চুক্তি স্বাক্ষরের মাত্র ১ ঘণ্টা আগে বৈরুতে ইসরায়েলি হামলা! নেতানিয়াহুর ওপর ট্রাম্পের চরম ক্ষোভ
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ১৫-০৬-২০২৬ ০৩:৩৬:১২ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ১৫-০৬-২০২৬ ০৩:৩৬:১২ পূর্বাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ১১৩ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
লেবাননের বৈরুতে ইসরায়েলি বিমান হামলার কারণে কিছুটা বিলম্ব হলেও, আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ইরানের সঙ্গে ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে চুক্তি স্বাক্ষরের ঠিক আগমুহূর্তে এই অনাকাঙ্ক্ষিত হামলা চালানোর কারণে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ওপর তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন তিনি। ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘অ্যাক্সিওস’কে দেওয়া এক বিশেষ ফোনকলে ট্রাম্প বলেন, এই শেষ মুহূর্তের হামলায় সবকিছু ওলটপালট হয়ে গেছে। চুক্তি স্বাক্ষরটি মাত্র কয়েক ঘণ্টার জন্য পিছিয়ে গেল। এটি আসলে এতক্ষণে সম্পন্ন হয়ে যাওয়ার কথা ছিল। তবে আমি আশাবাদী, আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এই চুক্তি চূড়ান্ত হবে।
নেতানিয়াহুর ওপর চরম ক্ষুব্ধ ট্রাম্প আরও বলেন, এটা খুবই বাজে একটি কাজ হয়েছে—আমি তো প্রথমে বিশ্বাসই করতে পারছিলাম না। আমাদের চুক্তি স্বাক্ষরের ঠিক এক ঘণ্টা আগে এই বিমান হামলাটি চালানো হলো!
সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উত্তর ইসরায়েলে হিজবুল্লাহর হামলার জবাবে ইসরায়েলি বিমান বাহিনী যখন বৈরুতে নতুন করে হামলা চালায় এবং এতে তিনজন নিহত হন, তখন ট্রাম্প মারাত্মক রেগে যান। তিনি ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীকে লক্ষ্য করে তাঁর ক্ষোভ উগরে দেন।
এক ফোনালাপে ট্রাম্প সরাসরি বলেন, নেতানিয়াহুকে কেন ঠিক এই মুহূর্তেই এমন একটি হামলা করতে হলো? আমি প্রচণ্ড ক্ষেপে গিয়েছিলাম এবং তাকে সেটা পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছি। তার কোনো রাজনৈতিক বিচারবুদ্ধিই নেই।
এদিকে তেহরানের পক্ষ থেকে পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ওয়াশিংটনের সঙ্গে যেকোনো সম্ভাব্য শান্তি চুক্তিতে অবশ্যই লেবানন সংকটকেও অন্তর্ভুক্ত করতে হবে; যেখানে বর্তমানে ইসরায়েলি বাহিনী ও হিজবুল্লাহর মধ্যে তুমুল লড়াই চলছে। লেবানন পরিস্থিতির স্থায়ী সমাধান ছাড়া কোনো একতরফা চুক্তি হবে না বলেও আভাস দিয়েছে ইরান।
সূত্র: বাসস
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২
মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘অ্যাক্সিওস’কে দেওয়া এক বিশেষ ফোনকলে ট্রাম্প বলেন, এই শেষ মুহূর্তের হামলায় সবকিছু ওলটপালট হয়ে গেছে। চুক্তি স্বাক্ষরটি মাত্র কয়েক ঘণ্টার জন্য পিছিয়ে গেল। এটি আসলে এতক্ষণে সম্পন্ন হয়ে যাওয়ার কথা ছিল। তবে আমি আশাবাদী, আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এই চুক্তি চূড়ান্ত হবে।
নেতানিয়াহুর ওপর চরম ক্ষুব্ধ ট্রাম্প আরও বলেন, এটা খুবই বাজে একটি কাজ হয়েছে—আমি তো প্রথমে বিশ্বাসই করতে পারছিলাম না। আমাদের চুক্তি স্বাক্ষরের ঠিক এক ঘণ্টা আগে এই বিমান হামলাটি চালানো হলো!
সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উত্তর ইসরায়েলে হিজবুল্লাহর হামলার জবাবে ইসরায়েলি বিমান বাহিনী যখন বৈরুতে নতুন করে হামলা চালায় এবং এতে তিনজন নিহত হন, তখন ট্রাম্প মারাত্মক রেগে যান। তিনি ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীকে লক্ষ্য করে তাঁর ক্ষোভ উগরে দেন।
এক ফোনালাপে ট্রাম্প সরাসরি বলেন, নেতানিয়াহুকে কেন ঠিক এই মুহূর্তেই এমন একটি হামলা করতে হলো? আমি প্রচণ্ড ক্ষেপে গিয়েছিলাম এবং তাকে সেটা পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছি। তার কোনো রাজনৈতিক বিচারবুদ্ধিই নেই।
এদিকে তেহরানের পক্ষ থেকে পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ওয়াশিংটনের সঙ্গে যেকোনো সম্ভাব্য শান্তি চুক্তিতে অবশ্যই লেবানন সংকটকেও অন্তর্ভুক্ত করতে হবে; যেখানে বর্তমানে ইসরায়েলি বাহিনী ও হিজবুল্লাহর মধ্যে তুমুল লড়াই চলছে। লেবানন পরিস্থিতির স্থায়ী সমাধান ছাড়া কোনো একতরফা চুক্তি হবে না বলেও আভাস দিয়েছে ইরান।
সূত্র: বাসস
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।