্গে সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর একটি বিস্তারিত তালিকাও সংশ্লিষ্ট পক্ষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। খবর এএফপির।
 
এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সামরিক হামলার হুমকি দিয়েছিলেন। তবে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কাতারের অনুরোধ এবং কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনার কথা বিবেচনা করে তিনি সাময়িকভাবে সেই অবস্থান থেকে সরে আসেন।
 
উপসাগরীয় অঞ্চলের এক কর্মকর্তা এএফপিকে জানান, ট্রাম্প যদি ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে হামলার নির্দেশ দিতেন, তাহলে ইরান উপসাগরীয় দেশগুলোর বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা অচল করে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছিল। অঞ্চলের আরেক কর্মকর্তা এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তবে সংবেদনশীলতার কারণে উভয় কর্মকর্তা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ছিলেন।
 
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এর আগে বলেছিলেন, পরিকল্পিত ওই হামলা বাস্তবায়িত হলে তা ‘দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সবচেয়ে বড় সামরিক হামলা’ হতে পারত। মার্কিন গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, তিনি বিশেষভাবে ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করার বিষয়টি বিবেচনা করছিলেন।
 
কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে ইরান স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে—তাদের বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা হলে উপসাগরীয় অঞ্চলের বিদ্যুৎ উৎপাদন ও জ্বালানি অবকাঠামোও পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তু হবে। এক কর্মকর্তা বলেন, ইরান অতীতেও এমন হুমকি দিয়েছে। তবে এবারের বার্তাটি ছিল অনেক বেশি গুরুতর, কারণ এতে সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর একটি বিস্তৃত তালিকাও যুক্ত করা হয়েছে।
 
জুলাইয়ের মাঝামাঝি সময়ে ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছিলেন, হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচলের ওপর প্রতিটি হামলার জবাবে ইরানের কোনো সেতু বা বিদ্যুৎকেন্দ্র ধ্বংস করা হবে। এর জবাবে তেহরান ‘চোখের বদলে চোখ’ নীতিতে কঠোর পাল্টা জবাব দেওয়ার ঘোষণা দেয়।
 
উপসাগরীয় কর্মকর্তারা জানান, ইরানের পাঠানো বার্তায় বিদ্যুৎকেন্দ্রের পাশাপাশি সমুদ্রের পানি বিশুদ্ধকরণ (ডেসালিনেশন) কেন্দ্রেও হামলার হুমকি দেওয়া হয়েছে। মরুভূমিপ্রধান উপসাগরীয় দেশগুলোতে নিরাপদ পানীয় জলের বড় অংশই এসব ডেসালিনেশন কেন্দ্রের মাধ্যমে সরবরাহ করা হয়। ফলে এসব স্থাপনায় হামলা হলে মানবিক সংকটও তৈরি হতে পারে।
 
ট্রাম্প হামলার পরিকল্পনা স্থগিত করার পর সৌদি আরব জানায়, আঞ্চলিক উত্তেজনা কমাতে যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে টেলিফোনে আলোচনা করেছেন। মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক সংঘাতের সময় ইরানের হামলার প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়েছে উপসাগরীয় অঞ্চলে। এতে মার্কিন সামরিক স্থাপনার পাশাপাশি জ্বালানি স্থাপনা, বন্দর ও বিমানবন্দরের মতো গুরুত্বপূর্ণ বেসামরিক অবকাঠামোও হামলার ঝুঁকিতে পড়েছে।
 
চলতি বছরের এপ্রিল ও জুন মাসে যথাক্রমে যুদ্ধবিরতি ও একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হলেও বিক্ষিপ্ত হামলা পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। জুলাইয়ে যুদ্ধবিরতি ভেঙে যাওয়ার পর সংঘর্ষের তীব্রতা আবারও বেড়ে যায়। বিশেষ করে কুয়েত ও বাহরাইনকে লক্ষ্য করে হামলার ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
 
সূত্র: এএফপি।

নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।